দর্শনা কেরুর অবৈধ ডিস্টিলারী কর্মচারী চাকুরিচ্যুত সেনাসদস্য আওয়ামী দোসর মামুন, এমপি টগরের আশির্বাদে অর্ধশত কোটি টাকার সম্পদের মালিকঃঅবশেষে ঠাকুরগাও বদলি হয়েও সেখানে করে চলেছেন দূর্নীতি

*যা লিখবেন লিখেন এসব এখন আর পাবলিক খায়না। আমি ইনকাম করেছি এমপি সাহেব ও তার ভাই বাবু চেয়ারম্যানকে ভাগ দিয়েই খেয়েছি।

* ১৮ সালের সংসদ নির্বাচনে এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে সে রাতে গণহারে ব্যালটে নৌকা প্রতীকে সিল মেরে ব্যালট বাক্স পূর্ণ করে ফেলেন।

* নারীঘটিত একটি বিষয়ে সেনাবাহিনী তিনি চাকরিচ্যুত হন।

*কেরুর মদ চুরি করে বিক্রি, ফেন্সিডিল চোরাচালান, শ্রমিক নিয়োগে এমপি আলী আজগার টগরকে ব্যবহার করে অর্ধশত টাকার মালিক ।

*অবশেষে বদলি হয়ে ঠাকুরগাও এ।

*বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন দমন করতে দর্শনা পৌর ছাত্রলীগ ও যুবলীগের ক্যাডারদের হাতে তুলে দিতেন লক্ষ লক্ষ টাকা।

চুয়াডাঙ্গার সদর উপজেলার তিতুদহ ইউনিয়নের ছোট শলুয়া গ্রামের জামাল উদ্দিনের ছেলে আব্দুল্লাহ আল-মামুন। অভাব ঘোঁচাতে তিনি সেনাবাহিনীতে চাকরী নেন। সেখানে কর্মরত অবস্থায় নারীঘটিত একটি বিষয়ে তিনি চাকরিচ্যুত হন। বাবার দেড় বিঘা জমি ছিলো। তার বাবা জামাল উদ্দিন একই গ্রামের ছিদ্দিকের স্ত্রী শাহার বানুকে বিয়ে না করেই জোর করে তাদের বাড়ীতে রেখে দিয়েছিলো। এ ঘটনায় একটি মামলা হয়। ওই মামলায় তার বাবার ১৪ বছর কারাদ- দেন আদালত। এরপর দেড় বিঘা জমির মধ্যে ১ বিঘা জমি বিক্রি করেন মামুন। জমি বিক্রির টাকা ব্যয় করে উচ্চ আদালত থেকে জামিন করিয়ে নেন তার বাবা জামাল উদ্দিনকে। এরপর ১০ কাঠা জমি নিয়েই তাদের পথ চলা। ২০০৩ সালে একই উপজেলার হিজলগাড়ী বাজারের জাহিদ মার্কেটে একটি মোবাইল ফোন-ফ্লাক্সির দোকান দেন মামুন।

২০০৫ সালে দর্শনা পৌরসভার সাবেক মেয়র ও পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি মরহুম মতিয়ার রহমানের চাচাতো ভাই পৌর এলাকার ঈশ্বরচন্দ্রপুরের মরহুম শওকত আলী রাঙ্গার মেয়েকে বিয়ে করেন মামুন। এসময় শ্বশুরকুল থেকে তাকে দর্শনা কেরু এ্যান্ড কোম্পানীতে চাকরীর ব্যবস্থা করে দেয়া হয়। এরপর থেকে মামুনকে আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। তিনি টাকার মেশিনে পরিণত হন। যেনোতেনোভাবে টাকা উপার্জন তার নেশা হয়ে দাঁড়ায়। কেরু কোম্পানীর মদ চুরি করে বিক্রি, ফেন্সিডিল চোরাচালান, শ্রমিক নিয়োগসহ সাবেক এমপি আলী আজগার টগরকে ব্যবহার ও বিভিন্ন অপকর্ম করে কয়েক শত কোটি টাকার মালিক হয়ে যান তিনি।

কের এ্যান্ড কোম্পানীর দাফতরিক সূত্রে জানা যায়,আব্দুল্লাহ আল-মামুন গত ২০০৮ সালের ১৪ মে কেরুতে ইক্ষু উন্নয়ন সহকারী (সিডিএ) হিসেবে যোগদান করেন। একই বেতন স্কেলে ২০১৩ সালের ৭ অক্টোবর কেরুর ডিস্টিলারী বিভাগে ফরেন লিকার শাখায় ভারপ্রাপ্ত অফিস সহকারী হিসেবে যোগ দেন। একই স্থানে ২০১৪ সালের ১৮ ডিসেম্বর অফিস সহকারী হিসেবে পদন্নোতি পেলে গত ২০১৬ সালের ২৩ নভেম্বর সূত্র নং- কেরু সংস্থা/ পিএফ/ ২০৬৪ স্মারকে পূনরায় তাকে ইক্ষু উন্নয়ন সহকারী (সিডিএ) হিসেবে বদলি করা হয়। কিন্তু সে, সেখানে যোগদান না করে ডিস্টিলারীতে বিক্রয় সহকারী হিসেবে থাকার জন্য প্রধান কার্যালয় বরাবর গত ২০১৭ সালের ১১ ডিসেম্বর একটি আবেদন করেন। ওই আবেদন পত্রের কোন দাফতরিক জবাব না আসলেও মামুন অবৈধভাবে ডিস্টিলারতেই কর্মরত থেকে যথারীতি হাজিরা খাতায় সই করে গিয়েছেন।

গত ২০২৪ সালের ৭ অক্টোবর রাতে র‌্যাব-৩ সাভার আমিন বাজার থেকে ৫ কোটি ৫২ লাখ টাকার ২৬ হাজার বোতল কেরু এ্যান্ড কোম্পানীর দেশী মদ ও ৩০০ বোতল ফেন্সিডিল এবং ১টি কাভার্ডভ্যানসহ ২ জনকে আটক করে। এ ঘটনার সাথে মামুন জড়িত ছিল বলে একটি বিশ্বস্ত সূত্র দাবি করেছে। এ ঘটনার ব্যাপারে কেরুজ কর্তৃপক্ষ একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছিলো। তদন্তে কি পাওয়া গেছে তা কেউই জানতে পারেনি। তদন্ত দেখেনি আলোর মুখ।

ওই সূত্র জানিয়েছে, চট্টগ্রামে কেরু এ্যান্ড কোম্পানীর নিজস্ব ওয়্যার হাউজ রয়েছে। যেখান থেকে লাইসেন্সধারী মদ বিক্রেতারা তাদের চাহিদা মতো মদ কিনতে পারেন। মামুন ডিস্টিলারীতে অবৈধভাবে দায়িত্ব গ্রহণের শুরু থেকে সে চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন এলাকার মদ ক্রেতাদের দর্শনায় নিয়ে আসেন। দর্শনা ডিস্টিলারী থেকে তাদের চাহিদার অতিরিক্ত মদ চুরি করে সে ক্রেতাদের কাছে বিক্রি করতেন এবং ভারত সীমান্ত দিয়ে যে অবৈধ ফেন্সিডিল দর্শনায় আসতো সেগুলো ওই মদ ক্রেতাদের কাছে বিক্রি করে দিতেন। মদ চালানের সাথে বৈধ-অবৈধ মদ ও ফেন্সিডিলের চালান দেশের বিভিন্ন স্থানে মামুন ছড়িয়ে দিতেন। মামুনকে এ অপকর্মে ছায়া দিতেন চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের সাবেক এমপি আলী আজগার টগর। এজন্য সাবেক এমপি টগরকে, মামুন প্রচুর টাকা রোজগার করিয়ে দিতেন। মামুনের সাথে আলী আজগার টগরের জামাই-শ্বশুর সম্পর্ক ছিলো। এ কারনে মামুন কাউকে তোয়াক্কা করতেন না।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক সূত্র জানিয়েছে, মামুন সাবেক এমপি টগরের সহযোগীতায় কেরুতে শ্রমিক ও বিভিন্ন বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষক নিয়োগ বাণিজ্য করতেন। এই বাণিজ্য করে তিনি কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের নেতাকর্মীদের কেউ কেউ পালিয়েছে আবার কেউ কেউ গা ঢাকা দিয়েছেন। এরপর মামুন দাবি করতে থাকে, বিএনপি নেতাদের আর্থিক সুবিধা দিয়ে তিনি প্রকাশ্যে বেড়িয়ে বেড়াচ্ছেন। এ বিষয়টি জানাজানি হলে গত ২০২৪ সালের ৬ নভেম্বর বেলা ১২টার দিকে দর্শনা রেলবাজারের বীজ গুদামের সামনে আমিরুলের চায়ের দোকানে মামুন একদল যুবকের হামলা ও মারপিটের শিকার হন। ওই সময় তার হাত ভেঙ্গে যায়। এ সময় তিনি পালিয়ে নিজেকে রক্ষা করেন। এ ঘটনার পর থেকে মামুন আত্মগোপনে আছেন। তিনি নিয়মিত অফিস না করলেও কর্তৃপক্ষকে আয়ত্ত করে কেরুর ডিস্টিলারীর গোডাউন শ্রমিক সরদার ছোট শলুয়া গ্রামের ইসাহাকের মাধ্যমে অফিস থেকে হাজিরা খাতা নিয়ে এসে গোপনে সই করে যাচ্ছেন, যা বড় ধরনের অনিয়ম।

কয়েকটি সূত্র জানিয়েছে, ছোট শলুয়া চেংমারী জোলপাড়ার দিকে যেতে কেরুর বেগমপুর কৃষি খামারের জমি দখল করে মামুন গোডাউন ও গরুর খামার তৈরী এবং একই গ্রামের বিআরডিবির কৃষি সমবায় সমিতির পুকুর দখল করে বাড়ী করেছেন। ছোট শলুয়া গ্রামের কুমিল্লাপাড়ার আরশাদ আলীর ছেলে খলিলুর রহমান ও জলিলের কেনা সাড়ে ৪ বিঘা জমিতে জোর করে রাতারাতি পুকুর খনন করে সেটা দখলে রেখেছেন মামুন। ভুক্তভোগীরা তার ভয়ে থানায় মামলা করতে না পেরে আদালতে মামলা করেছেন। ওই গ্রামের জোনাব আলীর ছেলে মিজানের ৭ কাঠা জমি তিনি দখল করে রেখেছেন। তিনি কেরুর ডিহি কৃষি খামারের একদিকে হিজলগাড়ীর মিলন ফার্মের মালিকের কাছ থেকে ৯০ লাখ ও একই এলাকার হামিদুল্লার কাছ থেকে ১ কোটি টাকা দিয়ে জমি, প্রবাসী শরিয়ত উল্লার কাছ থেকে বেগমপুর কলোনী পাড়ার বাজারের পুলিশ ক্যাম্প সড়কে মার্কেটসহ দেড় কোটি টাকা ব্যয়ে বাড়ী, বেগমপুর রেজার কাছ থেকে ৮০ লাখ টাকা দিয়ে ১ দাগে ৪ বিঘা, ছোট শলুয়ার মাসুদের কাছ থেকে ৮০ লাখ টাকায় ৪ বিঘা, একই গ্রামের সাদ আহাম্মেদ মাস্টারের কাছ থেকে ৪০ লাখ টাকায় ২ বিঘা, ওই গ্রামের ইছা মোল্লার কাছ থেকে ৫০ লাখ টাকায় আড়াই বিঘা জমি কিনেছেন। কুমিল্লাপাড়ার সমিতির পুকুর থেকে চেংমারী জোল পর্যন্ত ১০ কোটি টাকা দিয়ে ১ দাগে ৪০ বিঘা, একই গ্রামের কাশেমের ছেলে শহিদুলের কাছ থেকে ৩০ লাখ টাকায় দেড় বিঘা, আলাউদ্দিনের কাছ থেকে ২৫ লাখ টাকা দিয়ে ২ বিঘা, শরিফের কাছ থেকে ৪০ লাখ টাকা দিয়ে আড়াই বিঘা জমি, দলিলে কম দাম দেখিয়ে আব্বাসের কাছ থেকে ২৯ লাখ টাকায় আড়াই বিঘা জমি কিনেছেন। ছোট শলুয়া গ্রামে তার রয়েছে ৬টি নিজস্ব বাড়ী, চুয়াডাঙ্গা শহরের কবরী রোডে ১টি ৬ তলা বাড়ী, ৩টি গাড়ী, ঢাকাতে ৮টি ফ্ল্যাট বাড়ী, ডাচ বাংলা ব্যাংক চুয়াডাঙ্গা শাখা ও অগ্রণী ব্যাংক দর্শনা শাখায় রয়েছে কয়েক কোটি টাকার এফডিআর। কট বন্ধক রয়েছে সর্বনিম্ন ৩ লাখ থেকে প্রায় ৫-৬ কোটি টাকা। সূত্র জানিয়েছে, এ জেলায় তার বিভিন্ন স্থানে ৪০০ বিঘা জমি রয়েছে।

সূত্র আরো জানায়, বিভিন্ন ঝামেলা ঠেকাতে মামুনের নিজস্ব সশস্ত্র বাহিনী রয়েছে। বাহিনীর সদস্যরা গোটা এলাকায় সশস্ত্র তা-ব চালিয়ে এলাকার লোকজনকে ভীতিকর অবস্থায় রেখেছে। এখনো কেউ তার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করার সাহস পায় না। বাহিনীর সদস্যরা হলো- রবিউল, মফিজুল, আরমান, আখতার, জামাত আলী, সামাদ, সাইদুর, আকছেদ, চঞ্চল, কুদ্দুস, জামালসহ ৪০ জন। এই বাহিনী কাজে লাগিয়ে মামুন ২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেন। সে নির্বাচনের আগের দিন রাতে গণহারে ব্যালটে নৌকা প্রতীকে সিল মেরে ব্যালট বাক্স পূর্ণ করে ফেলেন।

এদিকে, মৎস্যজীবী না হয়েও তিনি জোর করে বছরের পর বছর বেগমপুর বাওড় দখল করে রেখেছেন। চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে অবৈধভাবে মামুনের দখলে থাকা বেগমপুর বাওড় মৎস্যজীবী সমিতির কমিটি বাতিল করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। ওই জল মহালে মাছ চাষ করার বিষয়টি বাস্তবায়ন করার সময়ের ব্যাপারমাত্র। বেগমপুর ওই বাওড়ের অস্থিত্ব প্রায় বিলীন পর্যায়ে রয়েছে। ঘন ঘন বাঁধ দিয়ে মাটি ভরাট করে এটি পার্ক হিসেবে ব্যবসা শুরু করা হয়েছিলো। সেটি বন্ধ করে বাওড় উদ্ধার করার দাবিও জোরদার হচ্ছে। ওই বাওড়ে যেতে কেরু এন্ড কোম্পানীর জমি জোর করে দখল করে রাস্তা তৈরী করে ব্যবহার করছে তিনি।

আব্দুল্লাহ আল-মামুনের সাথে এসব বিষয় নিয়ে কথা বললে তিনি বলেন, যা লিখবেন লিখেন এসব এখন আর পাবলিক খায়না। আমি ইনকাম করেছি এমপি সাহেব ও তার ভাই বাবু চেয়ারম্যানকে ভাগ দিয়েই খেয়েছি।

গত ২৪ সালের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন দমানোর অন্যতম ক্যারিশম্যা দেখানো আব্দুল্লাহ আল-মামুন এখনো স্বমহিমায় উদ্ভাসিত।

ছাত্র জনতার এই আন্দোলন নস্যাৎ করতে কেরু এ্যান্ড কোম্পানীর নিজ কক্ষে মধ্যরাত পর্যন্ত ছাত্রলীগ আর যুবলীগ নেতাদের সাথে গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত থাকতেন আব্দুল্লাহ আল-মামুন  ।

আন্দোলন দমন করতে দর্শনা পৌর ছাত্রলীগ ও যুবলীগের ক্যাডারদের হাতে তুলে দিতেন লক্ষ লক্ষ টাকা।

গত ৫ আগস্ট স্বৈরশাসক শেখ হাসিনা দিল্লি পালালেও  আব্দুল্লাহ আল-মামুনের মতো তার দোসররা এখনও দেশের বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানে ঘাপটি মেরে রয়েছেন। তারা সুযোগ বুঝে লক্ষ্য অর্জনে ছলে বলে কৌশলে এমনকি বিগত সময়ের বিপুল পরিমাণ উপার্জিত অর্থ দিয়ে টার্গেট পূরণেও সক্ষম হচ্ছেন। শেখ হাসিনা পালালেও আব্দুল্লাহ আল-মামুনের মতো  হাসিনার অনেক পেতাত্মা রয়েছেন এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে।

তারা বিগত সময়ে অবৈধভাবে বিপুল পরিমাণ রাষ্ট্রীয় সম্পদ লুট করে বিত্তশালী হয়েছেন। এখন তারাই সেই অর্থ দিয়ে দুর্নীতিবাজদের ম্যানেজ করে ফেলছেন। অন্যদিকে দুর্নীতিবাজরা রাতারাতি ভোল পাল্টিয়েও ফেলেছেন।

বহু রক্তের বিনিময়ে অর্জিত বৈষম্যবিরোধী জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বছর পার না হতেই এই দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তারা দেদারসে চালিয়ে যাচ্ছেন ঘুষ বাণিজ্য। দুটো তদন্তের মাধ্যমে বৈষম্য বিরোধী বাংলাদেশে এই সমস্ত দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তার বিভাগীয় তদন্তপূর্বক শাস্তি দাবি করেছে  দেশবাসী।

স্টাফ রিপোর্টার

Recent Posts

মাদ্রাসা শিক্ষকের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ, ছাত্রী ৭ মাসের অন্তঃসত্ত্বা

নেত্রকোনা প্রতিনিধি: নেত্রকোণার মদন উপজেলায় এক মাদ্রাসা শিক্ষকের বিরুদ্ধে ১২ বছর বয়সী এক ছাত্রীর ধর্ষণের…

2 hours ago

চলন্ত ট্রেনের ইঞ্জিনে আগুন, অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন যাত্রীরা

লালমনিরহাট প্রতিনিধি: লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলায় চলন্ত যাত্রীবাহী ট্রেনের ইঞ্জিনে আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে। তবে দ্রুত…

4 hours ago

হাওরে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তিন মাস খাদ্য সহায়তা দেওয়া হবে: ত্রাণমন্ত্রী

সংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক: হাওর অঞ্চলে আকস্মিক বন্যা ও পাহাড়ি ঢলে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের জন্য তিন মাসের…

4 hours ago

শপথ নিলেন সংরক্ষিত নারী আসনের এমপিরা

সংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক: আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ নিয়েছেন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে নব-নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা।…

4 hours ago

বাধ্যতামূলক অবসরে পুলিশের ১৬ ডিআইজি

সংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক: সরকারি চাকরিতে বাধ্যতামূলক অবসরের আওতায় বিসিএস (পুলিশ) ক্যাডারের ১৭ জন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে…

6 hours ago

শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ড:ঢাকাতেই ৩২ জনকে হত্যার প্রমাণ মিলেছে

সংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক: ২০১৩ সালের ৫ মে রাজধানীর শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের সমাবেশে হত্যাযজ্ঞের…

7 hours ago