
ঘূর্ণিঝড় মোন্থার প্রভাব ও নিম্নচাপের কারণে গত বৃহস্পতিবার থেকে টানাবৃষ্টিতে রোপাআমন ধানের ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা করছেন রংপুরের গঙ্গাচড়া এলাকার কৃষকরা। বিশেষ করে গতকাল শুক্র ও আজ শনিবার (১ নভেম্বর) রাতের ঝুম বৃষ্টির পাশাপাশি ঝরো বাতাসে কৃষকের জমির পাকা ও আধাপাকা ধান পানিতে হেলে পড়েছে। সবজির জমিগুলোতে পানি জমায় ফসলের বড় ক্ষতির আশঙ্কা করছেন তারা।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে গঙ্গাচড়া উপজেলায় ১৯ হাজার ৩৫৫ হেক্টর জমিতে আমনের চাষ হয়েছে।
আজ রবিবার (২ নভেম্বর) সরেজমিনে দেখা যায়, হলুদ হয়ে আসা ধানের ক্ষেতগুলো বৃষ্টিতে নুয়ে পড়েছে। এতে ফলন ও ধানের গুণগত মান নিয়ে উদ্বিগ্ন কৃষকরা। উপজেলার সদর ইউনিয়নের চেংমারী এলাকার কৃষক ইউনুস আলী বলেন, আমরা বছরের পর বছর পরিশ্রম করে ফসল রোপণ করি। এবার যখন ধান কাটা সময় এসেছে, তখনই এমন বৃষ্টি সব ধান নুয়ে দিয়েছে। জমিতে পানি জমে শীষ ভিজে যাচ্ছে, ফলন অর্ধেকও না হওয়ার আশঙ্কা প্রবল।
জমিতে কেটে রাখা ধান নিয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন, সেই সঙ্গে ধানগুলো ঘরে তোলা নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন কৃষকরা।
এছাড়া অতিবৃষ্টিতে শীতের আগাম সবজি ক্ষেতে জমেছে পানি। ফসল বাঁচাতে নিজেদের মত করে পানি সরানোর চেষ্টা করছেন তারা।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সৌয়দ শাহিনুর ইসলাম বলেন, রোপাআমন ধানের জমির পানি নিষ্কাশনের জন্য সব উপ সহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের জরুরি পরামর্শ দিয়ে মাঠ পর্যায়ে পাঠানো হয়েছে। আর আবহাওয়া ভালো হলে দুই-তিন দিনের মধ্যে জমির পানিতে নুয়ে পড়া ধানের তেমন ক্ষতি হবে না। তবে হেলে পড়া ধান গান গুলো ঝুঁটি বেঁধে দিলে ক্ষতির পরিমাণ কম হবে।
You cannot copy content of this page
আপনার মতামত লিখুন :