স্বচ্ছতা-নিরাপত্তায় কর্মকমিশনের নবযাত্রা

  • ২০২৪ সালের অক্টোবর থেকে পিএসসি’র চেয়ারম্যান হিসেবে প্রফেসর মোবাশ্বের মোনেমের নেতৃত্বে কমিশন একাধিকবার সংস্কার পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে
  • দশ বছরে দুইবার উদ্যোগ নিয়েও শিক্ষা খাতে বিশেষ বিসিএস নেয়া সম্ভব হয়নি। প্রায় দেড় যুগ পর ৪৯তম বিসিএসের মাধ্যমে বাস্তবায়নের পথে সেই উদ্যোগ
  • নির্দিষ্ট রোডম্যাপ, স্বচ্ছতায় অনলাইন তথ্য উন্মুক্তকরণ ও ডিজিটাল সেবা একক প্ল্যাটফর্মে আবেদন ও ফলাফল, আবেদন ফি ৭০০ টাকা থেকে ২০০ টাকায় নামিয়ে আনায় প্রশংসায় কর্মকমিশন
  • প্রশ্নপত্রের নিরাপত্তায় আধুনিক পাসওয়ার্ড নির্ভর ট্রাঙ্ক ব্যবহারের সিদ্ধান্ত, প্রশ্ন ব্যবস্থাপনায় সরাসরি সংশ্লিষ্টতা থাকবে না পিএসসির কোনো কর্মকর্তার

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রন্থাগারে শিক্ষার্থীদের ভিড় একটি নিয়মিত ঘটনা। শুধু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নয়, দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়,কলেজ, জেলা-বিভাগীয় শহর ও চাকরির কোচিং সেন্টারের গ্রন্থাগারে শিক্ষার্থীর ভিড় লেগেই থাকে।

সোনার হরিণ বিসিএস কিংবা সরকারি চাকরির প্রতি তরুণদের ’ক্রেজ’ যেন বেড়েই চলেছে। বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশনের বিভিন্ন পরীক্ষা গ্রহণের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও সাম্প্রতিক ইতিবাচক সিদ্ধান্ত শিক্ষার্থীদের মাঝে স্বস্তির জায়গা প্রসারিত করেছে।

ঢাকার মিরপুরের কোচিং সেন্টারের গ্রন্থাগারে চাকুরির পড়াশোনা করছিলেন মাহবুবুল ইসলাম নামের এক শিক্ষার্থী। চাকরির পরীক্ষা নিয়ে আমার সংবাদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি।

পিএসসির ইতিবাচক কার্যক্রমের প্রশংসা করে এ শিক্ষার্থী বলেন,  “বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশন (পিএসসি) গত এক বছরে বিসিএসসহ বিভিন্ন নিয়োগ পরীক্ষার ক্ষেত্রে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম হলো- ৪৪তম বিসিএসের ভাইভা পুনঃগ্রহণ, ৪৫তম বিসিএসে তৃতীয় পরীক্ষক সংযোজন, ৪৬তম বিসিএস প্রিলিমিনারির ফল পুনঃপ্রকাশ।

এছাড়া প্রার্থীদের কোড পছন্দের প্রক্রিয়া লিখিত পরীক্ষার আগেই সম্পন্ন করার সুযোগ দেয়া হয়েছে। বিসিএস সহ সব সরকারি চাকরির পরিক্ষায় আবেদন ফি সর্বোচ্চ ২০০ টাকা করা হয়েছে। এসব উদ্যোগ স্বচ্ছতা ও প্রক্রিয়ার গতি বাড়ানোর ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। আমরাও আস্থার জায়গা পাচ্ছি। সব মিলিয়ে, পিএসসি কিছু প্রশংসনীয় সংস্কারমূলক পদক্ষেপ নিয়েছে যা নিয়োগ প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা বাড়িয়েছে বলে আমি মনে করি। তবে আস্থা পুরোপুরি অর্জনের জন্য প্রশ্নপত্র নিরাপত্তা, তথ্য প্রকাশ এবং সময়ানুবর্তিতার ক্ষেত্রে আরও কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ প্রয়োজন।”

দেশের সরকারি বিভিন্ন নিয়োগ ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে নানাধরণের জড়তা ও প্রতিকূলতা দেখা গেছে। বিশেষ করে যোগাযোগ ব্যবস্থার অস্বচ্ছতা, প্রশ্নপত্র ফাঁস, দীর্ঘ সময় লাগা প্রতিটি পর্যায়ের প্রক্রিয়া নিয়ে অস্বস্তি ছিল শিক্ষার্থীদের মাঝে। তবে সামপ্রতিক সময়ে বিস্তৃত সংস্কার উদ্যোগ এবং মানসম্পন্ন নিয়োগ ব্যবস্থার প্রতিশ্রুতি বাংলাদেশের পাবলিক সার্ভিস কমিশনকে একটি নতুনভাবে তুলে ধরছে। চলছে স্বচ্ছতা ও দক্ষতার এর এক যুগান্তকারী পূনঃসূচনা।

২০২৪ সালের অক্টোবর থেকে পিএসসি’র চেয়ারম্যান হিসেবে প্রফেসর মোবাশ্বের মোনেম দায়িত্ব পালন করছেন। তার নেতৃত্বে কমিশন বিভিন্ন দিক থেকে সংস্কার পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে, যার প্রতিফলন ইতোমধ্যেই দৃশ্যমান।

বিসিএস পরীক্ষার আবেদন ফি ৭০০ টাকা থেকে ২০০ টাকায় নামিয়ে আনা হয়েছে, যাতে বঞ্চিত শিক্ষার্থীদের সুযোগ তৈরি হয় এবং প্রক্রিয়াকে আরও সমসাময়িক ও স্বচ্ছ করা যায় । নিয়োগ প্রক্রিয়ায় গতি ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে পিএসসি একটি স্পষ্ট রোডম্যাপ ঘোষণা করেছে যাতে বিভিন্ন পরীক্ষা সম্পন্ন করতে নির্দেশনা ও রূপ সকলের সামনে প্রকাশিত হয়েছে। প্রশ্নপত্র প্রস্তুত ও মুদ্রণের নিরাপত্তা সংক্রান্ত উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রশ্ন সংরক্ষণে ব্যবহার করা হবে আধুনিক লকিং সিস্টেম যুক্ত লকার বা ট্রাঙ্ক। পাশাপাশি প্রশ্ন তৈরির প্রক্রিয়া থেকে পিএসসির কর্মকর্তাদের প্রত্যক্ষ সংশ্লিষ্টতাও বাদ দেওয়া হয়েছে।

সামপ্রতিক সময়ে এই নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে পিএসসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক মোবাশ্বের মোনেম গণমাধ্যমকে জানান, প্রশ্নপত্রের নিরাপত্তায় আমরা অনেকগুলো পদক্ষেপ নিয়েছি। বর্তমানে যে ট্রাঙ্কগুলো ব্যবহার করা হচ্ছে, সেগুলো পরিবর্তন করা হবে। ডিজিটাল পাসওয়ার্ড নির্ভর আধুনিক ট্রাঙ্ক ব্যবহার করা হবে। ট্রাঙ্কে পাসওয়ার্ড দেবেন মডারেটরই। এরপর তারা আলাদা কাগজে পাসওয়ার্ড লিখে তা সরাসরি পিএসসির দায়িত্বপ্রাপ্ত সদস্যের হাতে তুলে দেবেন। পাসওয়ার্ডের কাগজটিও সিলগালা করা থাকবে।

এর ফলে প্রশ্ন ব্যবস্থাপনায় পিএসসির কোনো কর্মকর্তার সরাসরি সংশ্লিষ্টতা থাকবে না। দায়িত্বপ্রাপ্ত পিএসসির সদস্যরা একেবারে শেষ মুহূর্তে অনুমোদন সাপেক্ষে পাসওয়ার্ডের খামটি খুলে পরবর্তী পদক্ষেপ নেবেন।

নিরাপত্তার পাশাপাশি প্রশ্নপত্র মূল্যায়নে উন্নত পদ্ধতি এবং উত্তরপত্র মূল্যায়ন কার্যক্রমের জন্য পিএসসির বিভিন্ন প্রক্রিয়া গতি পেয়েছে । বিসিএসের আবেদনের সময় একজন চাকরিপ্রার্থীকে ক্যাডার চয়েজ (পছন্দ) করতে হয়। পরে যখন ওই প্রার্থী প্রিলিমিনারি টেস্ট ও লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন, তখন তার মত পাল্টে যায়। কিন্তু তখন আর ক্যাডার চয়েজ পরিবর্তন করার সুযোগ থাকে না। দীর্ঘদিনের এই প্রক্রিয়ায় পরিবর্তন এনেছে পিএসসি। এখন থেকে বিসিএস-এ আবেদনের সময় নয়, ভাইভার আগে ক্যাডার চয়েজ দেওয়া যাবে।

বিশেষ বিসিএসের মাধ্যমে শূন্যপদ পূরণেও নজির স্থাপন করেছে পিএসসি। শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসহ জরুরি খাতে শূন্যপদ পূরণের জন্য নিয়মিত বিসিএসের অপেক্ষায় না থেকে বিশেষ বিসিএস আয়োজন করা হচ্ছে। সামপ্রতিক ৪৮তম বিশেষ বিসিএস-এর বড় উদাহরণ। এর মাধ্যমে স্বল্প সময়ে চিকিৎসক নিয়োগের পথ খুলে যায়। এছাড়া শিক্ষা ক্যাডারের জন্য প্রায় দেড় যুগ পর বিশেষ বিসিএস-এর আয়োজন চলছে।

৪৯তম এই বিশেষ বিসিএস-এর আগে গত দশ বছরে একাধিকবার গুঞ্জন উঠলেও শিক্ষা খাতের জন্য বিশেষ বিসিএস অনুষ্ঠিত হয় নি। সর্বশেষ ২০০৬ সালে প্রভাষক নিয়োগ করা হয় বিশেষ বিসিএসে।। এরপর সাধারণ বিসিএসের সঙ্গে শিক্ষা ক্যাডার নিয়োগ দেয়া হলেও শিক্ষার জন্য আলাদা বিসিএস নেয়া হয়নি। অথচ শিক্ষা ক্যাডারের হাজার হাজার শূন্য পদে নিয়োগের জন্য সংশ্লিষ্টরা দফায় দফায় বিশেষ বিসিএস আয়োজনের সুপারিশ করে।

৪৯তম বিশেষ বিসিএস-এর পাশাপাশি কমিশন ঘোষণা দিয়েছে, ২০২৫ সালের নভেম্বরে ৫০তম বিসিএসের সার্কুলার প্রকাশ করা হবে। ৫০তম বিসিএসকে ঘিরে আগাম এ পরিকল্পনা কমিশনের ধারাবাহিকতা ও দীর্ঘমেয়াদি প্রস্তুতির পরিচায়ক। এছাড়া দীর্ঘদিন ধরে বিসিএসসহ অন্যান্য নিয়োগ পরীক্ষার ধীরগতি, বিলম্ব ও অস্বচ্ছতা নিয়ে সমালোচনা থাকলেও বর্তমানে কমিশন সুসংগঠিত রোডম্যাপ, প্রযুক্তিনির্ভর সেবা এবং প্রার্থী বান্ধব পদক্ষেপের মাধ্যমে একটি ইতিবাচক ধারা তৈরি করতে সক্ষম হয়েছে। সময় মাফিক ফলপ্রকাশ, ডিজিটাল আবেদন প্রক্রিয়া, স্বচ্ছ নীতিমালা এবং তথ্য উন্মুক্তকরণ,সব মিলিয়ে নিয়োগ ব্যবস্থায় একটি দৃশ্যমান পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। চাকুরি প্রার্থীদের জন্য আরও সুবিন্যস্ত, স্বচ্ছ এবং দায়িত্বপূর্ণ নিয়োগ ব্যবস্থা নিশ্চিতে এখন এক নির্ধারিত পথে এগিয়ে চলেছে বাংলাদেশ কর্ম কমিশন।

৪৩তম বিসিএস (কৃষি) ক্যাডার থেকে কৃষি সমপ্রসারণ কর্মকর্তা হওয়া মো. ইমাম হোসেন জ্যোতি পিএসসির রোডম্যাপ নিয়ে আমার সংবাদকে বলেন, “বেকারদের আস্থার স্থল পিএসসিকে ধন্যবাদ আগামী এবং চলতি বিসিএসের রোড ম্যাপ ঘোষণা করে এবং সেটা বাস্তবায়নের মাধ্যমে নতুন সূচনার জন্য। চাকরিপ্রার্থীদের স্বপ্ন পূরণে পিএসসি সংস্কারের জন্য যে দাবি উত্থাপিত হয়েছে ছাত্র এবং বেকার সমাজ থেকে তা পূরণের মাধ্যমে পিএসসি আরও আধুনিক এবং দৃঢ় সম্পর্ক স্থাপন করবে বলে আশা রাখি। নিয়োগ ব্যবস্থা দ্রুততর করণ ও চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশের পূর্বে পদসংখ্যা বৃদ্ধি করার দাবি থাকবে। পরিচ্ছন্ন এবং টেকসই পদ্ধতির মাধ্যমে যোগ্য প্রার্থী নিয়োগে বদ্ধপরিকর পিএসসির কার্যক্রম গ্রহণ ও বাস্তবায়নের মাধ্যমে একজন বেকারের পরিবারে হাসি ফুটবে এমন আশায় অগ্রিম ধন্যবাদ।”

এ বিষয়ে কর্ম কমিশনের সদস্য শাব্বির আহমদ চৌধুরী বলেন, “পিএসসি নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করে যাচ্ছে। নিয়োগ ও ফলাফল দ্রুত প্রদান করার জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে। প্রার্থীদের কথা ভেবে বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নেয়া হচ্ছে।”

ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে আবেদন ও তথ্যসেবা প্রদানেও এগিয়ে গিয়েছে বাংলাদেশ কর্মকমিশন। বর্তমানে বিপিএসসি’র সব ধরনের বিজ্ঞপ্তি, আবেদন, ফি পরিশোধ, প্রবেশপত্র ডাউনলোড একটি অনলাইন প্ল্যাটফর্মেই পাওয়া যায়। এতে প্রার্থীদের আলাদা করে তথ্য খোঁজার ঝামেলা কমেছে। আবেদন প্রক্রিয়া পুরোপুরি স্বচ্ছ হওয়ায় ভৌগোলিক দূরত্ব বা কাগজপত্র জমা দেয়ার ঝুঁকি এখন আর নেই।

ডিজিটাল ব্যবস্থার আরেকটি দিক হলো- বিভিন্ন বিসিএসের নোটিশ, পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট নোটিশ ওয়েবসাইটে প্রদর্শন করা হয়। এতে বিভ্রান্তি কমে এবং প্রার্থীরা সহজেই সময়মতো প্রস্তুতি নিতে পারেন। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক কর্মকাণ্ডের প্রশাসনিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে বিপিএসসি বার্ষিক প্রতিবেদন প্রকাশ করছে। সেখানে নিয়োগ কার্যক্রম, সাফল্য ও সীমাবদ্ধতার বিস্তারিত তুলে ধরা হয়।

অনলাইনে উন্মুক্ত এসব তথ্য গবেষক, গণমাধ্যম ও সাধারণ নাগরিকদের জন্য নির্ভরযোগ্য উৎস হিসেবে কাজ করছে। বিভিন্ন পরিকল্পনা, পরীক্ষার সিলেবাস এবং মূল্যায়ন নীতিমালাও ওয়েবসাইটে পাওয়া যাচ্ছে। প্রার্থীরা আগেভাগে বিষয়বস্তু জেনে নেয়ার ফলে তাদের প্রস্তুতিতে সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা মিলছে। আগে দেখা যেত, ফল প্রকাশের পরও স্বাস্থ্য পরীক্ষা, পুলিশ যাচাই ও নিয়োগপত্র প্রদান পর্যন্ত দীর্ঘ সময় লেগে যেত। নতুন রোডম্যাপে এসব ধাপও নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে সম্পন্ন করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। ফলে প্রার্থীরা দ্রুত যোগদানের সুযোগ পাচ্ছেন এবং শূন্যপদ দীর্ঘদিন ফাঁকা থাকছে না।

বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের কার্যক্রম বর্তমানে একটি পরিবর্তনের পথে। সময়নির্দিষ্ট রোডম্যাপ, প্রযুক্তিনির্ভর আবেদন প্রক্রিয়া এবং নীতিমালার সংস্কার ভবিষ্যতে এই পরিবর্তনকে আরও স্থায়ী করবে। দীর্ঘমেয়াদে এই ধারাবাহিকতা বজায় থাকলে মেধাভিত্তিক, স্বচ্ছ ও কার্যকর নিয়োগপ্রক্রিয়া বাংলাদেশের প্রশাসনিক কাঠামোকে আরও শক্তিশালী করবে।

সংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক

Recent Posts

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন জরিপ

হানিফ খোকন : নিজস্ব মতামত আমার এই জরিপ যতটা সম্ভব প্রফেশনালি এবং নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গিতে করা…

4 days ago

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাতের জন্য যমুনার উদ্দেশে তারেক রহমান

প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাতের জন্য সপরিবারে যমুনার উদ্দেশে রওনা হয়েছেন বিএনপি…

1 month ago

বিএনপি ক্ষমতায় গেলে পাবে মাসিক দুই হাজার পাঁচশ টাকা প্রতিটি পরিবারঃ দুলু

বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু বলেছেন, “নারীদের ক্ষমতায়ন ও সামাজিক…

1 month ago

তারেক রহমানের সঙ্গে চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপির সভাপতি, নেতৃত্বে সততা ও যোগ্যতার প্রতীক মাহমুদ হাসান খান বাবুর বৈঠক

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে। এই…

1 month ago

আর কখনও যেন নির্বাচন ডাকাতি না হয় সেই ব্যবস্থা করতে হবে: প্রধান উপদেষ্টা

বিগত ৩ নির্বাচনের (২০১৪, ২০১৮ এবং ২০২৪) অনিয়মের তদন্ত রিপোর্ট প্রধান উপদেষ্টা ড. অধ্যাপক মুহাম্মদ…

1 month ago

কুড়িগ্রামে দুদকের অভিযানে ২১ মেট্রিক টন ধান ও ৩৫ মেট্রিক টন চাল উধাওয়ের অভিযোগ

কুড়িগ্রাম জেলা খাদ্যগুদামে অভিযান চালিয়ে ধান ও চালের মজুদে বড় ধরনের গরমিল পেয়েছে দুর্নীতি দমন…

1 month ago