{"remix_data":[],"remix_entry_point":"challenges","source_tags":["local"],"origin":"unknown","total_draw_time":95972,"total_draw_actions":3,"layers_used":2,"brushes_used":0,"photos_added":0,"total_editor_actions":{},"tools_used":{"transform":1,"draw":1},"is_sticker":false,"edited_since_last_sticker_save":true,"containsFTESticker":false}
“টাকা থাকলে পুলিশ-সাংবাদিক পকেটে থাকে, এসপিকে বলেও আমার ব্যবসা বন্ধ করতে পারবেন না”—এমন দম্ভোক্তি চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার কলাবাড়ী খালপাড়ার চিহ্নিত মাদক সম্রাজ্ঞী ফুলি খাতুনের। সংবাদপত্রে মাদক ব্যবসার খবর প্রকাশের পর এবং পুলিশি অভিযানের মুখেও থামেনি এই দম্পতি; বরং আরও বেপরোয়া হয়ে প্রশাসন ও গণমাধ্যমকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন তারা। ফলে জনমনে প্রশ্ন উঠেছে—একজন মাদক কারবারির খুঁটির জোর আসলে কোথায়?
অপরিবর্তিত মাদক সাম্রাজ্য:
অনুসন্ধানে জানা যায়, দামুড়হুদার কলাবাড়ী খালপাড়া এলাকায় শাহীন-ফুলি দম্পতি গড়ে তুলেছে এক দুর্ভেদ্য মাদকের দুর্গ। টেকনাফ থেকে সরাসরি ইয়াবার বড় বড় চালান নিয়ে এসে তারা পুরো উপজেলায় পাইকারি সরবরাহ করছে। শাহীন পেশায় ভ্যানচালক হলেও মূলত ভ্যানটিকে ব্যবহার করা হয় ইয়াবা পরিবহনের আড়াল হিসেবে। তাদের অধীনে বর্তমানে ৫-৬ জনের একটি সক্রিয় সিন্ডিকেট কাজ করছে, যারা গ্রাম থেকে গ্রামে মরণ নেশা ইয়াবা ছড়িয়ে দিচ্ছে।
প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি ও দম্ভোক্তি:
গত পরশু স্থানীয় সংবাদপত্রে এই দম্পতির মাদক ব্যবসার সচিত্র প্রতিবেদন প্রকাশের পর দর্শনা থানার বলদিয়ারপুর ক্যাম্প পুলিশ ওই আস্তানায় ঝটিকা অভিযান চালায়। তবে কৌশলী এই দম্পতি আগেভাগেই মাদক সরিয়ে ফেলায় তাদের আটক করা সম্ভব হয়নি। এতে তারা আরও উদ্ধত হয়ে উঠেছে। আজ সরাসরি এই প্রতিবেদককে ফোন করে ফুলি দম্ভভরে বলেন, “আপনার মতো সাংবাদিকরা লিখে আমার কিছুই করতে পারবে না। আমার টাকা আছে, প্রশাসনের বড় কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করেই আমি ব্যবসা করি। পারলে আপনার পত্রিকার মালিক আর এসপি সাহেবকে বলেন আমাকে ঠেকাতে।”
এলাকাবাসীর ক্ষোভ ও আতঙ্ক:
চিহ্নিত মাদক কারবারি হয়েও প্রকাশ্যে এমন হুমকি ও চ্যালেঞ্জের ঘটনায় এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, ইতিপূর্বেও তাদের নামে একাধিক মাদক মামলা থাকলেও তারা বারবার ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে যাচ্ছে। তাদের ভয়ে কেউ মুখ খোলার সাহস পায় না। স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, এই মাদক দম্পতি এখন দামুড়হুদার ‘মোস্ট ওয়ান্টেড’ মাদক কারবারিতে পরিণত হয়েছে। তাদের দ্রুত গ্রেফতার না করলে এই সীমান্ত এলাকার যুবসমাজ সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে যাবে।
এসপির হস্তক্ষেপ কামনা:
একজন সামান্য ভ্যানচালক ও তার স্ত্রী কীভাবে জেলা পুলিশ ও গণমাধ্যমকে তুচ্ছজ্ঞান করার সাহস পায়, তা নিয়ে খোদ খোদ পুলিশ বিভাগেও কানাঘুষা চলছে। এই মাদক সিন্ডিকেট ও তাদের নেপথ্যে থাকা গডফাদারদের আইনের আওতায় আনতে চুয়াডাঙ্গা জেলা পুলিশ সুপারের (এসপি) সরাসরি হস্তক্ষেপ ও কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী এলাকাবাসী।
সমাজকে এই মরণ নেশার হাত থেকে বাঁচাতে শাহীন-ফুলি দম্পতির মতো বিষধরদের ডানা এখনই ছেঁটে ফেলা প্রয়োজন বলে মনে করছেন বিজ্ঞজনেরা।
চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি: চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় মাদক লুকানোর এক অভিনব কৌশল অবলম্বন করেও শেষ রক্ষা হয়নি মো.…
বিশেষ প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম: চট্টগ্রাম মহানগরীর বায়েজিদ থানাধীন বালুচরা এলাকায় অবস্থিত বিআরটিএ (মেট্রো-২ সার্কেল) কার্যালয়টি এখন…
ঝিনাইদহ প্রতিনিধি: ঝিনাইদহ জেলা শহরের কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল এলাকায় একটি যাত্রীবাহী বাসে তল্লাশি চালিয়ে প্রায়…
সংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক: রাতে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে অতিভারী বর্ষণের পাশাপাশি ঘণ্টায় ৮০ কিলোমিটার বেগে ঝড়…
রাহাদ সুমন,বরিশাল: বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলার চাখার ইউনিয়নের সোনাহার-সাকরাল গ্রামে কালবৈশাখী ঝড়ে ঘরের উপর গাছ ভেঙে…
সংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক: সাত দিনের সফরে জাপানের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করছেন জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয়…