বনপাড়ায় বিএনপি নেতাদের শারদীয় দুর্গাপূজা পরিদর্শন ও পর্যবেক্ষণ


বড়াইগ্রাম (নাটোর) প্রতিনিধি প্রকাশের সময় : অক্টোবর ২, ২০২৫, ৯:২৫ পূর্বাহ্ন /
বনপাড়ায় বিএনপি নেতাদের শারদীয় দুর্গাপূজা পরিদর্শন ও পর্যবেক্ষণ

পর্যবেক্ষণে জেলা বিএনপি সদস্য অধ্যাপক এম. লুৎফর রহমান।পূজা পর্যবেক্ষক কমিটির সভাপতি সরদার মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম ও অন্যান্য পর্যবেক্ষক নেতৃবৃন্দ।

পরিদর্শনের উদ্দেশ্য
বনপাড়া পৌরসভার সাতটি পূজা মন্ডপ এবং বড়াইগ্রাম থানার অন্তর্গত ৪৭টি পূজা মন্ডপ পরিদর্শন করে শারদীয় দুর্গাপূজার সার্বিক প্রস্তুতি, পরিচালনা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যালোচনা করা এবং উৎসবের শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করা।

পরিদর্শক দল প্রতিটি মন্ডপে গিয়ে পূজা পরিচালনা কমিটির প্রতিনিধিদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন এবং পূজা আয়োজন, নিরাপত্তা ও জনসাধারণের নিরাপত্তা বিষয়ে খোঁজখবর নেন। সার্বিকভাবে পরিদর্শনে দেখা গেছে যে, সকল পূজা মন্ডপ যথাযথ প্রস্তুতি নিয়ে সুন্দর ও সুশৃঙ্খল পরিবেশে পূজা উদযাপন করেছে। পূজার শোভা, সাজসজ্জা এবং আয়োজন মনোগ্রাহী ও আদর্শ ছিল সবারই নজর কাড়া।

পূজা পরিচালনা কমিটির নেতৃবৃন্দ পরিদর্শক কমিটিকে জানান যে, গত বছর থেকে এ বছর পর্যন্ত তারা আনন্দময় ও নিরাপদ পরিবেশে পূজা উদযাপন করতে সক্ষম হয়েছেন। তারা আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, পূজা পর্যবেক্ষক কমিটি এবং রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের সক্রিয় সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ছাড়াই শান্তিপূর্ণ পরিবেশে উৎসব সম্পন্ন হওয়ায় তারা সন্তুষ্ট।

পরিদর্শকরা সন্তোষ প্রকাশ করেন যে, বিজয় দশমী পর্যন্ত পূজা মন্ডপগুলোতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যথেষ্ট সক্রিয় ও দায়িত্বশীল ছিলেন। তাদের উপস্থিতি ও নিয়মিত তদারকির ফলে সকল সমস্যা এড়ানো সম্ভব হয়েছে। ভবিষ্যতে আরও আধুনিক ও উন্নত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে পূজার সময় জনসাধারণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। এছাড়া, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও পর্যবেক্ষক কমিটির মধ্যে সমন্বয় আরও বাড়ানো প্রয়োজন, যাতে যেকোনো পরিস্থিতিতে দ্রুত ও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া যায়।

বনপাড়া পৌরসভার সাতটি এবং বড়াইগ্রাম থানার ৪৭টি পূজা মন্ডপ পরিদর্শনের মাধ্যমে স্পষ্ট হয়েছে যে, এবারের শারদীয় দুর্গাপূজা আনন্দময় ও সুশৃঙ্খল পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন, পূজা কমিটি এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বিত প্রচেষ্টায় উৎসবটি সফল হয়েছে। জনসাধারণের অংশগ্রহণ এবং সহযোগিতা বাড়ানোর জন্য সামাজিক সচেতনতামূলক কার্যক্রম বৃদ্ধি করা অত্যন্ত জরুরি।

আগামীতে এই ঐতিহ্যবাহী উৎসব আরও সুষ্ঠু ও আনন্দঘন পরি

You cannot copy content of this page