ঢাকা, মঙ্গলবার - ১৬ই এপ্রিল, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ

আলোচিত সংবাদ

মেসার্স জিয়াউর রহমানের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদ

[print_link]

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

কখনো ভুল করে ভুল সংবাদ পরিবেশন আর কখনো ইচ্ছে করে পাঠক আকর্ষণ করতে খবরে রঙচঙ লাগানো এবং ফুলিয়ে-ফাঁপিয়ে লেখার প্রবণতা বাংলাদেশে আছে। আর এমনও হয় খবরের শিরোনামের সঙ্গে আসল খবরের কোনো মিল নেই। এর বাইরে সাংবাদিকতার নীতিমালা ভঙ্গ করে বা না মেনে বাংলাদেশে খবর পরিবেশনের নজিরও অনেক। হলুদ সাংবাদিতারও অভিযোগ আছে।

কোনো খবর যদি কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে যায়, তখন ওই ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান খবরটি ‘ভুয়া’ , উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং ভিত্তিহীন বলে অভিযোগ করেন। তবে বোঝাই যায়, এই ধরণের অভিযোগ ঢালাও এবং প্রমানহীন।

মিথ্যা বানোয়াট অপপ্রচারের বিরুদ্ধে সিএনএন ক্রাইম নিউজের মুখোমুখি হয়েছেন, মেসার্স জিয়াউর রহমান, সোনামিয়া মার্কেট, খাতুনগঞ্জ, চট্টগাম-এর স্বত্তাধিকারী জিয়াউর রহমান।

রবিবার (২৬ এপ্রিল) দুপুরে দেশের খাদ্যপণ্যের সবচেয়ে বড় পাইকারি বাজার খাতুনগঞ্জে যৌথ অভিযান পরিচালনা করে জেলা প্রশাসন, পুলিশ ও র‍্যাব। অভিযানে আমদানিকারক, কমিশন এজেন্ট এবং ব্রোকারদের যোগসাজশে আদার মূল্য বৃদ্ধির প্রমাণ পেয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। অভিযানে নেতৃত্ব দেন- নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. তৌহিদুল ইসলাম এবং মো. আলী হাসান।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. তৌহিদুল ইসলাম  বলেন, পাইকারি ও খুচরা বাজারে অসাধু ব্যবসায়ীরা পরস্পর যোগসাজশে বিভিন্ন পণ্যের দাম বেশি রাখছে। ক্রয়মূল্যের চেয়ে বেশি দাম রাখায় চট্টগ্রাম খাতুনগঞ্জের হামিদুল্লাহ মার্কেটের কামাল উদ্দিন ব্রাদার্স ও আল মারুয়া বানিজ্যালয়কে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

আরও পড়ুন  বাংলাদেশ-ভারতের উন্নয়ন ও নিরাপত্তা এক সূত্রে গাঁথা

এ প্রসঙ্গে জিয়াউর রহমান প্রতিবেদককে জানান, আমি মাঝে মধ্যে আদা, রসুন, পিয়াছ আমদানি করে থাকি। যে আদা নিয়ে এত কিছু তা আমার আমদানিকৃত আদা নয়। আমার আমদানিকৃত আদা গত ০৪ মার্চ ২০২০ তারিখে চট্টগ্রাম বন্দর থেকে খালাস করা হয় যা চট্টগ্রাম বন্দর কতৃপক্ষ ও কাস্টমস হাউসে নথি ভুক্ত।

জিয়াউর রহমান আরও জানান, কামাল উদ্দিন ব্রাদার্স ও আল মারুয়া বানিজ্যালয়ে অভিযান চলা কালীন সময় মেসার্স জিয়াউর রহমান, প্রতিষ্ঠানের স্বত্তাধিকারী জিয়াউর রহমানের নাম উটে আসে। মুঠোফোনে ভ্রাম্যমান আদালত আমার কাছ থেকে জানতে চাইলে মুঠোফোনে ঘটনার বিবরন আমি মহামান্য আদালতকে অবহিত করি। এখানে আমার লঘু অপরাধ এই, অপু এন্টারপ্রাইজ হইতে কেনা আদার রশিদ আমার কাছে ওই সময়ে ছিলোনা। কেনা আদার বিপরীতে অপু এন্টারপ্রাজকে পরিশোধ করা টাকার রশিদ সংরক্ষিত আছে যা পরিশোধ করা হয় ব্যাংকের মাধ্যমে।

কমিশন এজেন্ট কামাল উদ্দিন ব্রাদার্স ও মেসার্স আল মারুয়া বানিজ্যালয় ২৫০ বস্তা (৫০০০ কেজি) আদা দেয়া হয়। এসব আদা অপু এন্টারপ্রাইজ-ঢাকা, নামক এক সরবরাহকারি প্রতিষ্ঠান থেকে মেসার্স জিয়াউর রহমানের নামে আনা হয় যা কমিশন এজেন্টকে সরবরাহ করা হয় বিক্রির জন্য।

আরও পড়ুন  করোনা: হাটহাজারিতে রাজনীতির মাঠে কার কি ভূমিকা জনগণ দেখছেন

অপু এন্টারপ্রাইজ-ঢাকা থেকে ২১৫ টাকা কেজি দরে নিয়ে হাতবদল করে কামাল উদ্দিন ব্রাদার্স ও মেসার্স আল মারুয়া বানিজ্যালয়কে কমিশনে বিক্রির জন্য দেয়া হয় যা ভ্রাম্যমান আদালতের কাছে বেশি দামে বিক্রি করায় জরিমানা গুনতে হয় কামাল উদ্দিন ব্রাদার্স ও মেসার্স আল মারুয়া বানিজ্যালয়কে ।

তিনি আরও জানান, করোনা পরিস্থিতিতে বিদ্যমান সংকটে এবং পবিত্র রমজান মাসে অনৈতিক ভাবে ব্যবসায় অতিরিক্ত মুনাফা করার মন-মানসিকতা অতীতেও ছিলনা এখনও নেই। আমার আমদানিকৃত সমস্ত আদা ৮২/৮৫ টাকা দরে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে সরবরাহকরি। মেসার্স ফরাশগজ্ঞ ট্রেডার্স-ঢাকা, নিউ ভাই ভাই ট্রের্ডাস-ঢাকা, মেসার্স বিক্রমপুর ট্রেডার্স-ঢাকা, মেসার্স শাপলা বানিজ্যালয়-ঢাকা, নিউ জননী বানিজ্যালয়-ঢাকাসহ আরও অনেক প্রতিষ্ঠান যা ঢাকার সর্ববৃহৎ পাইকারি শ্যামবাজার বলে খ্যত।

আমি খুচরা বাজারে কোন প্রকার আদা, রসুন, পিয়াছ বিক্রি করিনা। আমার আমদানিকৃত সামগ্রী পাইকারি বাজারে সীমিত মুনাফায়  বন্দর থেকে খালাস করেই বিক্রি করে দিই।

একশ্রেণীর অসাধু ব্যবসায়ি যারা সবসময় আমার সাথে প্রতিদ্বন্ধীতামুলক আচরন করেন এবং আমার নামে বিভিন্ন প্রকার অসত্য তথ্য, বানোয়াট যতসব অপপ্রচার চালান। কোন সময় এমন কোন আচরণ আমি করিনি যা ব্যবসায়িক সমাজে বিরুপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্ঠি করে। আমার ব্যবসার বয়স মাত্র তিব বৎসর চলমান। অন্যান্য ব্যবসায়িদের সাথে তুলনা করলে আমি এখনও শিশু।

আরও পড়ুন  বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক নিয়ে সেমিনার

এখানে বলে রাখা দরকার, টেকনাফের অন্য এক আমদানিকারক আছেন যার নামের সাথে আমার হুবহু মিল। বলতে দ্বিধা নেই, দাঁড়িওয়ালা খেয়ে যায়-আর গোফওয়ালা আটকে যায়; ব্যাপারটি এরকম নয়তো! বার্মা জিয়া নামে পরিচিত ব্যাক্তির অনৈতিক কর্মকান্ডের শিকার আমি নয়তো! এ ব্যাপারে প্রশাসনের দৃষ্ঠি আকর্ষন করছি।

আমাকে জড়িয়ে গতবছর পিয়াছ কেলেংকারির কথাও ঢালাওভাবে অপপ্রচার চালাচ্ছে একশ্রেনীর সুবিধাভোগী মানুষ। আমি কখনও পিয়াছ আমদানি করিনাই। আমি দৃড়ভাবে বলতে পারি আমাকে নিয়ে কেউ কেউ ষড়যন্ত্রে লিপ্ত।

কিছু কিছু আমদানিকারক আছেন সুযোগ নিতে চায়, তবে ঢালাওভাবে বলা যাবেনা সবাই অসৎ। আমিও চাই, অসৎ যারা তাদের আইনের আওতায় আনা হোক। দেশের স্বার্থে জনগনের স্বার্থে অসৎ ব্যবসায়ির মুলৎোপটন করা দরকার। আমি ব্যবসায়ি আমি হালাল ব্যবসায় বিশ্বাসী।

পরিশেষে বলবো, আসুন জাতির এ ক্রান্তিলগ্নে আমরা যার যার এলাকার দায়িত্ব নিই। খেটে খাওয়া মানুষের পাশে দাড়াঁয়। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নিদের্শনাকে বাস্তবায়ন করি।

ব্যবসায়ি ভাইদের বলবো কাদা ছুড়াছুড়ি না করে সৎ ভাবে আসুন ব্যবসা করি। দেশকে এগিয়ে নিতে অর্থনৈতিকভাবে অবদান রাখি।

আলোচিত সংবাদ

এ বিভাগের আরও

সর্বশেষ