জুড়ানপুরে জনপ্রিয়তার শীর্ষে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোফাজ্জল হক


Rokonuz Zaman প্রকাশের সময় : মে ১৪, ২০২৬, ১২:২৪ অপরাহ্ন /
জুড়ানপুরে জনপ্রিয়তার শীর্ষে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোফাজ্জল হক

লোভ-লালসার ঊর্ধ্বে থেকে জনসেবার অঙ্গীকার; শিক্ষিত ও নির্লোভ নেতৃত্বের টানে মাঠে নেমেছেন বিশিষ্টজনরাও

নিজস্ব প্রতিবেদক, দামুড়হুদা:
চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার জুড়ানপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে ঘিরে বইছে পরিবর্তনের হাওয়া। সৎ, শিক্ষিত ও জনহিতৈষী নেতৃত্বের সন্ধানে থাকা সাধারণ মানুষের কাছে এখন আস্থার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছেন বিশিষ্ট সমাজসেবক মোফাজ্জল হক।

ইউনিয়নকে একটি আধুনিক ও ডিজিটাল মডেলে রূপান্তরের অঙ্গীকার নিয়ে তিনি দিনরাত মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন। এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল জুড়ানপুর ইউনিয়নের গোপালপুর গ্রামে বিভিন্ন পাড়া-মহল্লায় ব্যাপক গণসংযোগ ও উঠান বৈঠক করেন তিনি।

এলাকাবাসীর মতে, মোফাজ্জল হক শুধু একজন প্রার্থী নন, তিনি জুড়ানপুরবাসীর দীর্ঘদিনের প্রত্যাশার প্রতিফলন। একটি অত্যন্ত সম্ভ্রান্ত ও শিক্ষিত পরিবারের সন্তান হওয়ায় তার মধ্যে কোনো পদ-পদবি বা অর্থবিত্তের লোভ নেই। বরং পৈতৃক সূত্রেই তিনি জনসেবায় অভ্যস্ত। দীর্ঘ দিন ধরে নিজের উপার্জিত অর্থ অকাতরে বিলিয়ে দিচ্ছেন এলাকার মসজিদ, মাদ্রাসা এবং অসহায় মানুষের কল্যাণে। তার এই দানশীলতা ও মার্জিত আচরণ তাকে সাধারণ মানুষের কাছে ‘বটবৃক্ষ’ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।

গতকাল গোপালপুর গ্রামে মোফাজ্জল হক গণসংযোগে বের হলে পাড়ায় পাড়ায় উৎসবের আমেজ তৈরি হয়। সাধারণ মানুষ তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়ে বরণ করে নেন। এসময় তিনি এলাকার প্রবীণদের দোয়া নেন এবং তরুণদের সাথে আগামীর ‘স্মার্ট জুড়ানপুর’ গড়ার পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করেন। তার অকৃত্রিম ভালোবাসা ও সৌজন্যবোধ দেখে মুগ্ধ হন স্থানীয় ভোটাররা।

গোপালপুর গ্রামের বিশিষ্টজন ও প্রথম শ্রেণীর নাগরিকরা মোফাজ্জল হকের ব্যক্তিত্বে মুগ্ধ হয়ে তাকে পূর্ণ সমর্থনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তারা ঘোষণা দিয়েছেন, শুধুমাত্র ভোট দেওয়াই নয়, বরং মোফাজ্জল হকের মতো একজন যোগ্য মানুষকে বিজয়ী করতে তারা নিজেরা ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে গিয়ে প্রচারণা চালাবেন। গ্রামের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের মতে, “মোফাজ্জল হক চেয়ারম্যান হওয়া মানেই ইউনিয়নের উন্নয়ন অবধারিত। কারণ যার নিজের কোনো লোভ নেই, সে-ই পারে জনগণের প্রকৃত সেবা করতে।”

উঠান বৈঠকে মোফাজ্জল হক তার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে বলেন, “আমি জুড়ানপুর ইউনিয়নকে একটি আধুনিক, মাদকমুক্ত এবং ডিজিটাল মডেলে রূপান্তর করতে চাই। নাগরিক সেবা হবে সহজ ও দুর্নীতিমুক্ত। প্রতিটি গ্রামের মানুষ যেন মনে করে ইউনিয়ন পরিষদ তাদের আপন ঘর। আমি নির্বাচিত হলে সুষম উন্নয়নের মাধ্যমে একটি বৈষম্যহীন মডেল ইউনিয়ন উপহার দেব ইনশাআল্লাহ।”

নির্বাচনের দিন যত ঘনিয়ে আসছে, জুড়ানপুর ইউনিয়নের প্রতিটি জনপদে মোফাজ্জল হকের জনপ্রিয়তা ততটাই আকাশচুম্বী হচ্ছে। সাধারণ ভোটারদের ভাষ্য, তারা এবার কোনো ফাঁপা প্রতিশ্রুতিতে ভুলবেন না; বরং শিক্ষিত ও পরোপকারী মোফাজ্জল হককেই চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চান। স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, জনসমর্থনের এই বিশাল ঢেউ আগামী নির্বাচনে এক নতুন ইতিহাস সৃষ্টি করতে যাচ্ছে।

You cannot copy content of this page