মাগুরা সদর উপজেলা কৃষি অফিসার তোজাম্মেল হোসেনের বিরুদ্ধে দুর্নীতি-অনিয়মের পাহাড়


স্টাফ রিপোর্টার প্রকাশের সময় : সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২৫, ৭:৩৮ অপরাহ্ন /
মাগুরা সদর উপজেলা কৃষি অফিসার তোজাম্মেল হোসেনের বিরুদ্ধে দুর্নীতি-অনিয়মের পাহাড়

মাগুরা সদর উপজেলার কৃষি অফিসার তোজাম্মেল হোসেনের বিরুদ্ধে একের পর এক দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। সরকারি গাড়ি বেয়াইনিভাবে ব্যবহার থেকে শুরু করে নিষিদ্ধ ইউক্যালিপটাস চারা বিক্রি, কৃষি প্রকল্পের অর্থ আত্মসাৎ ও কৃষকদের প্রাপ্য সুবিধা বঞ্চনার মতো অভিযোগে কৃষক ও সংশ্লিষ্ট মহলে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

যোগদানের পরপরই তিনি সরকারি গাড়ি ব্যক্তিগতভাবে ব্যবহার শুরু করেন। এ নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে।নিষিদ্ধ ইউক্যালিপটাস চারা বিক্রি ,২০২৫ সালের ২৯ মে সরকার ইউক্যালিপটাস চারা বিক্রি ও রোপণ নিষিদ্ধ করে প্রজ্ঞাপন জারি করে এবং সরকার ভূতুকি দিয়ে তা ধংস করার জন্য আদেশ দেন।

তবে অভিযোগ রয়েছে, অর্থের বিনিময়ে তোজাম্মেল হোসেন বিভিন্ন নার্সারির মাধ্যমে এসব নিষিদ্ধ চারা বিক্রির সুযোগ দিয়েছেন।কৃষকদের প্রাপ্য সুবিধা না দেওয়া আলাইপুর, সত্যপুর, অঙ্গারদহ ও বরই ব্লকের কৃষকরা অভিযোগ করেন, প্রদর্শনী প্রকল্পে তারা শুধু সাইনবোর্ড, সামান্য কিছু চারা ও সার পেয়েছেন।

কিন্তু প্রকল্প অনুযায়ী পর্যাপ্ত চারা, সার, পরিচর্যা খরচ ও জৈব নাশক দেওয়ার কথা থাকলেও কিছুই পাননি। কলা চাষিরা ব্যাগিং সিস্টেমের ব্যাগও পাননি।আলাইপুর ব্লকের কৃষক ভক্ত জনান কৃষি অফিসার এর কাছে সেবার জন্য গেলে সে আমাদের সাথে খারাপ আচারণ করেন।

এবং কৃষকেদের ডেকে দুপুরের খাবার খাওয়াতে বলেন।নাসির এগ্রো ফার্মের মালিক , নাসির জানান কৃষি উদ্বোক্তা হিসাবে কোন সাহায্য পাই নাই বরং তার ব্যবহার ভালো নয়।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা জানান, পারিবারিক পুষ্টি বাগানের ৩৪০টি প্রদর্শনী দেওয়ার কথা থাকলেও কোনোটি দেওয়া হয়নি।

বরং বরাদ্দকৃত অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে।অভিযোগ রয়েছে, জেলার ১৪ জন বিসিআইসি সার ডিলারের কাছ থেকে মাসোহারা আদায় করেন তিনি।

ফলে ডিলাররা উচ্চ দামে সার বিক্রি ও কালোবাজারিতে জড়িয়ে পড়েছেন।যার কারনে কৃষরা চড়া দামে সার কিনতে হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

এছাড়াও সরকারি গাড়ি ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার, নিষিদ্ধ ইউক্যালিপটাস চারা বিক্রি, কৃষি প্রকল্পের অর্থ আত্মসাৎ ও কৃষকদের প্রাপ্য সুবিধা বঞ্চনার অভিযোগে কৃষি মহলে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে।

কৃষকরা জানান, প্রদর্শনী প্রকল্পে কেবল সাইনবোর্ড, সামান্য কিছু চারা ও সার পেয়েছেন তারা। কলা চাষিরা ব্যাগিং সিস্টেমের ব্যাগও পাননি। আলাইপুরের কৃষক ভক্ত অভিযোগ করে বলেন, সেবার জন্য গেলে কৃষি অফিসার খারাপ আচরণ করেন এবং কৃষকদের ডেকে দুপুরের খাবার খাওয়াতে বলেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা জানান, পারিবারিক পুষ্টি বাগানের ৩৪০টি প্রদর্শনী দেওয়ার কথা থাকলেও একটি প্রদর্শনীও বাস্তবায়ন হয়নি। বরাদ্দকৃত অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

এছাড়া অভিযোগ রয়েছে, জেলার ১৪ জন বিসিআইসি সার ডিলারের কাছ থেকে মাসোহারা আদায় করেন অভিযুক্ত কৃষি অফিসার। ফলে ডিলাররা কালোবাজারির সঙ্গে জড়িয়ে পড়ে এবং কৃষকদের চড়া দামে সার কিনতে হচ্ছে।

এ ব্যাপারে মাগুরা জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক তাইজুল ইসলাম বলেন,এসব অভিযোগের ভিত্তিতে মাগুরা জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক জনাব তাজুল ইসলাম অভিযুক্ত কৃষি অফিসারকে শোকজ নোটিশ ইস্যু করেছেন বলে জানান।”

অভিযোগের বিষয়ে কৃষি অফিসার তোজাম্মেল হোসেনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি। পরে সংক্ষিপ্ত প্রতিক্রিয়ায় জানান, “আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র হচ্ছে, এসব বিষয়ে আমি কিছু জানি না।”

You cannot copy content of this page