
চুয়াডাঙ্গা জেলার দামুড়হুদা মডেল থানা থেকে মাত্র তিন কিলোমিটার দূরে উপজেলা সদর ইউনিয়নের গোবিন্দহুদা মাধ্যমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা কাউসার আলী (৩৮) ও শিক্ষক শামীমা আক্তার (৩০) দম্পতির বাসভবন থেকে দিনে দুপুরে দুর্ধর্ষ চুরির ঘটনা ঘটেছে। এমন চুরির ঘটনায় এলাকাবাসীর মধ্যে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে।চোর চক্রের সদস্যরা নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকারসহ প্রায় চার লক্ষ টাকা চুরি করে নিয়ে গেছে।
দিনে দুপুরে চুরির এমন ঘটনা স্থানীয়দেরকে হতভাগ করেছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিকট তাদের দাবি দ্রুত ছুরির ঘটনায় জড়িতদের চিহ্নিত করে গ্রেপ্তার ও শাস্তির আওতায় আনতে হবে
গতকাল বুধবার সকাল ৯ টা থেকে বিকাল ৪ টার মধ্যে যে কোন সময় গোবিন্দদা গ্রামের সরকারি চাকুরীজীবী উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা ও প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক দম্পতির নিজ বাসভবনে এমন চুরির ঘটনা ঘটে।এ ঘটনায় ভুক্তভোগী কর্মকর্তা কাউসার আলী বাদী হয়ে ঘটনার দিন অজ্ঞাতনামা চোরদের বিরুদ্ধে দামুড়হুদা মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়,তার স্ত্রী শামীমা আক্তার দামুড়হুদা উপজেলার চাকুলিয়া সরকার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ও আমি মেহেরপুর জেলার মুজিবনগর উপজেলায় পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত আছি। সেই সুবাদে আমি আমার স্ত্রী উভয়ে নিজ বাসা থেকে কর্মস্থলে যাতায়াত করি।এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল বুধবার সকাল ৮ টা ৪৫ মিনিটে নিজ নিজ কর্মস্থলে যাওয়ার উদ্দেশ্যে বাড়িটি তালাবদ্ধ বাড়ি করে বের হয়। পরবর্তীতে বিকাল 5 ঘটিকার সময় আমার স্ত্রী বাড়িতে এসে দেখে বাড়ির ছাদের উপরের দরজার তালা ও ঘরে প্রবেশের মূল গেটের তালা ভাঙ্গা। এ সময় ঘরের ভেতরে প্রবেশ করে দেখেন ওয়ারড্রব ভেঙ্গে তার ব্যবহৃত প্রায় দুই ভরি ওজনের স্বর্ণের ২ জোড়া কানের দুল, ৪ টি আংটি, ৩ টি চেইন, নাকফুল সহ নগদ ১০ হাজার টাকা সর্বমোট প্রায় ৪ লক্ষ টাকা চুরি করে নিয়ে গেছে চোর চক্রের সদস্যরা।
এ বিষয়ে ভুক্তভোগী কাউসার জানিয়েছেন, আমি এবং আমার স্ত্রী দুজনেই সরকারি চাকরিজীবী।আমার কর্মস্থল মেহেরপুর জেলা এবং আমার স্ত্রী উপজেলার চাকুলিয়া সরকার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক।প্রতিদিনের ন্যায়
বুধবার সকালে আমাদের বাড়িটা তালাবদ্ধ অবস্থায় রেখে নিজ নিজ কর্মস্থলে যাই।এদিন আমার স্ত্রী স্কুল থেকে ফিরে এসে দেখেন তালা ভেঙে ঘরের ভেতর প্রবেশ করে স্বর্ণালংকার সহ নগদ টাকা চুরি হয়েছে।
চুরির ঘটনার অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত করে দামুড়হুদা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হুমায়ুন কবীর জানিয়েছেন অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত স্বাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে!
You cannot copy content of this page
আপনার মতামত লিখুন :