স্বৈরাচারী হাসিনার সাথে একান্ত আলাপচারিতায় রমজান খান
বাংলাদেশে ঘুষ দুর্নীতি, নিয়োগ-বদলি বাণিজ্য, করে শত কোটি টাকার অধিক সম্পদ অর্জন এবং সেই সম্পদ অবৈধভাবে পাচার করে আলোচনা সমালোচনার শীর্ষে অবস্থান করছেন
মুন্সীগঞ্জ জেলা রেজিস্ট্রার রমজান খান।
দীর্ঘ অনুসন্ধানে জানা গেছে, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আখাউড়া উপজেলার আজমপুর এলাকার আলী আজ্জম খান ও আছিয়া খাতুন দম্পত্তির ৭ সন্তানের ১ জন রমজান খান, কর্ম জীবনে প্রথমে জেল পুলিশ হিসেবে বিভিন্ন জেলে চাকুরী করেছেন। সর্বশেষে যশোর জেলে বন্দীদের অত্যাচার করে টাকা আদায় করার অভিযোগে তার চাকুরী চলে গেলে ২০০৪ সালের জানুয়ারী মাসে সাব রেজিস্ট্রার হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন।
সারাদেশে ভূমি রেজিস্ট্রী অফিসের অনিয়ম দূর্নীতি এক প্রকার ওপেন সিক্রেট হওয়ায় রমজান খান অবৈধ সম্পদ অর্জনের নেশায় বুদ হয়ে পড়েন।পতিত আওয়ামীলীগের নেতৃত্বে ২০০৯ সালে ১৪ দলীয় মহাজোট সরকার ক্ষমতায় আসার পর আইনমন্ত্রী হিসেবে ব্যারিষ্টার শফিক আহমেদ আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী হন।
তার সাথে প্রথমে কিছুটা সখ্যতা গড়ে তুললেও হাসিনা সরকারের পরের মেয়াদে আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী হন আনিসুল হক। রমজান খান ও আনিসুল হকের বাড়ি একই সংসদীয় আসনে হওয়ায় তার পোয়া বারো অবস্থা হয় (যাকে বলে মেঘ না চাইতেই বৃষ্টি)।
সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের ক্যাশিয়ারখ্যাত আরেক দূর্নীতিবাজ জেলা রেজিস্ট্রার সাবিকুন্নাহারের সাথে সখ্যতা তৈরীর মাধ্যমে তিনি সাব রেজিস্ট্রার হিসেবে লোভনীয় পোষ্টিং গুলো বাগিয়ে নেন নরসিংদী সদর, কালামপুর, ফতুল্লা, গুলশান, নেত্রকোনা সদর ও মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখানের মতো সব এ গ্রেডের অফিসগুলোতে।
পতিত সরকারের সাবেক আইন আইন মন্ত্রীর মাধ্যমে বিগত ১৫ বছর দেশের শীর্ষস্থানীয় অফিস গুলোতে পোস্টিং নিয়ে নানা অনিয়ম দূর্নীতি ও বদলী বানিজ্যের মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা ও প্রচুর অর্থ সম্পদের মালিক হয়েছেন মুন্সিগঞ্জের জেলা রেজিস্ট্রার মোঃ রমজান খান।
বর্তমানে আইন মন্ত্রনালয়ের উচ্চ পদস্থ দুই কর্মকর্তার সঙ্গে সিন্ডিকেট গড়ে তিনি নতুন করে বদলী বানিজ্য শুরু করেছেন বলে কয়েক দিন আগে আইন উপদেষ্টার কাছে লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে। এতে দেশের শীর্ষ দুর্নীতিবাজ আওয়ামী ক্যাডার ও সাব-রেজিস্ট্রার বদলী বানিজ্যের গডফাদার রমজান খানের দুর্নীতির মাধ্যমে জ্ঞাত আয় বহির্ভূত অবৈধ সম্পাদ অর্জন ও বদলী বানিজ্য করে বিদেশে কোটি কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ তদন্ত পূর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন করা হয়।
সাব-রেজিস্ট্রার হিসেবে কর্মরত থেকে সরকারী রাজস্ব ফাঁকি ও বিভিন্ন সাব-রেজিস্ট্রার ও জেলা রেজিস্ট্রার বদলী বানিজ্য করে দু’হাতে কামিয়েছেন কোটি কোটি টাকা। আর ঐ টাকা বিনিয়োগ করেছেন তার শ্যালকের মাধ্যমে লন্ডন, মালয়শিয়া ও দুবাইতে। তার দুবাই, লন্ডন ও মালয়শিয়ায় রয়েছে প্রায় অর্ধ ডজন বাড়ী।
তিনি বাংলাদেশ রেজিস্ট্রেশন সার্ভিস এসোসিয়েশন(বিআরএসএ) এর সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন।
প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী হয়েও তিনি যেন ছিলেন আওয়ামীলীগের একনিষ্ট কর্মী। আওয়ামীলীগের বিভিন্ন কর্মসূচীর অর্থের যোগানদাতা হিসেবে পরিচিত। সে কারনেই আশ্বীর্বাদ পুষ্ট হয়েছেন সাবেক স্বৈরাচারী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা থেকে সাবেক আইন মন্ত্রী সহ বিভিন্ন মন্ত্রী এমপি, আমলা, জেলা উপজেলা পর্যায়ে নেতাদের। আওয়ামী সরকারের আমলে বিভিন্ন সময় তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ উঠলেও অদৃশ্য ইশারায় সেগুলো অদৃশ্যই থেকে যায়। ঘুষ দুর্নীতি নিয়ে একাধিক সংবাদ প্রকাশ হলেও কোন কিছুই থামাতে পারেনি তাকে ।
জুলাই আন্দোলন দমাতে ছাত্রলীগ / যুবলীগ ক্যাডার দের আর্থিক সহায়তা করা এই দূর্নীতিবাজ কর্মকর্তা ৫ ই আগষ্টে পট পরিবর্তনের পর শাস্তির বদলে পদোন্নতি পেয়ে হয়েছেন জেলা রেজিস্ট্রার।
আওয়ামী সরকারের পটপরিবর্তনের পর রাজনৈতিক দলের ভোল্ট পাল্টে রাতারাতি হয়ে যান বিএনপি নেতা। শুরু করেন তদবীর বানিজ্য ও ব্রাহ্মনবাড়ীয়া জেলার বিভিন্ন উপজেলায় বিএনপির কমিটি গঠনের দায়িত্ব। আওয়ামী দোসরদের প্রতিষ্ঠিত করতে কয়েকশত আওয়ামী চিহ্নিত কর্মীকে বিএনপিতে যোগদান করিয়ে এবং তাদের রক্ষা করেন। নিজে বিএনপির খাস লোক পরিচয় দিয়ে সাব-রেজিস্ট্রার পদ থেকে জেলা রেজিস্ট্রার পদে পদোন্নতি নিয়ে অবৈধভাবে একই জেলার জেলা রেজিস্ট্রার হিসেবে যোগদান করেন তদবীরের মাধ্যমে। যা বিধি বহির্ভূত।
৫ আগষ্টের পর মামলা বানিজ্যও করেন এই সুচতুর জেলা রেজিস্ট্রার রমজান খান। আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের গত ১৭ বছরে যত বদলী বানিজ্য সংঘটিত হয়েছে তার সিংহভাগই বদলীতে নেপথ্য ভুমিকা রেখেছেন রমজান খান। আইন মন্ত্রনালয়ের দুর্নীতিবাজ যুগ্ম সচিব বিকাশ কুমার সাহার ডানহাত হিসেবে বদলী বানিজ্য পাকাপোক্ত করতেই তিনি গুলশান-১ এর গ্লোরিয়ার জিন্স হোটেলটি বেছে নিয়েছেন। সেখানে প্রতিদিন সন্ধ্যার পরেই বসে রমজান খানের সাব-রেজিস্ট্রার ও জেলা রেজিস্ট্রার অফিস সহকারীদের বদলী বানিজ্যের হাট।
গুলশান, কেরানীগঞ্জ, গজারিয়া, রূপগঞ্জ, কাপাশিয়া, শ্রীপুর, গাজীপুর সদর, পটিয়া, নোয়াখালী সদর, টাঙ্গাইল সদর, নবাবগঞ্জ, ত্রিশাল, কান্দিরপাড়, ফুলপুর, খিলগাঁও সহ দেড় শতাধিক সাব-রেজিস্ট্রার বদলী করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন গত ১ বছরে। আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের শীর্ষ স্থানীয় দুই জন কর্মকর্তাসহ কতিপয় সাব-রেজিস্ট্রারকে সাথে নিয়ে রমজান খান এক সিন্ডিকেট গঠন করে এ বদলী বানিজ্য চালিয়ে যাচ্ছেন অবলীলাক্রমে। নীলফামারী জেলার জলঢাকা সাব-রেজিস্ট্রার লুৎফর রহমান মোল্লাকে চট্টগ্রাম সদর অথবা রূপগঞ্জে বদলীর কথা বলে ১ কোটি ২০ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেন রমজান খান। পরে তাকে বদলীর আদেশ করান শীতাকুন্ডে। আরও অতিরিক্ত বেশী টাকা পেয়ে রূপগঞ্জ ও চট্টগ্রাম সদরে অন্যদের বদলী করান। পরবর্তীতে আনডিউ বদলীর দোহাই দিয়ে ৬০ লক্ষ টাকা নিয়ে শীতাকুন্ডের বর্তমান সাব-রেজিস্ট্রার রায়হান হাবিবের বদলীর আদেশ বাতিল করেন। সাব-রেজিস্ট্রার লুৎফর রহমান মোল্লার টাকা গুলো মেরে দেন জেলা রেজিস্ট্রার রমজান খান।
বদলী বানিজ্যের গডফাদার রমজান খান মুন্সিগঞ্জ জেলা থেকে ঢাকা জেলার তেজগাঁও রেজিস্ট্রেশন কমপ্লেক্সে ঢাকা জেলা রেজিস্ট্রার হিসেবে বদলী হয়ে আসবেন ও ঢাকার জেলা রেজিস্ট্রার হিসেবে যোগদান করবেন বলে ঘোষনা দিয়েছেন। একজন আওয়ামী ক্যাডার ও দেশের শীর্ষ দুর্নীতিবাজ জেলা রেজিস্ট্রার বিদেশে অর্থ পাচারকারী যদি ঢাকা রেজিস্ট্রেশন কমপ্লেক্সে বদলী হয়ে আসেন তাহলে ঢাকা জেলার ২১টি সাব-রেজিস্ট্রি অফিসই দুর্নীতির স্বর্গরাজ্যে পরিণত করে ফেলবে বলে আশঙ্কা করছেন কর্মকর্তারা। তাদের মতে এমনিতেই রমজান খানের ৩০ জন ব্যক্তিগত দালাল রয়েছে সারাদেশে। যারা প্রতিদিন ঢাকা, চট্টগ্রাম রেজিস্ট্রেশন কমপ্লেক্স সহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অফিসে দলিল ধরে জোর করে সাব-রেজিস্ট্রারদের দলিল করতে বাধ্য করছে। তার মধ্যে যদি রমজান খান ঢাকায় যোগদান করেন তাহলে ঘুষ দুর্নীতি, দলিল বানিজ্য ও অনিয়ম বেড়ে যাবে কয়েকগুণ বেশী। তাই ঢাকা জেলা সহ সমস্ত রেজিস্ট্রেশন কমপ্লেক্স জুড়ে কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের মধ্যে এখন রমজান আতংক বিরাজ করছে।
অভিযোগে আরও বলা হয়, রমজান খানের রয়েছে গুলশানে নামে বেনামে ৩০টি ফ্ল্যাট ও প্লট বুকিং করা। গুলশান নিকেতনে তিনি বসবাস করছেন স্বপরিবার নিয়ে। আখাউড়াতে রয়েছে তার কয়েকশত একর জমি। ব্যাংকে রয়েছে মোটা অংকের টাকা। দুর্নীতিবাজ ও বদলী বানিজ্যের গডফাদার রমজান খানের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়েছে লিখিত অভিযোগে।
২৪ সালে ছাত্র জনতার ঐতিহাসিক জুলাই আন্দোলনে স্বৈরাচারী হাসিনা সরকার পালিয়ে যাওয়ার পর অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের শুরুর দিকে সম্পদ বিবরণী জমা দেওয়ার চিঠি ইস্যু করে আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ২৭ আগষ্ট বেলা পৌনে ৩টায় ছাত্রলীগ /যুবলীগ ক্যাডারদের মতো ৭০-৮০ জন সাবরেজিস্ট্রার একযোগে আইন মন্ত্রণালয়ে প্রবেশ করেন। এ সময় তারা উপসচিব (রেজিস্ট্রেশন) আবু সালেহ মো. সালাহউদ্দিন খা এবং একই শাখার সিনিয়র সহকারী সচিব মুরাদ জাহান চৌধুরীর কক্ষে এসে তাদের ঘিরে ধরেন। উচ্চৈঃস্বরে ধমক দেওয়া ছাড়াও নানাভাবে প্রতিবাদ জানান। পেছন থেকে ২০-৩০ জন স্লোগান দিয়ে মিছিলও শুরু করে দেন। এই ঘটনার পিছন থেকে ধূর্ত রমজান খান ঘটনাস্থলে না আসলেও নাম প্রকাশ না করার শর্তে তারই এক সহকর্মী অভিযোগ করেন রমজান খান আওয়ামীলীগের পলাতক কিছু শীর্ষ নেতার নির্দেশে সম্পূর্ণ মদদদিয়ে জুনিয়র কিছু সাব- রেজিস্ট্রার দের আন্দোলন করতে বলে আমলাতান্ত্রিক ক্যু ঘটানোর চেষ্টা করেন।
রমজান খান সাব-রেজিস্ট্রার থাকাকালীন সময়ে প্রত্যেক অফিস পরিচালনা করতেন নিজ সৃষ্ট কমিশন আইন বাস্তবায়ন করে। জমির শ্রেণী পরিবর্তন, জাল দলিল সম্পাদন, সরকারি ফির অতিরিক্ত দলিল প্রতি লাখে ৩০০ থেকে ৫০০ টাকা। দলিল লিখক সমিতির নামে দলিল প্রতি আটশত টাকা। দান/হেবা/ পাওয়ার অব অ্যাটর্নি/বন্টননামা দলিলে সরকারি ফি না থাকলেও দলিল প্রতি নিতেন পাঁচ থেকে পঞ্চাশ হাজার টাকা। কোন দলিল, পর্চা খারিজের মুলকপি, আয়কর রিটার্ন, আইডি কার্ডের সাথে নামে পার্থক্যের প্রত্যয়ন পত্র থাকলেও দলিল লিখকদের কে খাস কামড়ায় ডেকে অথবা অফিস সহকারি/পিয়নদের মাধ্যমে নিতেন পাঁচ থেকে দশ হাজার এবং সহি মহরী নকল প্রতি নিতেন পাঁচশত টাকা।
পূর্বে রমজান খানের সম্পত্তি নিয়ে দুদক অনুসন্ধান শুরু করে তিনিসহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের সম্পদের তথ্য উপাত্ত চেয়ে ২৩টি দপ্তরে চিটি দিয়েও আলোর মুখ দেখতে পারেনি দুদক। কারন তিনি স্বৈরাচার শক্তির ছত্র ছায়ায় ছিলেন বহাল তবিয়তে।
জনমনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে, কে বা কারা আছেন এই দানবীয় কর্মকর্তার পিছনে, নাকি তিনি সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী। এই প্রশ্ন ঘোরপাক খাচ্ছে নিবন্ধন অধিদপ্তর সহ মুন্সীগঞ্জ জেলার সাধারণ মানুষের মাঝে। দুদকের অনসন্ধানে সত্যতা প্রমাণিত হলেও ছিলেন ও আছেন বহাল তবিয়তে।
সাবেক আইন মন্ত্রী আনিসুল হকের সাথে ঘনিষ্ট সম্পর্ক থাকায় তখন ভয়ে কেউ মুখ খুলতে পারেননি। তবে রমজান খানের ঘুষ বাণিজ্য পূর্বের ন্যায় মুন্সীগঞ্জে চলছে একই নিয়মে।
প্রতিমাসে সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে অডিটের নামে নেন দশ থেকে পনের লক্ষ টাকা। এসব ঘুষ দুর্নীতির একটি অংশ ব্যয় করেন নিবন্ধন অধিদপ্তর হতে আসা অডিটর, সাবেক আইন মন্ত্রীর আশীর্বাদ ও স্বৈরাচার সরকারের সন্তোষ্টি বজার রাখার পাশাপাশি মন্ত্রী এমপিদের উপটোকন প্রদানে।
জেলার অন্যান্য সাব-রেজিস্ট্রারগণদের কে চাপে রাখাসহ সিন্ডিকেটের নিয়ন্ত্রন ক্যাশিয়ার হিসেবে বেচে নিয়েছেন মুন্সীগঞ্জ জেলা-রেজিস্ট্রার অফিস সহকারী কে। তাদের এই কর্মকান্ডে হাতিয়ে নিচ্ছে কোটি কোটি টাকা অপরদিকে সরকার হারাচ্ছে বিপুল পরিমাণ রাজস্ব। নাম প্রকাশ না করার শর্তে নিবন্ধন অধিদপ্তরের এক কর্মকর্তা বলেন, ডিআর, ও সদর সাব-রেজিস্ট্রারের ঘুষ দুর্নীতির অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনে মামলা রয়েছে। কিছূদিন পূর্বে জনস্বার্থে জেলা রেজিস্টারসহ ২৩ জনের দুর্নীতি অনুসন্ধানে আইন উপদেষ্টা বরাবরে একটি অভিযোগ দেওয়া হয়েছে।
গত ৫ আগস্ট স্বৈরশাসক শেখ হাসিনা দিল্লি পালালেও রমজান খানের মতো তার দোসররা এখনও দেশের বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানে ঘাপটি মেরে রয়েছেন। তারা সুযোগ বুঝে লক্ষ্য অর্জনে ছলে বলে কৌশলে এমনকি বিগত সময়ের বিপুল পরিমাণ উপার্জিত অর্থ দিয়ে টার্গেট পূরণেও সক্ষম হচ্ছেন। শেখ হাসিনা পালালেও রমজান খানের মতো হাসিনার অনেক পেতাত্মা রয়েছেন এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে।
তারা বিগত সময়ে অবৈধভাবে বিপুল পরিমাণ রাষ্ট্রীয় সম্পদ লুট করে বিত্তশালী হয়েছেন। এখন তারাই সেই অর্থ দিয়ে দুর্নীতিবাজদের ম্যানেজ করে ফেলছেন। অন্যদিকে দুর্নীতিবাজরা রাতারাতি ভোল পাল্টিয়েও ফেলেছেন।
বহু রক্তের বিনিময়ে অর্জিত বৈষম্যবিরোধী জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বছর পার না হতেই এই দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তারা দেদারসে চালিয়ে যাচ্ছেন ঘুষ বাণিজ্য। দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে বৈষম্য বিরোধী বাংলাদেশে এই সমস্ত দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তার বিভাগীয় তদন্তপূর্বক শাস্তি দাবি করেছে দেশবাসী।
নেত্রকোনা প্রতিনিধি: নেত্রকোণার মদন উপজেলায় এক মাদ্রাসা শিক্ষকের বিরুদ্ধে ১২ বছর বয়সী এক ছাত্রীর ধর্ষণের…
লালমনিরহাট প্রতিনিধি: লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলায় চলন্ত যাত্রীবাহী ট্রেনের ইঞ্জিনে আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে। তবে দ্রুত…
সংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক: হাওর অঞ্চলে আকস্মিক বন্যা ও পাহাড়ি ঢলে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের জন্য তিন মাসের…
সংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক: আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ নিয়েছেন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে নব-নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা।…
সংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক: সরকারি চাকরিতে বাধ্যতামূলক অবসরের আওতায় বিসিএস (পুলিশ) ক্যাডারের ১৭ জন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে…
সংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক: ২০১৩ সালের ৫ মে রাজধানীর শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের সমাবেশে হত্যাযজ্ঞের…