
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কিশোরগঞ্জ-৪ (অষ্টগ্রাম, ইটনা ও মিটামইন) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করার ঘোষণা দিয়েছেন তারুণ্যের প্রতীক, নারী উন্নয়নের চিন্তাশীল অগ্রদূত এবং সমাজসেবায় নিবেদিত ব্যক্তিত্ব কাজী রেহা কবির সিগমা।
অষ্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী ও প্রভাবশালী কাজী পরিবারের সদস্য ভাষা সৈনিক আব্দুল বারীর উত্তরসূরী কাজী রেহা কবির সিগমা ছোটবেলা থেকেই নিজ জন্মভূমি অষ্টগ্রাম ও সমগ্র হাওরাঞ্চলের উন্নয়নে নিরন্তর চিন্তা ও পরিকল্পনা করে আসছেন। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, নারী স্বাবলম্বিতা ও টেকসই হাওর উন্নয়ন—এই চারটি বিষয়কে তিনি তার জীবনের কর্মপরিকল্পনার মূল স্তম্ভ হিসেবে নিয়েছেন।
তার রাজনৈতিক দর্শন এক কথায়—“মানুষের উন্নয়নই আসল রাজনীতি।”
রেহা কবির সিগমা বিশ্বাস করেন, হাওরাঞ্চলের প্রকৃত উন্নয়ন তখনই সম্ভব, যখন নারী-পুরুষ উভয়ে সমানভাবে সুযোগ পাবেন শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও নেতৃত্বে।
দীর্ঘদিন ধরে তিনি স্থানীয় তরুণ সমাজ, নারী সংগঠন ও বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী উদ্যোগের সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে সমাজে পরিবর্তনের বার্তা ছড়িয়ে দিচ্ছেন। বিশেষ করে হাওরাঞ্চলের মেয়েদের শিক্ষা ও আত্মনির্ভরতা বৃদ্ধিতে তার ভূমিকা প্রশংসনীয়।
এক সাক্ষাৎকারে কাজী রেহা কবির সিগমা বলেন,
রাজনীতি আমার কাছে ক্ষমতার নয়, দায়িত্বের জায়গা। আমি চাই অষ্টগ্রাম, ইটনা ও মিটামইনের মানুষরা যেনো নিজেদের অধিকার ও সম্ভাবনাকে নতুনভাবে চিনতে পারে। আমার লক্ষ্য—একটি আধুনিক, শিক্ষিত ও কর্মমুখী হাওর গড়া।
তিনি আরও জানান, নির্বাচিত হতে পারলে হাওরের গ্রামীণ অবকাঠামো, নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন, ডিজিটাল শিক্ষা উদ্যোগ এবং পরিবেশবান্ধব কৃষি উন্নয়নে বাস্তবধর্মী কর্মসূচি গ্রহণ করবেন।
অঞ্চলের তরুণ সমাজের অনেকেই মনে করেন, কাজী রেহা কবির সিগমার মতো শিক্ষিত ও দূরদর্শী নেতৃত্বই পারে হাওরাঞ্চলের রাজনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে। তার প্রার্থিতা ইতোমধ্যেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
স্থানীয়দের ভাষায়, তিনি একজন সাহসী, শিক্ষিত ও দায়িত্বশীল নারী। তার মধ্যে আমরা নতুন প্রজন্মের নেতৃত্ব দেখতে পাই।”
অষ্টগ্রাম, ইটনা ও মিটামইন জুড়ে এখন জোর আলোচনা—এই তরুণ প্রজন্মের প্রার্থী কি হাওরাঞ্চলের রাজনীতিতে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে যাচ্ছেন?
You cannot copy content of this page
আপনার মতামত লিখুন :