নিজস্ব প্রতিবেদক, দামুড়হুদা:
আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার জুড়ানপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে ঘিরে বইছে আগাম নির্বাচনী হাওয়া। এই নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে দিনরাত মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন বিশিষ্ট সমাজসেবক ও জনবান্ধব নেতা মোফাজ্জল হক। এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল জুড়ানপুর ইউনিয়নের বিষ্ণুপুর গ্রামে বিভিন্ন পাড়া-মহল্লায় ব্যাপক গণসংযোগ ও উঠান বৈঠক করেছেন তিনি।
শিক্ষিত ও সৎ নেতৃত্বের খোঁজে জুড়ানপুরবাসী:
এলাকাবাসীর মতে, মোফাজ্জল হক শুধু একজন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থীই নন, বরং তিনি এলাকার এক সম্ভ্রান্ত পরিবারের শিক্ষিত ও মার্জিত সন্তান হিসেবে পরিচিত। দীর্ঘ দিন ধরে তিনি নিজেকে জনসেবায় উৎসর্গ করেছেন। এলাকার মসজিদ-মাদ্রাসা থেকে শুরু করে অসহায় ও দুস্থ মানুষের বিপদে তিনি সবসময় বটবৃক্ষের মতো পাশে দাঁড়িয়েছেন। তার এই নিঃস্বার্থ দান ও অমায়িক ব্যবহার সাধারণ মানুষের হৃদয়ে বিশেষ জায়গা করে নিয়েছে।
বিষ্ণুপুরে প্রচারণায় জনস্রোত:
গতকাল বিষ্ণুপুর গ্রামে গণসংযোগকালে দেখা যায় এক অভূতপূর্ব দৃশ্য। মোফাজ্জল হককে কাছে পেয়ে এলাকার প্রবীণ থেকে শুরু করে তরুণ প্রজন্মের ভোটাররা ব্যাপক উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন। প্রতিটি পাড়ায় ও মহল্লায় তাকে স্বাগত জানাতে সাধারণ মানুষ ভিড় জমান। এই সময় তিনি প্রবীণদের দোয়া নেন এবং তরুণদের সাথে এলাকার উন্নয়ন নিয়ে মতবিনিময় করেন।
উন্নয়নের অঙ্গীকার ও জনমত:
উঠান বৈঠকে মোফাজ্জল হক বলেন, “আমি আপনাদেরই সন্তান। জুড়ানপুর ইউনিয়নকে একটি আধুনিক, মাদকমুক্ত ও আদর্শ ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তোলাই আমার মূল লক্ষ্য। আমি নির্বাচিত হলে জনগণের সেবা নিশ্চিত করা এবং প্রতিটি গ্রামে সুষম উন্নয়ন করাই হবে আমার অগ্রাধিকার।”
বিষ্ণুপুরবাসীর সমর্থন:
বিষ্ণুপুর গ্রামের সাধারণ মানুষ জানান, তারা এবার কোনো প্রতিশ্রুতি নয়, বরং যোগ্য ও শিক্ষিত নেতৃত্ব বেছে নিতে চান। গ্রামবাসীরা আশ্বস্ত করেছেন যে, আসন্ন নির্বাচনে তারা মোফাজ্জল হককে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করবেন এবং এলাকার উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে তার সাথে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করবেন। এলাকার ভোটারদের মতে, মোফাজ্জল হকের মতো একজন সৎ ও যোগ্য মানুষ চেয়ারম্যান হলে জুড়ানপুর ইউনিয়নের চেহারা বদলে যাবে।
নির্বাচনের দিন যত ঘনিয়ে আসছে, জুড়ানপুর ইউনিয়নের প্রতিটি গ্রামে মোফাজ্জল হকের জনপ্রিয়তা ততটাই তুঙ্গে উঠছে। জনসমর্থনের এই জোয়ার ভোটকেন্দ্রে প্রতিফলিত হবে বলে মনে করছেন স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।