ঠাকুরগাঁওয়ে আবু তালেবের বিরুদ্ধে জমি দখলের অভিযোগ ভিত্তিহীন


ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি প্রকাশের সময় : ডিসেম্বর ১, ২০২৫, ১:২৭ অপরাহ্ন /
ঠাকুরগাঁওয়ে আবু তালেবের বিরুদ্ধে জমি দখলের অভিযোগ ভিত্তিহীন

গত ২২ নভেম্বর আবু তালেবের বিরুদ্ধে জমি দখলের সংবাদ কিছু নিউজ পোর্টাল, স্থানীয় সংবাদপত্র ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারিত হয়েছে। কিন্তু সরজমিনে তদন্তে দেখা যায়, ঘটনার দিন জনৈক আব্দুল গাফ্ফার ও সাত্তার তাঁদের জমির সীমানা নির্ধারণের জন্য আমিন (সার্ভেয়ার) নিয়ে যান। তাঁদের সাথে আবু তালেবের জমির লেনদেন কিংবা ক্রেতা-বিক্রেতা হিসাবে কোনো সম্পর্ক নেই।
​ঐ জমির কবলা-খরিদকৃত ক্রেতা শহিদুল মাস্টার ১৯৯৭ সালে তাঁর খরিদকৃত জমিতে মেহগনি বাগান করেন। সেই গাছের কাঠ ব্যবহার উপযোগী হলে তিনি গাছ কেটে বিক্রি করেন এবং বাড়ির জিনিসপত্র তৈরিতেও কাজে লাগান। পরবর্তীতে অর্থের প্রয়োজনে শহিদুল মাস্টার আবু তালেবের নিকট ঐ জমি বিক্রয় করেন।
​বর্তমানে জমিটিতে শনিবার ও মঙ্গলবার সাইকেল বিক্রির হাট বসে, যার ভাড়া আবু তালেব দীর্ঘ দিন ধরে পেয়ে আসছে।
​এ বিষয়ে শহিদুল মাস্টার-এর সাথে কথা হলে তিনি জানান, “আমি এই জমি ২৯ বছর আগে ক্রয় করে মেহগনি বাগান করেছি। এর কাঠ দিয়ে আমার বাড়ির জিনিসপত্র তৈরি করেছি। ভোগদখলে থাকা অবস্থায় এই জমি আমি আবু তালেবের নিকট বিক্রি করে দখল বুঝিয়ে দিয়েছি ১৪ বছর বছর আগে।”
​স্থানীয়রা জানান, প্রায় ৬০ বছর পর কৈলাশ-এর বাবা এই জমি দাবি করে এস.এ. রেকর্ড সংশোধনের মামলা করেছেন। স্থানীয় একজন জানান, “আবু তালেব রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার। তাঁর জনপ্রিয়তায় নিজ দলের মধ্যে প্রতিপক্ষরা রাজনৈতিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করে ঘায়েল করার অপচেষ্টায় আবু তালেবের বিরুদ্ধে জমি দখলের চেষ্টার মিথ্যা অভিযোগ তৈরির অপচেষ্টা চালাচ্ছে।”
​এ বিষয়ে আবু তালেব-এর সাথে কথা হলে তিনি জানান, “আমি এক যুগের বেশি সময় আগে ঐ জমি ক্রয় করেছি। ওখানে সাইকেলের হাট বসে। আমি কেন নতুন করে দখল করতে যাবো?”
​অন্যদিকে, অভিযোগকারী কৈলাশ-এর সাথে কথা হলে তিনি জানান, “আমাদের বাবা গত ২০২১ সালে একটি রেকর্ড সংশোধনের মামলা করেছেন। বাবার মৃত্যুতে আমি এই মামলা পরিচালনা করছি। রেকর্ড সংশোধন মামলা আমাদের পক্ষে আদেশ হলে আমরা জমি পাবো।”

You cannot copy content of this page