
চুয়াডাঙ্গায় রাস্তা সংস্কার কাজে অনিয়মের প্রতিবাদ করায় এক বৃদ্ধের দাড়ি টেনে ছিঁড়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে সওজের উপ বিভাগীয় প্রকৌশলী সুজাত কাজীর ড্রাইভার স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা মিরাজের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে চুয়াডাঙ্গা শহরতলীর দৌলতদিয়াড়ে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায় চুয়াডাঙ্গা- মেহেরপুর সড়কের দৌলতদিয়াড় থেকে আলোকদিয়া পর্যন্ত রাস্তা সংস্কারের কাজ চলছে, কাজের মান একবারেই নিম্ন হওয়ায় পাথর ছিটকে ঘটছে নানা রকম দূর্ঘটনা। গত সোমবার দুপুরের দিকে এমনই এক ঘটনায় একটা অটো রিক্সার সামনের গ্লাস ভেঙ্গে যায়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কাজে ব্যবহৃত নিম্নমানের ইট ও অপর্যাপ্ত সামগ্রী নিয়ে এলাকাবাসী দীর্ঘদিন ধরে অসন্তোষ প্রকাশ করে আসছিলেন। গত সোমবার সকালে ওই সড়কে কাজ পরিদর্শনে যান উপবিভাগীয় প্রকৌশলী সুজাত কাজী। এসময় এলাকাবাসীর পক্ষে এক বৃদ্ধ ব্যক্তি অনিয়মের অভিযোগ তুললে ড্রাইভার মিরাজ ক্ষিপ্ত হয়ে তার ওপর চড়াও হয়।
অভিযোগ অনুযায়ী, মিরাজ ওই বৃদ্ধকে মারধর করে এবং দাড়ি টেনে ছিঁড়ে ফেলে। উপস্থিত প্রকৌশলী সুজাত কাজী ঘটনাটি দেখেও কোনো ব্যবস্থা নেননি বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন।
এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়রা জানান, সরকারি কাজের অনিয়ম নিয়ে প্রতিবাদ করলেই হামলা বা হুমকির শিকার হতে হয়। তারা দোষীদের দ্রুত শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
ভুক্তভোগী বৃদ্ধ বলেন, “রাস্তার কাজের অনিয়ম দেখে কথা বলেছিলাম, কিন্তু তারা উল্টো আমার ওপর চড়াও হলো। আমার দাড়ি টেনে ছিঁড়ে ফেলেছে—এটা আমার জন্য চরম অপমান।”
এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে ড্রাইভার মিরাজ কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
তবে উপবিভাগীয় প্রকৌশলী সুজাত কাজী বলেন, “ বিষয় টা স্থানীয়ভাবে মীমাংসা করা হয়েছে ।”
এ ঘটনায় এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়নি বলে জানিয়েছেন স্থানীয় প্রশাসনের এক কর্মকর্তা।
চুয়াডাঙ্গা সওজের এসও হাদিউজ্জামান ও এসডিই মোহাম্মদ সুজাত কাজীর যোগসাজগে স্থানীয় প্রভাবশালী এক বিএনপি নেতা ১/২ ইন্ঞ্চি পাথরের কথা থাকলেও নিয়মের কোন তোয়াক্কা না করে বিভিন্ন সাইজের পাথর ব্যবহার করা হয়েছে। প্রতি স্কয়ার বর্গফুটে ৮০০ মিলি লিটার বিটুমিন ব্যবহারের জায়গায় ৪০০-৫০০ মিলি লিটার বিটুমিন ব্যবহার করা হয়েছে।
রাস্তা সম্পূর্ণ পরিষ্কারের পর বিটুমিন দেওয়ার কথা থাকলেও তা না মেনে অপরিষ্কার ধুলা কাঁদার উপর কাজ করা হয়।
এছাড়া রাস্তার কাজের বিস্তারিন বিবরন কাজের জায়গায় টানিয়ে দেওয়ার নিয়ম থাকলেও সেটা করা হয়নি। এমনকি আমাদের স্থানীয় প্রতিনিধি কাজের তথ্য চায়তে গেলে এসডিই মোহাম্মদ সুজাত কাজী কোনো তথ্য দিতে পারবেন না বলে সরাসরি জানিয়ে দেন।
এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে এসও হাদিউজ্জামান কই সুরে এসব নিয়ে কথা বলে লাভ নেই আমরা বিষয়টা মীমাংসা করে নিয়েছি। আর অনিয়মের বিষয় টা কৌশলে এড়িয়ে যান তিনি।
চুয়াডাঙ্গার কয়েকজন ঠিকাদার নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান আসলে, অফিস খরচের নামে ৪% ঘুষ আদায় অলিখিত নিয়ম হয়ে দাড়িয়েছে। এই টাকা এসডিই থেকে শুরু করে এক্সইন পর্যন্ত ভাগ পায়৷
ঠিকাদার স্থানীয় বিএনপির প্রভাবশালী নেতা হওয়ায় নিয়ম নিতীর তোয়াক্কা না করে দূর্নীতি বাজ অফিসারদের সহয়তায় ৫ দিনেই কার্যক্রম সম্পন্ন করে।এই কাজের তত্বাবধানে থাকা এসও হাদিউজ্জামান এবং এসডিই সুজাত কাজীর যোগশোযগে এই অনিয়ম সম্পাদিত হয়।
প্রকল্প ব্যয় ৯০ লক্ষ টাকা কিন্তু ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান অসাধু কর্মকর্তাদের মেনেজ করে অর্ধেক টাকাই কাজ শেষ করে ফেলেন। বোঝাই যাচ্ছে কি মানের কাজ হয়েছে।৫ দিনে কাজ শেষ।
১৩-১১-২০২৫ ইং তারিখে কাজ শেষ কোন প্রকার যাচাই বাছাইয়ের তোয়াক্কা না করে বিল রেডি করা হচ্ছে। এই প্রক্রিয়ার মুলহোতা সুজাত কাজী। অনুসন্ধানে আরো উঠে আসে এক্সেন জহিরুল ইসলামও অনিয়মের অর্থের অর্ধেক ভাগিদার। প্রকল্প চলমান অবস্থায় বিলের কাজ রেডি ছিলো। এখন শুধু তারিখ বসিয়ে সাবমিট ডেট দেখানো আর বিল প্রদান করতে নাম মাত্র নিয়ম কানুনের নাটক মঞ্চায়িত করা বাকি।
উল্লেখ্য সুন্নাতী লেবাসধারী প্রকৌশলী সুজাত কাজী দীর্ঘদিন চুয়াডাঙ্গা সড়ক ও জনপথে চাকরির সুবাদে তৎকালীন আওয়ামিলীগের সাংসদ সোলাইমান হক জোয়ার্দার সেলুনের আস্থাভাজন হয়ে ওঠে ও নানা অনিয়ম দূর্নীতি শুরু করে।
অফিস খরচের নামে প্রতি বিল থেকে ৪ % কেটে নেওয়ায় যেনো আসল ডিউটি এই সুজাত কাজীর৷ জনমনে প্রশ্ন দেশে ৫ই আগষ্ট ২য় স্বাধীনতার পর সুজাত কাজীর মতো আওয়ামী দোসর রা এখনো কিভাবে এতো অনিয়ম দূর্নীতি করে চলেছে নির্বিঘ্নে?
You cannot copy content of this page
আপনার মতামত লিখুন :