তিনি বলেন, ‘আমরা আশা করি, মালয়েশিয়া পুরো আলোচনায় প্রভাব খাটাবে, যাতে আমরা এ সমস্যার সমাধান করতে পারি। রোহিঙ্গা শরণার্থী গ্রহণে মালয়েশিয়ার ভূমিকা এবং আঞ্চলিক নেতৃত্বপূর্ণ অবস্থান দেশটিকে একটি বিশেষ জায়গায় দাঁড় করিয়েছে।’
ড. ইউনূস সতর্ক করে বলেন, ‘মায়ানমারের রাখাইন রাজ্যে আরাকান আর্মি ও সরকারি বাহিনীর চলমান সংঘর্ষের কারণে নতুন করে বাংলাদেশে ঢুকছে।’
তিনি জানান, গত ১৮ মাসে নতুন করে প্রায় ১ লাখ ৫০ হাজার রোহিঙ্গা বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।
এর সঙ্গে আগে থেকে থাকা ১২ লাখ শরণার্থী যোগ হয়ে পরিস্থিতি আরো ভয়াবহ হয়ে উঠেছে।
ড. ইউনূস আরো বলেন, ‘সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো, যুক্তরাষ্ট্র তাদের রক্ষণাবেক্ষণের সব ধরনের অর্থায়ন বন্ধ করে দিয়েছে। এটি আমাদের জন্য বিশাল এক সংকট।’
প্রধান উপদেষ্টা জানান, আসন্ন কয়েক মাসে রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে তিনটি আন্তর্জাতিক সম্মেলন আয়োজন করা হবে, যেখানে টেকসই সমাধান খোঁজার চেষ্টা চালানো হবে।
অধ্যাপক ইউনূস জানান, এ বছর ৩টি সম্মেলনের আয়োজন করা হবে—প্রথম সম্মেলন আগস্টের শেষের দিকে কক্সবাজারে, রোহিঙ্গা আগমনের অষ্টম বার্ষিকী উপলক্ষে। দ্বিতীয় সম্মেলন সেপ্টেম্বর মাসে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে। তৃতীয় সম্মেলন বছরের শেষ দিকে কাতারের দোহায়।