ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক অজয় কর খোকনকে এবার জুলাই আন্দোলনের এক হত্যাচেষ্টা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়েছেন আদালত।
রাজধানীর গুলশান থানা পুলিশের আবেদন শুনে ঢাকার অ্যাডিশনাল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. সেফাতুল্লাহ মঙ্গলবার এ আদেশ দেন।
গত বছরের ২৩ সেপ্টেম্বর রাতে গুলশান এলাকা থেকে অজয় কর খোকনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন তাকে গুলশান থানার সন্ত্রাসবিরোধী আইনের এক মামলায় কারাগারে পাঠানো হয়। এরপর থেকে তিনি কারাগারে রয়েছেন।
জুলাই আন্দোলনের সময় তৌহিদ মিয়া নামে এক ব্যক্তিকে হত্যাচেষ্টার মামলায় খোকনকে গ্রেপ্তার দেখানোর জন্য সম্প্রতি আদালতে আবেদন করেছিলেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গুলশান থানার এসআই সিদ্ধার্থ মণ্ডল। সেই আবেদনের ওপর শুনানির জন্য মঙ্গলবার সাবেক এই ছাত্রলীগ নেতাকে আদালতে হাজির করা হয়।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মুহাম্মদ শামছুদ্দোহা সুমন শুনানিতে গ্রেপ্তার দেখানোর পক্ষে যুক্তি তুলে ধরেন। তিনি বলেন, “এই আসামি শেখ হাসিনার অত্যন্ত আস্থাভাজন। এদের মত এই ছাত্রলীগের ওপর ভর করেই শেখ হাসিনা আবার ফেরার পরিকল্পনা করছে। এরা কোনো সাধারণ আসামি না। মামলার সুষ্ঠ তদন্তের স্বার্থে তাকে অ্যারেস্ট দেখানো প্রয়োজন।”
অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী ওবায়দুল ইসলাম বলেন, “আসামি ছাত্রলীগ করেছে, আওয়ামী লীগ করেছে। কিন্তু তিনি কখনো অন্যায় করেনি। তার বিরুদ্ধে কোথাও কোনো মামলা বা অভিযোগ নেই। জুলাই আন্দোলনেও তিনি শান্তিপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।”
এ সময় আদালতের অনুমতি নিয়ে কথা বলেন অজয় কর খোকন। তিনি বলেন, “২৮ বছর আগে আমি ছাত্রলীগের সেক্রেটারি ছিলাম। এরপর আমার আর কোনো রাজনীতি নেই। সাড়ে ১৫ বছর আমার কোনো পদ পদবী নেই। আজকের এমপি শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানিসহ অনেকেই আমার বন্ধু। তারা আমার বিরুদ্ধে খারাপ কিছু বলতে পারবে না। আমি কয়েকবার নোমিনেশন চেয়েছি। আমাকে দেয়নি।”
অজয় কর বলেন, “আমি সব সময় গণতন্ত্রের পক্ষে। আমি কিশোরগঞ্জের মানুষ। আমাকে এলাকার কেউ খারাপ বলতে পারবে না। ৫ অগাস্টের আগে কিশোরগঞ্জের একটা মানুষকেও অত্যাচার করেছি–এমন কোনো রেকর্ড নেই। আমি সবসময় বলেছি, শতফুল ফুটুক। কোনো বিএনপি নেতাকর্মী গ্রেপ্তার হলে আমি প্রতিবাদ করেছি। আমি ছয় মাস জেলে আছি৷ বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার ও আপনার (বিচারক) কাছে আমি ন্যায়বিচার চাই।”
শুনানি শেষে আদালত তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দেয়। এরপর তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।
মামলার বিবরণে বলা হয়, জুলাই আন্দোলনের সময় ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ ঘোষণার পর ২০২৪ সালের ৪ অগাস্ট ভাটারার নতুন বাজার এলাকায় সরকার পতনের একদফা আন্দোলন চলছিল। হাজার হাজার ছাত্র-জনতা তাতে অংশ নেয়। আন্দোলনে পুলিশ ‘নির্বিচারে গুলি চালায়’।
ওইদিন বেলা দেড়টার দিকে নতুন বাজার এলাকা দিয়ে রাস্তা পার হয়ে নিরাপদ স্থানে যাচ্ছিলেন তৌহিদ মিয়া। এসময় আসামিদের ছোড়া বুলেট তার মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে লাগলে তিনি লুটিয়ে পড়েন। পরে হাসপাতালে চিকিৎসা নেন। চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে গত বছরের ৮ অগাস্ট তিনি এই হত্যাচেষ্টা মামলা করেন।
চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি: চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় মাদক লুকানোর এক অভিনব কৌশল অবলম্বন করেও শেষ রক্ষা হয়নি মো.…
বিশেষ প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম: চট্টগ্রাম মহানগরীর বায়েজিদ থানাধীন বালুচরা এলাকায় অবস্থিত বিআরটিএ (মেট্রো-২ সার্কেল) কার্যালয়টি এখন…
ঝিনাইদহ প্রতিনিধি: ঝিনাইদহ জেলা শহরের কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল এলাকায় একটি যাত্রীবাহী বাসে তল্লাশি চালিয়ে প্রায়…
সংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক: রাতে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে অতিভারী বর্ষণের পাশাপাশি ঘণ্টায় ৮০ কিলোমিটার বেগে ঝড়…
রাহাদ সুমন,বরিশাল: বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলার চাখার ইউনিয়নের সোনাহার-সাকরাল গ্রামে কালবৈশাখী ঝড়ে ঘরের উপর গাছ ভেঙে…
সংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক: সাত দিনের সফরে জাপানের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করছেন জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয়…