
এক্সপ্রেস কুষ্টিয়া
কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলায় পদ্মা নদীতে নিখোঁজের তিন দিন পর আরেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মুকুল হোসেনের (৪০) মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (৩০ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে পাবনার সুজানগর থানার নাজিরপুর এলাকায় পদ্মা নদীতে মরদেহটি ভাসতে দেখে পুলিশকে খবর দেন স্থানীয়রা। পরে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। এএসআই মুকুল হোসেন (৪০) মেহেরপুরের কালাচাঁদপুর গ্রামের মৃত আব্দুল লতিফ বিশ্বাসের ছেলে।
গত মঙ্গলবার বিকেলে আরেক এএসআই সদরুল আলমের মরদেহ নদী থেকে উদ্ধার করা হয়। নিহত সদরুল হাসান পাবনার আতাইকুলা থানার কাজিপুর গ্রামের আব্দুল ওহাবের বড় ছেলে। পাবনার সুজানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম মোস্তফা মরদেহ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
কুমারখালী থানার অফিসার ইনচার্জ নজরুল ইসলাম জানান, পদ্মা নদীতে সকালে মরদেহ ভাসতে দেখে পুলিশে খবর দেন স্থানীয় জেলেরা। এএসআই মুকুলের মরদেহ উদ্ধার করে নাজিরগঞ্জ পুলিশ ফাঁড়িতে আনা হয়েছে। কুমারখালীতে এনে তার মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
গত সোমবার একটি নৌকায় ভোর ৪টার দিকে স্থানীয় দুই ইউপি সদস্য ছানোয়ার ও আনোয়ার পদ্মা নদীতে যান কুমারখালী থানার ছয়জন পুলিশকে নিয়ে। ওই সময় জাল ফেলে অবৈধভাবে জেলেরা ইলিশ ধরছিলেন। পরে জেলেদের দিকে পুলিশের নৌকাটি এগিয়ে এলে তাদের ওপর হামলা চালায় জেলেরা। এক পর্যায়ে নৌকায় থাকা এএসআই সদরুল আলম ও এএসআই মুকুল হোসেন নদীতে ঝাঁপ দেন।
You cannot copy content of this page
আপনার মতামত লিখুন :