দক্ষিণ ভারতীয় চলচ্চিত্র জগতের জনপ্রিয় অভিনেতা কোটা শ্রীনিবাস রাও আর নেই। রোববার (১৩ জুলাই) ভোররাতে হায়দরাবাদের নিজ বাসভবনে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।
মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৩ বছর। জানা গেছে, বয়সজনিত অসুস্থতায় ভুগছিলেন এই বর্ষীয়ান অভিনেতা।
চার দশকের বেশি অভিনয়জীবনে ৭৫০’র বেশি সিনেমায় কাজ করেছেন শ্রীনিবাস রাও। খলনায়ক, কৌতুক কিংবা গম্ভীর চরিত্র—সব ধরনের ভূমিকাতেই সমান পারদর্শী ছিলেন তিনি। তেলঙ্গনা উপভাষায় সংলাপ বলার ভঙ্গি ও উচ্চারণে দর্শকদের হৃদয় জয় করেছিলেন এই অভিনেতা।
অন্ধ্র প্রদেশের বিজয়ওয়াড়ায় জন্ম শ্রীনিবাস রাওয়ের। মঞ্চ থেকে অভিনয় শুরু করলেও সিনেমায় পা দিয়েই দর্শকের নজর কাড়েন। ‘প্রতিঘটনা’, ‘আহা না পেল্লান্তা’ ও রামগোপাল বর্মার ‘গায়াম’সহ বহু সিনেমায় তার সংলাপ ও অভিনয় আজও দর্শকের মনে রয়ে গেছে।
রাজনীতিতেও সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য সক্রিয় ছিলেন কোটা। ১৯৯৯ সালে বিজেপির হয়ে বিজয়ওয়াড়া থেকে বিধায়ক নির্বাচিত হন, দায়িত্বে ছিলেন ২০০৪ পর্যন্ত। পরে রাজনীতি থেকে সরে এসে ফের সিনেমায় মনোযোগ দেন তিনি।
২০১৫ সালে ভারত সরকার পদ্মশ্রী সম্মাননায় ভূষিত করে শ্রীনিবাস রাওকে। পেয়েছেন আরও বহু পুরস্কার ও সম্মাননা। ব্যক্তিগত জীবনে ছেলের মৃত্যুর পর তিনি ভেঙে পড়েন, ধীরে ধীরে নিজেকে গুটিয়ে নেন চলচ্চিত্র থেকে।
তার মৃত্যুতে তেলঙ্গনা মুখ্যমন্ত্রী রেভন্ত রেড্ডি, পরিবহনমন্ত্রী পোন্নাম প্রভাকরসহ রাজনৈতিক ও চলচ্চিত্র অঙ্গনের অনেকে শোক প্রকাশ করেছেন।
শ্রীনিবাস রাও আর নেই, কিন্তু দক্ষিণ ভারতীয় চলচ্চিত্রে তার অবদান ও সংলাপ থেকে যাবে স্মৃতিতে।
হানিফ খোকন : নিজস্ব মতামত আমার এই জরিপ যতটা সম্ভব প্রফেশনালি এবং নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গিতে করা…
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাতের জন্য সপরিবারে যমুনার উদ্দেশে রওনা হয়েছেন বিএনপি…
বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু বলেছেন, “নারীদের ক্ষমতায়ন ও সামাজিক…
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে। এই…
বিগত ৩ নির্বাচনের (২০১৪, ২০১৮ এবং ২০২৪) অনিয়মের তদন্ত রিপোর্ট প্রধান উপদেষ্টা ড. অধ্যাপক মুহাম্মদ…
কুড়িগ্রাম জেলা খাদ্যগুদামে অভিযান চালিয়ে ধান ও চালের মজুদে বড় ধরনের গরমিল পেয়েছে দুর্নীতি দমন…