
চট্টগ্রাম বনবিভাগ ডুবতে বসেছে নানা অনিয়ম-দুর্নীতি, চাঁদাবাজিতে। কর্মকর্তাদের ঘুষ-দূনীতিতে আর চাঁদাবাজিতে অতিষ্ঠ স্থানীয় লোকজন। অভিযোগের পর অভিযোগ উঠলেও কোন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে এপর্যন্ত নেওয়া হয়নি কোন ব্যবস্থা। ফলে দিন দিন বেপরোয় হয়ে উঠেছে দুনীতিবাজ এসব কর্মকর্তারা। এছাড়া খোঁদ সিএফ মোল্লা রেরজাউল, উত্তর বনবিভাগের বিভাগীয় বনকর্মকর্তা তৌহিদুর রহমান সহকারী বনসংরক্ষক জয়নাল ও রেঞ্জার তৌহিদুরের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি-দূনীতি আর অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে।
অনুসন্ধানের জানা গেছে বদলি বাণিজ্যের মাধ্যমে বিগত সরকারের আমলে গড়েছেন সম্পদের পাহাড় সিএফ মোল্লা রেজাউল। জুলাই বিপ্লবের পর ভোল পালটে বনে যান সংস্কারপন্থি। চট্টগ্রাম অঞ্চলের প্রতিটি বিভাগ ও চেক স্টেশন থেকে চাঁদাবাজি করতে তার অনুগত বন কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দিয়ে গড়ে তুলেছেন ‘মোল্যা বাহিনী’। এই বাহিনীর অলিখিত ‘ক্যাশিয়ার’ ফরেস্টার আব্দুল হামিদ।
জানা যায়, পদ্মা সেতু নির্মাণের পর মোল্যা রেজাউল তার ব্যক্তিগত ফেসবুকে লিখেছিলেন, ‘জেদি মেয়ে আমার শাসন করেছে প্রমত্তা পদ্মা বহমান, জান্নাত হতে চেয়ে দেখে পিতা, শেখ মুজিবুর রহমান।’ জুলাই বিপ্লবের পর তিনি ফেসবুকে লেখেন, সারাটি দিন কাটিয়ে দিলাম চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে। শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত এই চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে।’
মোল্যা রেজাউলের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম-দুর্নীতির লিখিত অভিযোগ করেছে বাংলাদেশ বনপ্রহরী কল্যাণ সমিতি, চট্টগ্রাম আঞ্চলিক কমিটি ও চট্টগ্রাম অঞ্চলে বন বিভাগে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং বাংলাদেশ নদী পরিব্রাজক দল কক্সবাজার জেলা শাখা। পরিবেশ ও বন উপদেষ্টা, মন্ত্রণালয়ের সচিব, দুর্নীতি দমন কমিশন ও প্রধান বন সংরক্ষকের কাছে এসব অভিযোগ করা হয়। লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, চট্টগ্রাম অঞ্চলের ১৫টি চেকস্টেশন থেকে মাসে ১-২ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করছেন মোল্যা বাহিনীর ক্যাশিয়ার ফরেস্টার আব্দুল হামিদ। তিনি চট্টগ্রাম ফরেস্ট একাডেমির রেঞ্জ কর্মকর্তা। এ বাহিনীর অন্য সদস্যরা হলেন-চট্টগ্রাম উপকূলীয় বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মুহাম্মদ বেলায়েত হোসেন, চট্টগ্রাম উত্তর বন বিভাগের সহকারী বন সংরক্ষক জয়নাল, আনিস, মামুন, রাশেদ, জুয়েল, ফরেস্ট গার্ড এমদাদ ও জসিম।
চট্টগ্রাম অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ রেঞ্জ ও বিট অফিসগুলোতে মাসে ৫০ হাজার থেকে ৩ লাখ টাকা পর্যন্ত চাঁদা নির্ধারণ করে দিয়েছে মোল্যা বাহিনী। সুফল প্রকল্পের বাগান, বাগান রক্ষণাবেক্ষণ এবং উন্নয়নমূলক ও ক্রয়ের কাজগুলো থেকে শতকরা ৫ টাকা হারে বিভাগীয় বন কর্মকর্তাদের মাধ্যমে চাঁদা নির্ধারণ করেছে মোল্যা বাহিনী। বন কর্মকর্তাদের কাছ থেকে কমিশন আদায়ের দায়িত্ব পালন করছেন ডিএফও মুহাম্মদ বেলায়েত হোসেন। বিধিবহির্ভূতভাবে চট্টগ্রাম সিএফ অফিসে ঐতিহ্যবাহী বাংলো বাড়ি ভেঙে নতুন বাড়ি এবং সিএফ অফিসের মূল ফটকে তোরণ নির্মাণ করছেন মোল্যা রেজাউল। ঢাকার লালমাটিয়ায় তার রয়েছে কয়েক কোটি টাকা মূল্যের দুটি ফ্ল্যাট, ধানমন্ডিতে বিলাসবহুল ফ্ল্যাটসহ নামে-বেনামে সম্পদ। নিজ জন্মস্থান সাতক্ষীরায় নিকট-আত্মীয়দের নামে কিনেছেন কমপক্ষে ২০ বিঘা কৃষিজমি। গত জানুয়ারিতে ৬টি অফিস আদেশে চট্টগ্রাম অঞ্চলের ৭৬ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে বদলির আদেশ দিয়ে মোল্যা রেজাউল হাতিয়ে নেন কয়েক কোটি টাকা।
অভিযোগ সূত্রে আরও জানা গেছে, মোল্যা রেজাউল করিম বিগত দিনে চট্টগ্রাম ফরেস্ট একাডেমির পরিচালকের পদে থেকে ৫ কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্পের নামে নিজস্ব ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এএমএম ট্রেডার্সকে কাজ দিয়ে ফরেস্টার আব্দুল হামিদের মাধ্যমে কোটি টাকার বেশি আত্মসাৎ করেন। নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে ফরেস্ট একাডেমির ডরমেটরি ভেঙে নিজের জন্য বাসস্থান তৈরি করেন। সৌন্দর্যবর্ধনের নামে অপ্রয়োজনীয় ঝুলন্ত ব্রিজ নির্মাণ করেন। অথচ নিজের নামে বরাদ্দ পাওয়া সরকারি বাড়ি সাবেক এক প্রধান বন সংরক্ষকের কাছে মাসিক ৩০ হাজার টাকায় ভাড়া দেন। মোল্যা রেজাউল করিমের রোষানলে পড়া নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক চট্টগ্রাম অঞ্চলের বিভিন্ন ডিভিশনে কর্মরত ফরেস্টার ও ফরেস্টগার্ডরা জানান, মোল্যা রেজাউল চট্টগ্রাম অঞ্চলে যোগদানের পরপরই একটি বাহিনী গড়ে তোলেন। তার অনুসারী নন এবং প্রতিবাদী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের চিহ্নিত করে ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন। বদলি নীতিমালা লঙ্ঘন করে যোগ্য ও কর্মঠ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের শাস্তিমূলক বদলি করেন। বিভাগীয় বন কর্মকর্তাদের দাপ্তরিক কার্যক্রমে হস্তক্ষেপ করে সরকারি কাজে বাধা সৃষ্টি করছেন।
এসব অভিযোগের বিষয়ে চট্টগ্রাম অঞ্চলের বন সংরক্ষক (সিএফ) মোল্যা রেজাউল করিম বলেন, আমার বিরুদ্ধে করা সব অভিযোগ মিথ্যা। এগুলো ভুয়া খবর। আমি নতুন এসেছি। চেকস্টেশনে যারা দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত-আমি এটা বন্ধ করতে চাচ্ছি।
এদিকে সিএফ রেজাউল করিম মিডিয়াকে বললেন রেঞ্জার তৌহিদুরের বিরুদ্ধে ব্যবস্থার নির্দেশ দিয়েছেন। অথচ তার উল্টো পথে হাটছেন সহকারী বন সংরক্ষক মো: জয়নাল আবেদীন। রেঞ্জার তৌহিদুরের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে কিনা এমন প্রশ্নের উত্তরে মো: জয়নাল আবেদীন বলেন তৌহিদুর ভালো মানুষ। তার বিরুদ্ধে কেউ ষড়যন্ত্র করছে। সে দুণীতি করতে পারে না। জানাগেছে রেঞ্জার তোহিদুর সহকারী বন সংরক্ষক মো: জয়নাল আবেদীনকে মাসিক মাসোহারা দিয়ে থাকেন। এদিকে সহকারী বন সংরক্ষক মো: জয়নাল আবেদীনের বিরুদ্ধেও রয়েছে চাঁদাবাজিসহ নানা অভিযোগ।
অভিযোগ রয়েছে, সহকারী বন সংরক্ষক (সদর ও চট্টগ্রাম) মো: জয়নাল আবেদীন এই অবৈধ লেনদেরে হোতা। জয়নাল আবেদীনের নামে মধুনাঘাট ব্রিজ এলাকায় প্রতিদিন আশি হাজার থেকে এক লক্ষ টাকা পর্যন্ত চাঁদা তোলা হয় কাঠ ও ফার্নিচারবাহী গাড়িগুলো থেকে। এ কাজে মাঠ পর্যায়ে নিয়োজিত রয়েছে রাসেল ও সুমন নামের দুই ব্যক্তি।
কিছুদিন আগে রাসেল র্যাব চান্দগাঁওয়ের হাতে হাতে নাতে ধরা পড়ে এবং দুই মাস কারাবাস করে, জয়নাল আবেদীন হস্তক্ষেপে জামিনে মুক্ত হয়ে এসে পুনরায় চাঁদা আদায়ের কাজে লিপ্ত হয়, সাথে নেয় সুমনকে। হাটহাজারী চেকপোস্ট থেকে প্রতিদিন টিপি ও টিপি বহির্ভূত কাঠ পরিবহনকারী গাড়িগুলোর কাছ থেকে জয়নাল আবেদীন নামে প্রায় পঞ্চাশ হাজার টাকা আদায় হয় এবং ফৌজদারহাট চেকপোস্ট থেকেও একইভাবে প্রতিদিন প্রায় সত্তর হাজার টাকা উঠানো হয় স্লিপ আকারে। পার্বত্য রাঙামাটি থেকে টিপি ভিত্তিক কাঠবাহী প্রতিটি গাড়ি থেকে ৫০০ টাকা করে আদায় করা হয় কাঠ ব্যবসায়ী সমিতির নেতা কাজল এর মাধ্যমে, যার অর্থ তাঁর বিকাশ নম্বরে জমা হয়, মাসিক হিসাব করলে প্রায় দুই লক্ষ টাকা আদায় হয়। বান্দরবান থেকেও টিপি অনুযায়ী কাঠবাহী প্রতিটি গাড়ি থেকে ৫০০ টাকা হারে চাঁদা নেওয়া হয় কাঠ ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক ল্যাডা জাহাঙ্গীর সরাসরি সহকারী বন সংরক্ষক জয়নাল আবেদীনের নিজস্ব একাউন্টে জমা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে, এবং এর পরিমাণ প্রায় তিন লক্ষ টাকা প্রতি মাসে। স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সাধারণ পরিবহন চালকেরা প্রশাসনিক নিরাপত্তার অভাবে মুখ খুলতে সাহস পান না, অথচ প্রতিদিন বন বিভাগের নির্ধারিত কিছু কর্মকর্তা ও দালালের পকেটে যাচ্ছে কোটি টাকার অবৈধ আদায়। এই পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষের দাবি, সহকারী বন সংরক্ষক জয়নাল আবেদীন সহ সংশ্লিষ্ট দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা ও চক্রের বিরুদ্ধে দ্রুত তদন্ত ও দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। এদিকে চট্টগ্রাম উত্তর বন বিভাগের ইছামতি রেঞ্জে সুফল প্রকল্পসহ একাধিক উন্নয়ন প্রকল্পে প্রকৃত কাজ না করেই প্রায় ১ কোটি টাকা আত্মসাৎ ও ভাগাভাগির অভিযোগে ব্যাপক আলোড়ন তৈরি হয়েছে। এই দুর্নীতির মূল হোতা হিসেবে উঠে এসেছে রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. তৌহিদুর রহমানের নাম। অভিযোগ অনুযায়ী, বরাদ্দকৃত অর্থের একটি বড় অংশ নিজেরা ভাগ করে নিয়েছেন তিনি এবং বন বিভাগের এক প্রভাবশালী ডিএফও। মুখ বন্ধ রাখতে ওই ডিএফওকে দেওয়া হয়েছে প্রকল্পের ৩১ শতাংশ অর্থ। স্থানীয়দের ভাষায়, এটি শুধু ব্যক্তিগত দুর্নীতি নয়, বরং গোটা বন বিভাগে গড়ে ওঠা একটি সংঘবদ্ধ সিন্ডিকেটের অংশ।
২০২৪-২৫ অর্থবছরে ইছামতি রেঞ্জে সুফল প্রকল্পের আওতায় পূর্বে সৃজিত এক হাজার হেক্টর বাগানের রক্ষণাবেক্ষণ এবং নতুন ১০০ হেক্টর বাগান সৃজনের জন্য বিপুল বরাদ্দ দেওয়া হয়। তবে বাস্তবে এসব কাজের কোনো দৃশ্যমান অগ্রগতি নেই। পুরোনো বাগানগুলো উপেক্ষায় নষ্ট হয়ে গেছে, নতুন বাগান তো চোখেই পড়ে না। অথচ নথিপত্রে দেখানো হয়েছে, সব কাজ সম্পন্ন এবং পুরো বরাদ্দ ব্যয়। অভিযুক্ত কর্মকর্তা দাবি করেছেন, সব খরচ নিয়ম মেনেই হয়েছে, কিন্তু মাঠ পর্যায়ে স্থানীয়রা বলছেন—সব কিছু শুধু কাগজে-কলমেই।
আরও ভয়াবহ অভিযোগ হলো, প্রকল্প বাস্তবায়নের নামে কর্মরত স্টাফদের স্বাক্ষর জাল করে তাদের নামে অর্থ উত্তোলন দেখানো হয়েছে। যারা এই অনিয়মের বিরুদ্ধে কথা বলার চেষ্টা করেছেন, তাদের হুমকি, বদলি ও বেতন বন্ধ করার মতো হয়রানির মধ্যে ফেলা হয়েছে। কয়েকজন ফরেস্ট গার্ড অভিযোগ করেছেন, তারা প্রতিবাদ করায় মানসিক চাপ এবং দফায় দফায় হুমকির শিকার হয়েছেন। ফলে পুরো রেঞ্জে তৈরি হয়েছে এক ধরনের আতঙ্ক ও
এদিকে চট্টগ্রাম উত্তর বন বিভাগের আওতাধীন কুমিরা রেঞ্জে চলছে দুর্নীতি, ঘুষ ও কাঠ পাচারের মহোৎসব। এই রেঞ্জের কর্মকর্তা মঞ্জুরুল আলম চৌধুরীর বিরুদ্ধে অবৈধ কাঠ পাচার, মাসোহারা বাণিজ্য এবং ক্ষমতার অপব্যবহারের একাধিক গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় সূত্র, বন বিভাগের একাধিক কর্মকর্তা ও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আলাপ করে জানা গেছে—এই কর্মকাণ্ড কোনো গোপন বিষয় নয়, বরং কুমিরা রেঞ্জে এটি এখন ‘ওপেন সিক্রেট’।
অভিযোগ অনুযায়ী, কুমিরা রেঞ্জে প্রতিদিন ৪ থেকে ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত ঘুষ আদায় হয়। ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক হয়ে রাঙ্গামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি থেকে আনা কাঠের চালান নির্দ্বিধায় পাস করিয়ে দেওয়া হয় ঘুষের বিনিময়ে। এসব অর্থের একটি অংশ নিয়মিতভাবে উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়, যাতে তারা নীরব থাকেন এবং এই অবৈধ ব্যবসা নির্বিঘ্নে চলতে পারে।
কুমিরা রেঞ্জের আওতাধীন স-মিল, কাঠের গুদাম, ব্রিক ফিল্ড এবং কাঠের দোকানগুলো থেকেও নিয়মিত মাসোহারা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে। এতে মাসে কয়েক লাখ টাকা অবৈধ আয় হয় বলে জানা গেছে। স্থানীয় ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করেছেন, নির্দিষ্ট মাসোহারা না দিলে তাদের ব্যবসা স্থবির হয়ে যায়, এমনকি আইন প্রয়োগকারী সংস্থার নামে ভয় দেখিয়ে তাদের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করা হয়।
ফৌজদারহাট চেক স্টেশনে দায়িত্বপালনের সময় ‘মাটিটা রিসোর্ট’-কে বনভূমি দখল ও কাঠ কাটার সুযোগ করে দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে মঞ্জুরুল আলমের বিরুদ্ধে। শুধু তাই নয়, কুমিরা রেঞ্জের আওতাধীন হওয়াই এই চেক স্টেশন থেকেই মাসে প্রায় দুই লাখ টাকা মাসোহারা আদায় করা হয়।
তদন্ত সূত্রে জানা গেছে, কুমিরা রেঞ্জে আসার আগে বান্দরবান ও ফৌজদারহাট চেক স্টেশনে দায়িত্বপালনের সময়ও তাঁর বিরুদ্ধে কোটি টাকার চাঁদাবাজি ও কাঠ পাচারের অভিযোগ উঠেছিল। অভিযোগ রয়েছে, স্থানীয় প্রভাবশালী মহল ও বন বিভাগের কিছু অসাধু কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগসাজশে তিনি দীর্ঘদিন ধরে এই অবৈধ কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছেন।
এই বিষয়ে দৃষ্টি আর্কষণ করা হলে চট্টগ্রাম ডিভিশন প্রধান রেজাউল করিম বলেন এই বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
You cannot copy content of this page
আপনার মতামত লিখুন :