
রংপুরের তারাগঞ্জে কোটি টাকার পুরাতন মূর্তি দেখিয়ে প্রতারণার একটি সংঘবদ্ধ চক্রকে আটক করেছে পুলিশ। স্থানীয় ভুক্তভোগীর অভিযোগের ভিত্তিতে চালানো অভিযানে প্রতারণায় জড়িত চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
রবিবার বিকেলে শিয়ালডাঙ্গা ব্রিজের পাশে বিশেষ অভিযানে তাদের আটক করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—মোঃ খলিল ফকির (৭৫), শ্রী সুবাস শীল (৩০), মোছাঃ মমতা বেগম (৩৬) এবং শ্রীমতি জোসনা রানী (৬০)। চারজনই নীলফামারীর সৈয়দপুর থানার হাজারীহাট এলাকার বাসিন্দা।
পুলিশ জানায়, উদ্ধার হওয়া মূর্তিটি কালো ধাতব পদার্থের তৈরি। প্রতারক চক্রটি এটিকে ৪২০ কোটি টাকার ‘কষ্টি পাথর সদৃশ নারায়ণ মূর্তি’ বলে প্রচার করলেও আসলে এর প্রকৃত মূল্য সর্বোচ্চ ৫ লক্ষ টাকার মতো। ওজন প্রায় ৩ কেজি এবং লম্বায় ১০ ইঞ্চি এই মূর্তিকে কেন্দ্র করে কয়েক লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টায় নামে প্রতারক চক্র।
মামলার তথ্য থেকে জানা যায়, ভুক্তভোগী পারভেজ হোসেন (বয়স ২৮), নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ থানার বগুলাগাড়ী মুন্সিপাড়ার বাসিন্দা। চার মাস আগে তার প্রতিবেশী চাচা আলেফ হোসেন চিকিৎসার জন্য খলিল ফকিরের কাছে গেলে প্রথমে মূর্তির বিষয়টি জানেন। পরে পারভেজকেও ফাঁদে ফেলে পূজার নামে ৫ হাজার টাকা এবং বিক্রির নামে অগ্রিম ৫০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয় প্রতারকরা।
You cannot copy content of this page
আপনার মতামত লিখুন :