
কিশোরগঞ্জের হাওরাঞ্চলের রাজনীতিতে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছেন কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সহ-সভাপতি ও বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী তরুণ নেতা হাফিজুল্লাহ হিরা। দীর্ঘদিন ছাত্র রাজনীতির মাঠে থেকে গড়ে ওঠা এই তরুণ নেতা বর্তমানে স্থানীয় রাজনীতিতে তরুণ প্রজন্মের অন্যতম ভরসার নাম হয়ে উঠেছেন।
কিশোরগঞ্জ -৪ ( অষ্টগ্রাম, ইটনা ও মিঠামইন) উপজেলায় নিয়মিত গণসংযোগ, সাংগঠনিক কার্যক্রমে সক্রিয়তা এবং সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে থাকার কারণে তিনি রাজনীতির অঙ্গনে দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে উঠেছেন। বিশেষ করে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মধ্যে তার গ্রহণযোগ্যতা বাড়ছে। স্থানীয়রা বলছেন, সংকটের সময় হাফিজুল্লাহ হিরা সবার আগে এগিয়ে আসেন এবং ব্যক্তিগত উদ্যোগে অনেক সমস্যার সমাধানে কাজ করেন।
তরুণ প্রজন্মের কাছে হাফিজুল্লাহ হিরা শুধু একজন রাজনৈতিক নেতা নন; বরং একজন অনুপ্রেরণা। শিক্ষা, কর্মসংস্থান, উন্নয়ন ও আধুনিক যোগাযোগব্যবস্থা নিয়ে তার পরিকল্পনা ইতিমধ্যেই তরুণ ভোটারদের মধ্যে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। একাধিক তরুণ ভোটার জানিয়েছেন, হাওরের রাজনীতিতে এমন নেতৃত্বের খুব প্রয়োজন, যিনি একদিকে দলের রাজনীতি শক্তিশালী করবেন, অন্যদিকে সমাজের উন্নয়নেও সরাসরি ভূমিকা রাখবেন।
নিজ বক্তব্যে হাফিজুল্লাহ হিরা বলেন,
“তরুণ প্রজন্মের কাছে আধুনিকতার বার্তা পৌঁছে দেওয়া এবং হাওরের প্রান্তিক মানুষের পাশে থেকে তাদের উন্নয়নে কাজ করাই আমার রাজনীতির লক্ষ্য। আমি চাই, অবহেলিত হাওরাঞ্চলের মানুষ যেন দেশের মূলধারার উন্নয়নে যুক্ত হয়। এজন্য আমি সবার কাছে দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করছি।”
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন, বিএনপির আগামী দিনের রাজনীতিতে তরুণ নেতৃত্ব বড় ভূমিকা রাখবে। হাফিজুল্লাহ হিরার মতো নেতারা যদি মাঠপর্যায়ে সক্রিয় থাকেন, তবে সংগঠনের ভিত্তি আরও মজবুত হবে এবং হাওরাঞ্চলে বিএনপির রাজনৈতিক অবস্থান সুদৃঢ় হবে।
হাওরের মানুষের আশা, তরুণ নেতৃত্বের মাধ্যমে শুধু রাজনীতিতেই নয়, সামাজিক ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রেও ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে। আর সেই প্রত্যাশার কেন্দ্রে আজ আলোচনায় হাফিজুল্লাহ হিরা।
You cannot copy content of this page
আপনার মতামত লিখুন :