৩ ডিসেম্বর, ঠাকুরগাঁও পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী মুক্ত দিবস


ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি প্রকাশের সময় : ডিসেম্বর ৩, ২০২৫, ১:০০ অপরাহ্ন /
৩ ডিসেম্বর, ঠাকুরগাঁও পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী মুক্ত দিবস

৩ ডিসেম্বর, ঠাকুরগাঁও পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী মুক্ত দিবস এই উপলক্ষে সকল শহীদদের প্রতি আমারা গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি জানাই। এই দিনটি ঠাকুরগাঁওয়ের ইতিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ এবং গৌরবের দিন।৩ ডিসেম্বর, ঠাকুরগাঁও হানাদার মুক্ত দিবস উপলক্ষে জেলা প্রশাসন এবং বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠন প্রতি বছরের ন্যায় এবারও নানা কর্মসূচির আয়োজন করেছে।
​ এই দিনটি উদযাপনের জন্য সাধারণ পাঠাগার মাঠে সূর্য উদয়ের সাথে সাথে আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। এই দিনটিতে জেলা প্রশাসন এবং উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী জেলা সংসদ সহ অন্যান্য সংগঠনগুলো যৌথভাবে নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
আনন্দ র‍্যালি/শোভাযাত্রা, সকালে জেলা কালেক্টরেট চত্বর বা কার্যালয় থেকে একটি বর্ণাঢ্য আনন্দ র‍্যালি বের করা হয়, যা শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে।
​শ্রদ্ধা নিবেদন, র‍্যালি শেষে জেলা প্রশাসক সহ ,জেলা পুলিশ ,ও আরও সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা উপস্থিত থাকেন, অবস্থিত এবং মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের স্মরণে নির্মিত স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়।
​আলোচনা সভাঅনুষ্ঠিত হয় মির্জা রুহুল আমিন মিলনায়তনে অডিটরিয়াম হলে। মুক্তিযোদ্ধাদের স্মৃতিচারণমূলক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। এখানে সাধারণত জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত থাকেন।
সাংস্কৃতিক সংগঠনের বিশেষ উদ্যোগ (যেমন উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী)এর আয়োজনে
​আলোক প্রজ্বলন দিবসের প্রারম্ভে, অর্থাৎ রাত ১২টা ১ মিনিটে, টাঙ্গন নদীর তীরে মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের স্মরণে নির্মিত স্মৃতিস্তম্ভে মোমবাতি প্রজ্বলন ও নীরবতা পালন করা হয়।
​সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান,বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মাননা প্রদান এবং দিনব্যাপী আলোচনা সভার পাশাপাশি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে লোকসংগীত ও অন্যান্য দেশাত্মবোধক গান পরিবেশিত হয়।
​এই অনুষ্ঠানগুলোর মূল লক্ষ্য হলো নতুন প্রজন্মের কাছে মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাস এবং ঠাকুরগাঁও মুক্ত হওয়ার গৌরবোজ্জ্বল দিনটির তাৎপর্য তুলে ধরা।

You cannot copy content of this page