আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে কেন্দ্র করে চুয়াডাঙ্গা জেলার দামুড়হুদা উপজেলাধীন ১ নং জুড়ানপুর ইউনিয়নে বইছে নির্বাচনী হাওয়া। এই নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে নিজের প্রার্থিতা ঘোষণা করে সাধারণ মানুষের মাঝে ব্যাপক সাড়া ফেলেছেন দলকা লক্ষ্মীপুর গ্রামের কৃতি সন্তান মোফাজ্জল হক।
পরিচয় ও শিক্ষা:
মরহুম জালাল উদ্দীনের সুযোগ্য সন্তান মোফাজ্জল হক এলাকার একটি সম্ভ্রান্ত ও উচ্চশিক্ষিত পরিবারের সদস্য। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি অত্যন্ত মেধাবী ও শিক্ষিত। ঢাকা বাংলা কলেজ থেকে স্নাতক (বিএ) ডিগ্রি সম্পন্ন করা এই মানুষটি বর্তমানে দামুড়হুদা সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে অত্যন্ত সততার সাথে ‘ডিড রাইটার’ হিসেবে কর্মরত আছেন।
সম্পদ নয়, সেবাই মূল চালিকাশক্তি:
জুড়ানপুর ইউনিয়নে অঢেল বিত্ত-বৈভবের মালিকের অভাব নেই, কিন্তু সাধারণ মানুষের বিপদে এগিয়ে আসার মতো মানুষের বড্ড অভাব—এমনটাই মনে করেন স্থানীয়রা। মোফাজ্জল হক হয়তো শত কোটি টাকার মালিক নন, কিন্তু তার রয়েছে এক বিশাল হৃদয়। গত কয়েক বছর ধরে নিজের হাড়ভাঙা পরিশ্রমের উপার্জিত অর্থ দিয়ে তিনি নিরবে-নিভৃতে মানুষের সেবা করে যাচ্ছেন। সাধারণ মানুষের বিপদ-আপদে, অর্থনৈতিক সংকটে তিনি সবসময় নিজের সর্বোচ্চটা দিয়ে পাশে দাঁড়িয়েছেন। যার ফলে আজ তিনি দলকা লক্ষ্মীপুরসহ আশেপাশের গ্রামের মানুষের কাছে একজন ‘নিঃস্বার্থ সমাজসেবক’ হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন।
কেন এই নির্বাচন?
রাজনীতির মারপ্যাঁচ নয়, বরং মানুষের জন্য আরও বড় পরিসরে কাজ করতেই তিনি নির্বাচনে আসার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এ বিষয়ে মোফাজ্জল হক বলেন, “আমার মূল উদ্দেশ্য রাজনীতি নয়, মানুষের সেবা। ব্যক্তিগত উদ্যোগে অনেক কাজ করেছি, কিন্তু বড় পরিসরে পরিবর্তনের জন্য একটি পজিশন বা প্ল্যাটফর্ম প্রয়োজন। চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে আমি এ এলাকার মানুষের জন্য নিজের সর্বোচ্চটা বিলিয়ে দেব। অবহেলিত মানুষের অধিকার আদায়ে কাজ করাই আমার মূল লক্ষ্য।”
জনগণের প্রতি আহ্বান:
জুড়ানপুর ইউনিয়নবাসীর প্রতি আবেদন জানিয়ে তিনি আরও বলেন, “দল-মত নির্বিশেষে আপনারা আমার পাশে দাঁড়ান। আমি কথা দিচ্ছি, আমি আপনাদের চেয়ারম্যান নয়, বন্ধু ও সেবক হয়ে ছায়ার মতো পাশে থাকব। আপনাদের দোয়া ও সমর্থনই আমার একমাত্র শক্তি।”
জনমত ও প্রত্যাশা:
সরেজমিনে এলাকা ঘুরে দেখা যায়, মোফাজ্জল হকের এমন মানবিক কর্মকাণ্ডে সাধারণ মানুষ তার প্রতি দারুণ আস্থাশীল। এলাকার মুরব্বি থেকে শুরু করে তরুণ সমাজ—সবাই তার প্রার্থিতাকে সাধুবাদ জানিয়েছেন। স্থানীয়দের বিশ্বাস, মোফাজ্জল হকের মতো একজন উচ্চশিক্ষিত ও নিরহংকারী মানুষ চেয়ারম্যান হিসেবে আসলে জুড়ানপুর ইউনিয়নের উন্নয়নে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।
জুড়ানপুর ইউনিয়নে পরিবর্তনের অঙ্গীকার নিয়ে সাধারণ মানুষের দোয়া ও ভালোবাসা পুঁজি করে নির্বাচনী মাঠে নেমেছেন মোফাজ্জল হক। এখন সময়ের অপেক্ষা, সাধারণ মানুষ তাদের এই প্রিয়মুখকে ইউনিয়ন পরিষদের সিংহাসনে কতটা আসীন করতে পারেন।
আপনার মতামত লিখুন :