আগামীর নির্বাচনে শাপলা মার্কা নিয়েই আমরা নির্বাচন করবো: পঞ্চগড়ে সারজিস আলম


সংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক প্রকাশের সময় : অক্টোবর ৫, ২০২৫, ৪:১৮ অপরাহ্ন /
আগামীর নির্বাচনে শাপলা মার্কা নিয়েই আমরা নির্বাচন করবো: পঞ্চগড়ে সারজিস আলম

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম বলেছেন, ‘যে ধরনের মার্কা মানুষের হাসির খোরাক জোগায়, সেগুলো নির্বাচন কমিশনের মার্কার তালিকায় কিভাবে থাকে? এটা তো তাদেরও রুচিবোধের প্রকাশ। এই জায়গাটা তাদের ঠিক করা উচিত। আমাদের কেন বলে দিতে হবে। একটা নির্বাচন কমিশনের মার্কায় মুলা, বেগুন, খাট, থালাবাটি থাকতে পারে না। দেশে কি মার্কার অভাব পড়েছে? আমরা আশা করছি, এটা তারা সংশোধন করবে।

রোববার (৫ অক্টোবর) বিকেলে পঞ্চগড় শের-ই-বাংলা পার্কে বিভিন্ন এলাকার মসজিদ কমিটির সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের সাথে কথা বলার সময় তিনি এসব কথা বলেন।

সারজিস আলম বলেন, ‘আমরা স্পষ্ট দেখছি নির্বাচন কমিশন স্বেচ্ছাচারিতা করছে। তারা ক্ষমতার অপব্যবহার করার চেষ্টা করছে। তারা কারো দ্বারা প্রভাবিত হয়ে এমন আচরণ করছে। এটা আমরা কোনোভাবেই মেনে নিতে পারি না। এর জন্য যদি আমাদের রাজনৈতিকভাবে মোকাবেলা করতে হয় আমরা তা করবো। আগামীর নির্বাচনে শাপলা নিয়েই আমরা নির্বাচন করবো।’

তিনি বলেন, ‘আইনগত কোনো বাঁধা না থাকায় আমরা শাপলা ভিন্ন অন্য কিছু ভাবছি না। আমরা সর্বশেষ তাদের সাদা শাপলা, লাল শাপলার অপশন দিয়েছিলাম। যদি একান্তই শাপলার সঙ্গে যদি কিছু এড করতে হয় তাহলেও আমাদের দ্বিমত থাকবে না।’

তিনি আরো বলেন, ‘ভারত মহানন্দা নদীর উজানে তাদের স্লুইচ গেটের ৯টি হঠাৎ করে ভোরে খুলে দেওয়ায় বাংলাবান্ধায় একটি গ্রাম ঝুঁকিতে পড়েছে। নদীর পাড় ভেঙে যাচ্ছে। আমরা ভারতকে বলতে চাই তারা যদি আমাদের প্রতিবেশী রাষ্ট্র হতে চায় তাহলে তাদের আচরণ প্রতিবেশী রাষ্ট্রের মতো হতে হবে। তারা মন চাইলো নদীতে স্লুইচ গেট দিল। মন চাইলে আটকে রাখলো মন চাইলো ছেড়ে দিল। এমন কাজ করলে বাংলাদেশে এন্টি ইন্ডিয়ান সেন্টিমেন্ট দিন দিন আরও প্রকট হবে। এটি দুই রাষ্ট্রের সম্পর্কের জন্য পজিটিভ কোনো বার্তা দিবে না।’

এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক বলেন, ‘এমন অনেক নদী আছে তাদের উৎপত্তি স্থল ভারতে নয়, নেপালে বা চায়নায়। তারা যদি এমনটি করে তাহলে ভারতকেও সমস্যায় পড়তে হবে। সবদিন কিন্তু ভারতের দিন নয়। দিন বাংলাদেশেরও আসবে এবং অন্য দেশগুলোরও আসবে। আমরা তাদের কাছে সমতার বা ভ্রাতৃত্বের আচরণ প্রত্যাশা করি। এর পাশাপাশি বলতে চাই যতদিন তারা শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে ফিরিয়ে না দিচ্ছে বাংলাদেশের কাছে মানুষের কাছে যে সেন্টিমেন্ট তারা প্রত্যাশা করে তা কখনোই পাবে না।’

You cannot copy content of this page