
নাটোরের বড়াইগ্রামে গভীর শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও শোকের আবহে পালিত হলো শহীদ সানাউল্লাহ নূর বাবুর ১৫তম শাহাদৎ বার্ষিকী। ২০১০ সালের ৮ অক্টোবর আওয়ামী সন্ত্রাসীদের নৃশংস হামলায় শহীদ হন বড়াইগ্রাম উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও বনপাড়া পৌরসভার সাবেক মেয়র সানাউল্লাহ নূর বাবু। প্রকাশ্য দিবালোকে সংঘটিত সেই বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ড আজও বড়াইগ্রামের মানুষকে কাঁদায়।
এই উপলক্ষে মঙ্গলবার (৮ অক্টোবর) বিকেলে বনপাড়া পৌরসভা প্রাঙ্গণে এক স্মরণসভার আয়োজন করা হয়। সভায় শহীদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে বক্তারা বলেন, সানাউল্লাহ নূর বাবু ছিলেন একজন আদর্শবান ও জনগণের প্রিয় নেতা। তিনি অন্যায়ের বিরুদ্ধে নির্ভীকভাবে লড়েছেন এবং আজীবন সাধারণ মানুষের কল্যাণে কাজ করেছেন। বক্তারা তাঁর আত্মত্যাগকে জাতীয় রাজনীতিতে অনুপ্রেরণার বাতিঘর হিসেবে উল্লেখ করেন এবং হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা ফারজানা শারমিন পুতুল —
যুগ্ম আহ্বায়ক, নাটোর জেলা বিএনপি;
সদস্য, বিএনপি মিডিয়া সেল ও মানবাধিকার কমিশন (বিএনপি);
এবং চেয়ারপারসনের ফরেন অ্যাফেয়ার্স অ্যাডভাইসরি কমিটির স্পেশাল অ্যাসিস্ট্যান্ট।
বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা বিএনপির সদস্য মোহাম্মদ আব্দুল কাদের মিয়া, বড়াইগ্রাম উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুস সালাম মোল্লা, উপজেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি আতিকুর রহমান বেলাল মৃধা, যুবদলের সাবেক প্রচার সম্পাদক আহসান হাবীব সম্রাট, উপজেলা কৃষক দলের সভাপতি মোহাম্মদ আলীসহ স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
স্মরণসভায় সভাপতিত্ব করেন শহীদ সানাউল্লাহ নূর বাবুর সহধর্মিণী মহুয়া নূর কচি।
সভায় বিএনপি, যুবদল, কৃষক দল, ছাত্রদলসহ অঙ্গসংগঠনের অসংখ্য নেতাকর্মী উপস্থিত থেকে শহীদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন। তাঁরা শহীদ বাবুর স্বপ্ন ও আদর্শ বাস্তবায়নে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
“শহীদ সানাউল্লাহ নূর বাবু ছিলেন অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের প্রতীক — তাঁর রক্ত বৃথা যাবে না,” — স্মরণসভায় বক্তাদের এমন দৃঢ় উচ্চারণে প্রকম্পিত হয় বনপাড়া পৌরসভা প্রাঙ্গণ।
You cannot copy content of this page
আপনার মতামত লিখুন :