
ঢাকা মেট্রো – ২ সার্কেলে কেরানীগঞ্জ ঢাকা এলাকা অবস্থিত বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটি (বিআরটিএ) ঢাকা জেলা সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন নাম মাত্র পরীক্ষায় কামিনে নিচ্ছে লাখ লাখ টাকা। এই দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা নিজেকে প্রভাবশালী কর্মকর্তা বলে দাবি করেন।
গাবতলীতে- তেজগাঁও না গিয়ে তিনি দালাল চক্রের মাধ্যমে নিয়ে থাকেন পরীক্ষা। কোন সাংবাদিক তথ্য এর জন্য গেলে সেখানে তাকে পাওয়া যায় না। মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন দালালের মাধ্যমে সিন্ডিকেট করে গোপনে টাকা নিয়ে লাইসেন্স করে দেয়। আর যেই সকল সাধারণ মানুষ লাইসেন্স করতে মধ্যস্থতার মধ্যে আসে না তাদেরকে পাশ দেন না। এ সমস্ত কাজ তিনি দালালের মাধ্যমে করে থাকেন। প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায় কেরানীগঞ্জ ইকুরিয়া মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন, (এডি) ঘুষ ও অনিয়মের ঘুষ বাণিজ্য এ অবৈধ কার্যক্রম চালিয়ে আসছে।
একটি প্রভাবশালী দালাল চক্র এদের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে মদদ দিচ্ছে মোঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন গোপন সূত্রে জানা যায় মোবাইল এসএমএস এর মাধ্যমে এবং বিকাশের মাধ্যমে টাকা আদান প্রদান করা হয়। এসএমএস এর মাধ্যমে পরীক্ষার রোল নম্বর আর বিকাশের মাধ্যমে টাকা এবং অর্থ আত্মসাৎ করা হয়। সাধারণ মানুষ যদি ভালো পরীক্ষা দিয়ে থাকে তাহলে তাকে পাস দেয় না। আর যদি দালালের মাধ্যমে মধ্যস্থতা করা হয় তা হলে সে পাস ব্যক্তি নির্দিষ্ট টাকার মাধ্যমে মধ্যস্থতাকারী মাধ্যমে এই সরকারি কর্মকর্তা অর্থ ভাগাভাগির মাধ্যমে কার্যক্রম চালায় এই কর্মকর্তা একটি শক্তিশালী দালাল চক্র তার সিন্ডিকেট আওতায় রয়েছে।
তিনি এক ধরনের সরকারি অফিসে ব্যবসা-বাণিজ্য প্রতিষ্ঠান খুলে বসেছে সাধারণ মানুষ যখন লাইসেন্স পরীক্ষা দিতে আসে তখন তাদেরকে ঘিরে ধরেন দালালরা ওইখান থেকে মধ্যস্থতার মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে বোঝাতে থাকেন পাস নিয়ে দিবেন। আর অর্থ ভাগাভাগি করেন দালালের মাধ্যমে প্রভাবশালী এই কর্মকর্তা। কোন ব্যক্তি রাজি না হলে সেই যতই ভালো পরীক্ষা দেয় না কেন তাকে পাস দেওয়া হয় না। সে বছর পর বছর পরীক্ষা দিবে তারপরও সে পাস হবে না। যদি দালালের মাধ্যমে না আসে কর্মকর্তা মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন বিরুদ্ধে যে তথ্য আছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) তার বিষয়ে যাচাই বাছাই করা উচিত।
একজন ভুক্তভোগী জানান, “আমি নিজে নিজে তিনবার পরীক্ষা দিয়েছি ভালই দিয়েছি কিন্তু ফেল দিয়েছে পরে দালালের মাধ্যমে যাওয়ার পর বাড়তি টাকা দিলে আমাকে অনলাইনে পাশ দিয়ে দেয়। সাধারণ মানুষ যদি কাজ করতে আসে ভোগান্তির কোন শেষ নাই। ফাইল গুলি নজরে রাখেনা, সাধারণ দীর্ঘ লাইন দাঁড়িয়ে থাকার পর পরীক্ষা ভালো দেওয়ার পরও পাশ আসে না। অজুহাত দেখিয়ে ফাইল গুলি পাস আসে না। এইসব কারণে দালালের মাধ্যমে আসতে হয়।” এই সমস্ত ঘটনা বিজ্ঞ লোকেরা মন্তব্য করেন বিআরটিএ এখন আর সেবামূলক প্রতিষ্ঠান নয় এটি দুর্নীতির আখড়া। সাধারণ মানুষদেরকে ভোগান্তি করে থাকে। এ সমস্ত কর্মকর্তার কারণে সাধারণ মানুষ জিম্মি আছে দাবী করেন। স্বীকার করা হয় গণতন্ত্র ও বাকস্বাধীনতার জন্য হুমকি স্বরূপ হয়ে দাঁড়িয়েছে এ সকল কর্মকর্তার কারণে সাধারণ বেশিরভাগ মানুষ অসহায়।
সরকারের উচিত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের জবাবদিহি তার আওতায় আনতে হবে। প্রশ্ন উঠেছে প্রভাবশালী এই কর্মকর্তারা প্রশাসনের ছত্রছায়া এতটাই শক্তিশালী উঠেছে যে দীর্ঘ দিন ধরে এরকম অনিয়ম করে আসছে। ফলে সাধারণ মানুষ মনে করেন এ সকল কর্মকর্তার পিছনে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক রয়েছে।
এ সকল বিষয়ে কথা বলতে কেরানীগঞ্জ বিআরটিএর সহকারী পরিচালক আব্দুল্লাহ আল মামুন কে একাধিকবার ফোন করা হলেও ফোনটি তিনি রিসিভ করেননি।
You cannot copy content of this page
আপনার মতামত লিখুন :