রাজশাহী এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী জহুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে শ্রমিকদের ৭লক্ষ টাকা আত্মসাৎের অভিযোগ


স্টাফ রিপোর্টার প্রকাশের সময় : অক্টোবর ১, ২০২৫, ৫:৪২ পূর্বাহ্ন /
রাজশাহী এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী জহুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে শ্রমিকদের ৭লক্ষ টাকা আত্মসাৎের অভিযোগ

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) মন্ত্রনালয় দেশের নগর ও প্রান্তিক পর্যায়ে বিভিন্ন জেলায় ও উপজেলায় অবকাঠামোগত উন্নয়ন করার জন্য কাজ করে থাকেন। প্রতি অর্থবছর প্রকল্পের বাজেট পাশ করার পাশাপাশি এল সি এস কর্মীদের রাস্তা মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণ কাজে ব্যবহারের যন্ত্রাদিবাবদ এবং নারী কর্মীদের জন্য বরাদ্দকৃত বাজেট পাশ করে থাকেন। আর এই বাজেটের টাকা শ্রমিকদের না প্রদান করে নিজেই আত্মসাৎ করার অভিযোগ উঠেছে রাজশাহী এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী জহুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে।

মূলত প্রতি অর্থবছরে এলজিইডি এর আওতাধীন এল সি এস শ্রমিকদের জন্য রাস্তা মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষন কাজে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি ডালি কোদাল, সাফল, কাচি, ইত্যাদি যন্ত্রাদিবাবদ বরাদ্দকৃত অর্থ উপজেলা প্রকৌশলীর অধীনে চেকের মাধ্যমে অর্থ বরাদ্দ হয়ে থাকে। প্রতি অর্থবছরের এই নিয়মে বরাদ্দকৃত অর্থ পাওয়ার পর শ্রমিকদের প্রাপ্য টাকা বুঝিয়ে দেওয়ার কথা থাকলেও এ বছর ঘটেছে তার ব্যতিক্রম।
রাজশাহী এলজিইডি(এক্সইএন) নির্বাহী প্রকৌশলী জহুরুল ইসলাম এই অর্থবছরের এল সি এস কর্মীদের জন্য বরাদ্দকৃত ৭লক্ষ টাকা সরকার থেকে নেওয়ার পর নিজের নামে চেক বরাদ্দ করে আত্মসাৎ করার অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে আমাদের কন্ঠ প্রতিবেদক সরজমিনে জানতে গেলে দেখা যায়, বঞ্চিত নারী কর্মীরা প্রায় দুই তিন মাস যাবত যন্ত্রপাতির অভাবে কোন কাজ করতে পারছে না। ফলে মানবেতর জীবনযাপন করছেন তারা।

এ বিষয়ে রাজশাহী পবা উপজেলা ইঞ্জিনিয়ার মকবুল হোসেনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এই বরাদ্দকৃত টাকা নির্বাহী প্রকৌশলী জহুরুল ইসলাম স্যার উত্তোলন করেন। সরকারের এই বরাদ্দকৃত টাকা উপজেলা ইঞ্জিনিয়ারেরা উত্তোলন করতে পারে না। নারী কর্মীদের নতুন যন্ত্রপাতি এই অর্থবছরে কিনে দেওয়া হয়েছে কিনা? জানতে চাইলে তিনি বলেন, এই বছর যন্ত্রপাতি কিনে দেওয়া হয় নাই।
এ বিষয়ে রাজশাহী পবা উপজেলা ইঞ্জিনিয়ার বায়েজিদের কাছে জানতে চাইলে তিনিও একই মন্তব্য করেন।

এ বিষয়ে রাজশাহী (এলজিডি) নির্বাহী প্রকৌশলী জহুরুল ইসলাম এর কাছে জানার জন্য তার মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন দিলেও সে ফোন রিসিভ করেননি। যার ফলে তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
বঞ্চিত শ্রমিকরা এ জালিয়াতির বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

You cannot copy content of this page