দীর্ঘ অপেক্ষার পর চিলমারী – হরিপুর তিস্তা ব্রীজ উদ্বোধন ২ আগষ্ট 


আসলাম উদ্দিন আহম্মেদ, কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধিঃ প্রকাশের সময় : জুলাই ১৪, ২০২৫, ৫:৫০ পূর্বাহ্ন /
দীর্ঘ অপেক্ষার পর চিলমারী – হরিপুর তিস্তা ব্রীজ উদ্বোধন ২ আগষ্ট 

দীর্ঘ অপেক্ষার পর অবশেষে উদ্বোধন হচ্ছে চিলমারী – হরিপুর তিস্তা ব্রীজ। আগামী ২ আগস্ট শনিবার সকাল ১১টায় উদ্বোধন করা হবে বলে জানা গেছে। 

গাইবান্ধা-কুড়িগ্রামবাসীর দীর্ঘদিনের স্বপ্ন চিলমারী-হরিপুর ব্রীজ উদ্বোধনের মাহেন্দ্রক্ষণ নির্ধারণ করেছে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়।১৩ জুলাই রোববার দুপুরে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়ার একান্ত সচিব আবুল হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এদিন সকালে বিমানযোগে সৈয়দপুর হয়ে গাইবান্ধা পয়েন্টে উপস্থিত থাকবেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া, সচিব মোঃ রেজাউল মাকছুদ জাহেদী, অর্থ দাতা রাষ্ট্র সৌদি আরবের  প্রতিনিধি, প্রকল্প পরিচালক আব্দুল মালেকসহ মন্ত্রণালয়টির গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তাবৃন্দ। এছাড়া ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস প্রতিক্ষিত ব্রীজটি উদ্বোধন করার কথা রয়েছে। এর আগে জুনের শেষ সপ্তাহে ব্রীজ উদ্বোধনের কথা ছিল। 

১৪৯০ মিটার চিলমারী- হরিপুর ব্রীজটি স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সবচেয়ে বড় ব্রীজ। এ ব্রীজ দিয়ে কুড়িগ্রাম জেলার মানুষের যাত্রার সময় কমবে ১৩৫ কিলোমিটার। 

তিস্তা নদীর ওপর ১ হাজার ৪৯০ মিটার দীর্ঘ এ সেতু নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ৯২৫ কোটি টাকা। সৌদি সরকারের অর্থায়নে ব্রীজটি নির্মিত হয়। এ ব্রীজ উদ্বোধন কবে হবে এ নিয়ে জনগণের মাঝে আশা প্রত্যাশার দোলা ছিলো। এ ঘোষণার মধ্যে দিয়ে তার সমাপ্তি হবে আশা করা হচ্ছে। সেতুটি চালু হলে চিলমারী ও সুন্দরগঞ্জ উপজেলার মানুষের  মধ্যে সেতু বন্ধন তৈরি হবে। দুই অঞ্চলের মানুষদের মধ্যে সাংস্কৃতিক বিনিময় ও সামাজিক সম্পর্ক আরও মজবুত ও দৃঢ় হবে।

কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে, কারণ সেতুর আশেপাশে ব্যবসা-বাণিজ্য ও শিল্প-প্রতিষ্ঠানের বিকাশ ঘটবে।

সর্বোপরি, হরিপুর-চিলমারী তিস্তা সেতুটি এই অঞ্চলের মানুষের জন্য নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দেবে এবং উত্তরবঙ্গের সার্বিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে 

You cannot copy content of this page