
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করে। আগামী ফেব্রুয়ারিতে ‘জুলাই সনদ’-এর ভিত্তিতে জাতীয় নির্বাচনসহ কেন্দ্র ঘোষিত ৫-দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে শুক্রবার এই কর্মসূচি পালিত হয়।
বেলা ১১টায় সিরাজদিখান গোয়ালবাড়ি মোড় (ইউএনও পার্ক) থেকে বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। মিছিলটি উপজেলা মোড় বাস স্ট্যান্ডে এসে প্রতিবাদ সমাবেশে মিলিত হয়। ব্যানার, প্ল্যাকার্ড ও স্লোগানে সজ্জিত মিছিলে হাজার হাজার নেতাকর্মী অংশ নেয়।
বিক্ষোভ মিছিলে উপস্থিত ছিলেন মুন্সীগঞ্জ-১ (সিরাজদিখান-শ্রীনগর) আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী ও মুন্সীগঞ্জ জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি অধ্যক্ষ এ.কে.এম ফকরুদ্দীন রাজী। আরও উপস্থিত ছিলেন মুন্সীগঞ্জ জেলা জামায়াতের সাবেক আমির আব্দুল আউয়াল জিহাদী, মুন্সীগঞ্জ জেলা কর্মপরিষদ সদস্য এইচ এম বায়োজীদ এবং শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন মুন্সীগঞ্জ শাখার সেক্রেটারি মোঃ মুজিবর রহমানসহ অন্যান্য স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, দেশে পিআর (প্রোপোরশনাল রিপ্রেজেন্টেশন) পদ্ধতি ছাড়া কোনো নির্বাচন গ্রহণযোগ্য হবে না। তারা অভিযোগ করেন যে, পিআর ছাড়া নির্বাচন মানে ‘দিনের ভোট রাতে করার প্রস্তুতি’, যা জনগণ আর কখনও মেনে নেবে না। বক্তারা বলেন, দেশের জনগণ ‘জুলাই সনদের’ আইনি ভিত্তি চায় এবং পিআর পদ্ধতি বাস্তবায়নের মাধ্যমে ক্ষমতার ভারসাম্য চায়। তাঁরা ৫-দফা দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন।
উল্লেখ্য, গত ১৫ সেপ্টেম্বর জামায়াত তাদের কেন্দ্রীয় কার্যালয় সংলগ্ন আল ফালাহ মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এই ৫-দফা দাবিগুলো ঘোষণা করে। দাবিগুলো হলো :
‘জুলাই জাতীয় সনদের’ ভিত্তিতে আগামী ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন আয়োজন করা, আগামী জাতীয় নির্বাচনে সংসদের উভয় কক্ষে পিআর পদ্ধতি চালু করা, অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের লক্ষ্যে সবার জন্য সমান সুযোগ (লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড) নিশ্চিত করা, ফ্যাসিস্ট সরকারের সব জুলুম-নির্যাতন, গণহত্যা ও দুর্নীতির বিচার দৃশ্যমান করা, স্বৈরাচারের দোসর জাতীয় পার্টি ও ১৪ দলের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা।
You cannot copy content of this page
আপনার মতামত লিখুন :