
এক্সপ্রেস প্রতিবেদক
চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা থানা ছাত্রদলের আহ্বায়ক আফজালুল রহমান সবুজ ও যুগ্ম-আহ্বায়ক মাহফুজুর রহমান জনিসহ ৫ জনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখমের অভিযোগ পাওয়া গেছে। জখম অবস্থায় তাদেরকে উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। গতকাল রোববার দুপুর ১২টার দিকে চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকার সিঅ্যান্ডবিপাড়ার অদূরে এলজিইডি অফিসের নিকট এ ঘটনা ঘটে। এর মধ্যে দুজনকে কুপিয়ে ও তিনজনকে পিটিয়ে জখম করা হয়েছে বলে সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
আহতরা হলেন, দামুড়হুদা উপজেলার নতুন বাস্তপুর গ্রামের আব্দুল ওয়াহেদের ছেলে ও যুবদল নেতা জিয়াউর রহমান (৪০), একই এলাকার মোখলেছুর রহমানের ছেলে ও যুবদল নেতা মোস্তাফিজুর রহমান সুমন (৩৫) ও পীরপুরকুল্লা গ্রামের যুবদল কর্মী সেলিম মিয়া (৩৫)। এর মধ্যে আফজালুর রহমান সবুজ ও মাহফুজুর রহমান জনিকে কুপিয়ে ও বাকিদের পিটিয়ে জখম করা হয়েছে।
আহতরা জানান, চুয়াডাঙ্গায় যুবদলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠান শেষে আমরা কয়েকজন একসাথে দামুড়হুদায় ফিরছিলাম। এ সময় চুয়াডাঙ্গা সিঅ্যান্ডবিপাড়ায় এলজিইডি অফিসের অদূরে পৌছালে ৩০-৪০ জন দূর্বৃত্ত আমাদের ওপর লাঠিসোটা ও ধারাল অস্ত্র দিয়ে অতর্কিত হামলা চালায়। এতে আমাদের দুজনকে ধারাল অস্ত্রের আঘাতে ও পিটিয়ে তিনজনকে জখম করে তারা। পরে আমাদের অন্যন্য সহকর্মীরা আমাদের উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন।
চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত আবাসিক মেডিকেল চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) ওয়াহিদ মাহমুদ রবিন বলেন, দুজনের শরীরে ধারাল অস্ত্রের আঘাতে ক্ষতের সৃষ্টি হয়েছে। এছাড়া বাকি তিনজনের শরীরে আঘাতের চিহৃ রয়েছে। এর মধ্যে সেলিম প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরলেও বাকিদের ভর্তি রেখে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।
চুয়াডাঙ্গা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ খালেদুর রহমান জানান, ঘটনাটি আমি শুনেছি। আমি ও আমার পুলিশ সদস্যরা তাদের সঙ্গে কথা বলেছি। হামলাকারীদের নাম-পরিচয় আমাদেরকে এখনও জানানো হয়নি। তারা জানিয়েছেন এটা আমাদের অভ্যন্তরীন বিষয়। আমরা নিজেরা আলাপ আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেবো। আলোচনা সাপেক্ষে পরবর্তী আইনী ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন বলে আহতদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
You cannot copy content of this page
আপনার মতামত লিখুন :