রাজবাড়ী জেলা রেজিস্ট্রার শেখ কাওসার আহমেদের নির্দেশে সদর সাবরেজিস্ট্রি অফিসের কর্মকর্তাদের দুর্নীতিঃ টাকা ছাড়াই লিখে নিল অসহায় হিন্দুর সম্পত্তি


স্টাফ রিপোর্টার প্রকাশের সময় : সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২৫, ৮:০৭ অপরাহ্ন /
রাজবাড়ী জেলা রেজিস্ট্রার শেখ কাওসার আহমেদের নির্দেশে সদর সাবরেজিস্ট্রি অফিসের কর্মকর্তাদের দুর্নীতিঃ টাকা ছাড়াই লিখে নিল অসহায় হিন্দুর সম্পত্তি
স্বৈরাচারী হাসিনার আইনমন্ত্রী আনিসুল হক ও তার ক্যাশিয়ারখ্যাত সাবিকুন্নাহারের সাথে হাস্যোজ্জল ফটোসেশানে (গোল চিহ্নিত) শেখ কাওসার আহমেদ

রাজবাড়ী জেলা রেজিস্ট্রার শেখ কাওসার আহমেদের নির্দেশে সদর সাবরেজিস্ট্রি অফিসের কর্মকর্তারা  টাকা ছাড়াই লিখে নিল অসহায়ের সম্পত্তি।

অসহায় হতদরিদ্র গৃহবধূর স্বামী মানসিক ভারসাম্যহীন। এটিকে সুযোগ হিসেবে নিয়ে তার নামের প্রায় অর্ধকোটি টাকার সম্পত্তি কোনো বিনিময় ছাড়াই কৌশলে লিখে নিয়েছেন দুজন ব্যক্তি।

সাব রেজিস্ট্রি অফিসের কর্মকর্তাদের সহায়তায় এ অনিয়ম করা হয়েছে বলে অভিযোগ পরিবারটির।

এসব অভিযোগ করেছেন রাজবাড়ী জেলা সদরের দাদশী ইউনিয়নের সিংগা গ্রামের ওয়ার্ড নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা গৃহবধূ অর্চনা রানী সেন। শুক্রবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টায় দাদশী ইউনিয়নের সিংগা বাজারে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব অভিযোগ করেন। এ সময় আরও ছিলেন তার স্বামী নিকুঞ্জ কুমার সেন, নিকুঞ্জ কুমার সেনের ভাই সুচিন্ত কুমার সেন ও চাচা পিতিষ কুমার সেন।

অর্চনা রানী সেনের অভিযোগ, কয়েক মাস আগে তার স্বামী নিকুঞ্জ কুমার সেনকে ভুলভাল বুঝিয়ে, নানা প্রলোভনে ফেলে কোনো অর্থ লেনেদেন ছাড়াই প্রায় অর্ধ কোটি টাকার সম্পত্তি লিখে নেওয়া হয়েছে। এলাকার মো. সামু মন্ডলের পরিকল্পনায় মো. মহির উদ্দিন ও উজ্জল নামে দুজন একাধিক দলিলে এ সম্পত্তি লিখে নেন।

আর এতে সহায়তা করে জেলা রেজিস্ট্রার শেখ কাওসার আহমেদের নির্দেশে সাব রেজিস্ট্রি অফিসের কর্মকর্তারা। বিষয়টি পরিবারের সদস্যরা জানার পরে স্থানীয় লোকজনের কাছে যান। তাদের পরামর্শে স্থানীয় ইউনিয়ন চেয়ারম্যানের শরণাপন্ন হয় পরিবারটি।

পরে দাদশী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান বরাবর অভিযোগ দেওয়া হয়। চেয়ারম্যান তিন বার নোটিশ দিয়ে ডাকলেও অভিযুক্তরা হাজির হননি। চেয়ারম্যান ও সালিশি বোর্ডের পরামর্শে পরে আদালতে মামলা করেছেন অর্চনা রানী সেন।

মামলা করেও বিপদে পড়েছে পরিবারটি। সামু বাহিনীর লোকজন মামলা তুলে নিতে চাপ দিচ্ছে পরিবারটির সদস্যদের। নানা রকম ভয় দেখাচ্ছে।

প্রতিনিয়ত প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে যাচ্ছে। অর্চনা রানী ও তার স্বামীকে মেরে লাশ গুম করে ফেলবে বলেও হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন অর্চনা।

তিনি ও তার পরিবারের সদস্যরা নিরাপত্তা নিশ্চিতে সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সহায়তা কামনা করেছেন।

আর এরকম দূর্নীতি করবেই বা না কেন? কারন তাদের প্রতিটা কাজের কমিশন খাওয়া জেলা বস অর্থাৎ জেলা রেজিস্ট্রার শেখ কাওসার আহমেদ এক মস্তবড় বেহায়া দূর্নীতিবাজ কর্মকর্তা। যতই গনমাধ্যমে আসুক আর জনগন জানুক জনতার আদালতে বিচার না হওয়া পর্যন্ত এই নির্লজ্জ অফিসার থামবে না ৷

এ বিষয়ে খুনী হাসিনার দোসর বেহায়া নির্লজ্জ অফিসার জেলা রেজিস্ট্রার শেখ কাওসার আহমেদ কে বেশ কয়েকবার কল দেওয়া হলেও তিনি রিসিভ করেননি। কারন তিনি এখন দেশের ভিভিআইপি লেভেলের কর্মকর্তা ।

You cannot copy content of this page