
এই বয়সে দুর্দান্ত হ্যাটট্রিক করে মেজর লিগ সকারের (এমএলএস) মৌসুমসেরা গোলদাতার পুরস্কার (গোল্ডেন বুট) জিতলেন লিওনেল মেসি।
শনিবার ন্যাশভিল এসসির বিপক্ষে ইন্টার মায়ামির ৫-২ গোলের জয়ে বড় অবদান রাখেন আর্জেন্টাইন সুপারস্টার। তিনটি গোলের পাশপাশি করেছেন একটি অ্যাসিস্ট।
এই জয়ের ফলে নিয়মিত মৌসুমে মেসির গোলসংখ্যা দাঁড়াল ২৯—মাত্র ২৮ ম্যাচে। এর মাধ্যমে প্রথমবারের মতো এমএলএসে সর্বোচ্চ গোলদাতা হলেন তিনি। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন লস অ্যাঞ্জেলেস এফসির ডেনিস বুয়াঙ্গা ও ন্যাশভিলের স্যাম সারিজ। দুজনই মৌসুম শেষ করেছেন ২৪ গোল নিয়ে। ২০২৪ মৌসুমেও ২০ গোল ও ১৬ অ্যাসিস্টের সুবাদে মেসি এমএলএসের বর্ষসেরা খেলোয়াড় (এমভিপি) হয়েছিলেন।
এমএলএসে মেসির চেয়ে বেশি গোল করেছেন মাত্র তিনজন খেলোয়াড়— ২০১৯ সালে কার্লোস ভেলা (৩৪), ২০১৮ সালে হোসেফ মার্টিনেজ (৩১) এবং একই বছর জ্লাটান ইব্রাহিমোভিচ (৩০)। এ মৌসুমে মেসি শুধু গোলই নয়, দিয়েছেন লিগ-সর্বোচ্চ ১৯টি অ্যাসিস্ট। ফলে তার মোট গোল অবদান দাঁড়িয়েছে ৪৮ (২৯ গোল + ১৯ অ্যাসিস্ট), যা ভেলার এক মৌসুমে করা ৪৯ অবদানের রেকর্ডের মাত্র এক ধাপ নিচে।
এই জয়ে পূর্বাঞ্চলীয় কনফারেন্সে তৃতীয় স্থান নিশ্চিত করেছে ইন্টার মায়ামি, ফলে প্লে-অফের প্রথম রাউন্ডে তারা ঘরের মাঠে খেলবে। প্রতিপক্ষ আবারও ন্যাশভিল এসসি। দলের প্রধান কোচ হাভিয়ের মাশ্চেরানো বলেন, ‘আজও লিও অসাধারণ খেলেছে, যেমনটা সে প্রায়ই করে। আমি মনে করি, এ মৌসুমে সে যা করেছে, তাতে ২০২৫ সালের এমভিপি পুরস্কার তারই পাওয়া উচিত।’
এটি ছিল এমএলএসে মেসির দ্বিতীয় হ্যাটট্রিক। এর আগে ২০২৪ মৌসুমের শেষ দিনে নিউ ইংল্যান্ড রেভল্যুশনের বিপক্ষে করেছিলেন প্রথমটি। এদিন মেসি প্রথম গোল করেন ৩৫ মিনিটে, বক্সের বাইরে থেকে দুর্দান্ত শটে। দ্বিতীয়টি আসে ৬৩ মিনিটে পেনাল্টি থেকে, আর তৃতীয়টি ৮১ মিনিটে বাম পায়ের নিখুঁত শটে। যোগ করা সময়ে টেলাসকো সেগোভিয়ার গোলে অ্যাসিস্ট দেন মেসি, যেটি ছিল দলের পঞ্চম গোল।
You cannot copy content of this page
আপনার মতামত লিখুন :