
এক্সপ্রেস গাংনী
মেহেরপুর-কুষ্টিয়া আঞ্চলিক মহাসড়কে রাতে সড়কে গাছ ফেলে ডাকাতির ঘটনায় ডাকাত সর্দ্দারসহ তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ। এসময় তাদের কাছ থেকে ৬টি দেশীয় ধারালো অস্ত্র, গাছ কাটা করাত ও ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত পোশাক উদ্ধার করা হয়। জেলা গোয়েন্দা পুলিশ শুক্রবার দিনভর বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদেরকে গ্রেপ্তার করে।
আজ শনিবার বেলা ১১ টার দিকে মেহেরপুর পুলিশ সুপার মাকসুদা আকতার খানম প্রেস ব্রিফিংয়ে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এরা হচ্ছেন রাজবাড়ী জেলার পাংশা উপজেলার সেনপাড়ার আলতাব মন্ডল, চুয়াডাঙ্গা জেলার আলমডাঙ্গা এলাকার রমজান আলী ও আসাদুল ইসলাম শরীফ। এদেরকে আদালতের মাধ্যমে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ সুপার জানান, এক সপ্তাহ আগে মেহেরপুর-কুষ্টিয়া আঞ্চলিক মহাসড়কে রাতে একদল ডাকাত সড়কে গাছ ফেলে গণ ডাকাতি করে। ডাকাতদল বিভিন্ন পরিবহন, ট্রাক মাইক্রোবাসে ডাকাতি করে। এ ঘটনার পর জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) ও সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন টিম ডাকাতদের গ্রেপ্তারে মাঠে নামে।
ডাকাত সর্দ্দার মো. আলতাফ মণ্ডলকে গত ৫ নভেম্বর রাতে রাজবাড়ি জেলার পাংশা উপজেলার সেনপাড়া কালিতলা বাজার থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। এসময় তার কাছ থেকে ৭০০ টাকা ও মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়। তার বিরুদ্ধে আটটি ডাকাতি মামলা ও একটি অস্ত্র মামলা রয়েছে। গ্রেফতারের পর তার দেয়া স্বীকারোক্তিতে গত ৬ নভেম্বর রাতে চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার বড়বোয়ালিয়া থেকে ডাকাত সর্দ্দার রমজান আলীকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার বিরুদ্ধে একটি ডাকাতি ও একটি চুরির মামলা রয়েছে।
এদিকে ডাকাত মো. আসাদুল ইসলাম ওরফে শরিফুল ইসলামকে গত ৭ নভেম্বর রাত ১০টার দিকে চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গার জেহালা গ্রামে অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি একটি হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি। এছাড়া তার বিরুদ্ধে একটি চুরির মামলা রয়েছে।
আসামিদের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী বামন্দী-হাটবোয়ালিয়া সড়কের কামারখালী বড় ব্রিজের নিচ থেকে গাছ কাটা করাত ও ধারালো অস্ত্র এবং ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত পোশাক উদ্ধার করা করে পুলিশ।
প্রেস ব্রিফিংয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সদর সার্কেল আব্দুল করিমসহ জেলায় কর্মরত বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকগণ উপস্থিত ছিলেন।
You cannot copy content of this page
আপনার মতামত লিখুন :