
নির্বাচন কে কেন্দ্র করে লক্ষীপুর ৪ রামগতি ও কমলনগর আসনের এমপি পদপ্রার্থী এ আর হাফিজুল্লাহ ২২/১১/২০২৫ইং তারিখ সকাল সাতটা থেকে মোটরসাইকেল শোডাউন শোভাযাত্রা শুরু করেন। কমলনগর তরাভগঞ্জ থেকে কমল নগর হাজিরহাট আলেকজান্ডার রামগতি বিভিন্ন মোর পদক্ষেণ করেন। রামগতি আহমদিয়া কলেজের সামনে একত্রিত হন।প্রায় দুই হাজারেরো ওদিক মোটরসাইকেল নিয়ে এ যাত্রাটি শুরু করেন। এতে হাজার হাজার নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন। আগামীর বাংলাদেশ জামাত ইসলামী বাংলাদেশ দেখতে চান। নির্বাচনকে সামনে রেখে এই প্রচারণা ছালান। এ আর হাফিজুল্লাহ জানান ইনসাফ ভিত্তিক সমাজ গড়ার লক্ষ্যে রামগতি ও কমলনগর কে ঘোষ দুর্নীতি চাঁদাবাজ মুক্ত এলাকা দেখতে চান।
২২ নভেম্বর সকাল ৭ টার দিকে কমলনগর উপজেলার তোরাবগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয় অ্যান্ড কলেজ মাঠ থেকে শোভাযাত্রাটি আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়। দীর্ঘ ৬০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে শোভাযাত্রা শেষ হয় বেলা সাড়ে ১২টার দিকে রামগতি বাজারে গিয়ে।
পুরো পথজুড়ে প্রার্থীর সমর্থনে ছিল উচ্ছ্বাস, স্লোগান আর প্রচারণার ব্যানার-ফেস্টুনে সজ্জিত পরিবেশ
শোভাযাত্রায় কমলনগর ও রামগতি উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে কয়েক হাজার নেতাকর্মী ও সমর্থক নিজ নিজ মোটরসাইকেল নিয়ে অংশগ্রহণ করেন। শোভাযাত্রার অগ্রযাত্রা চলার সময় রাস্তার দু’পাশে দাঁড়িয়ে বহু সাধারণ মানুষও হাত নেড়ে শুভেচ্ছা জানান। এতে এলাকায় নির্বাচনী আমেজ আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে।
জামায়াত প্রার্থী দেলওয়ারের ৭ হাজার মোটরসাইকেল নিয়ে শোডাউন
এ,আর হাফিজ উল্লাহ বলেন, দাঁড়িপাল্লা শান্তি ও ন্যায়বিচারের প্রতীক। জনগণ পরিবর্তন ও উন্নয়নের পক্ষে রায় দিতে প্রস্তুত এই শোভাযাত্রা তারই প্রমাণ। তিনি আরও দাবি করেন, রামগতি–কমলনগরের উন্নয়ন ও মানুষের ন্যায্য অধিকার আদায়ে তিনি কাজ করতে চান এবং আগামী নির্বাচন হবে জনগণের প্রত্যাশা পূরণের মোড় ঘোরানোর সুযোগ।
স্থানীয়দের মতে, এ ধরনের বড় পরিসরের মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা এলাকায় সম্প্রতি নির্বাচনী উত্তাপ বাড়িয়ে দিয়েছে। বিভিন্ন দলও নিজেদের প্রচারণা আরও জোরদার করতে মাঠে নামবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
You cannot copy content of this page
আপনার মতামত লিখুন :