তারা বলেন, রাজবাড়ী পৌরসভার একটি গুরুত্বপূর্ণ এলাকা পুলিশ লাইনস। পাশাপাশি এখানে মুরগি ফার্ম নতুন বাজারসহ দুইটি স্কুল ও জনবসতী রয়েছে। কিন্তু জনগুরুত্বপূর্ণ এই পুলিশ লাইনস গেটের উল্টো দিক মহাসড়কের পাশে দীর্ঘ দিন ধরে ফেলা হয় ময়লা-আবর্জনা। যার দূর্গন্ধে এখান দিয়ে যাওয়া যায় না এবং ময়লা-আবর্জনার কারণে বেড়ে গেছে মশা-মাছির উপদ্রব। তাছাড়া এই খালের পাশেই শিশু বাচ্চাদের কিন্ডার গার্ডেন এবং একটু দুরে পুলিশ লাইনস স্কুল। ময়লার দূর্গন্ধে বাচ্চাসহ সকলের নানা অসুখ-বিসুখ হচ্ছে। কিন্তু এই দিকে পৌর কর্তৃপক্ষের খেয়াল নাই। তবে দীর্ঘ দিন পর হলেও ছাত্রদল নেতা রোমানের উদ্দ্যোগে ময়লা পরিস্কার শুরু হয়েছে। যা সত্যিই প্রশংসনীয়। রোমান যে উদ্দেশ্যেই এই ময়লা-আবর্জনা ও ড্রেন পরিস্কার কার্যক্রম শুরু করুক না কেন তার উদ্দেশ্য ভাল। এভাবে সবাই সচেতন হলে পৌরসভার অবস্থা এমন থাকতো না। তার পাশে থেকে সবার সহযোগিতা করা উচিত।
উদ্দ্যোক্তা রাজবাড়ী জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম রোমান বলেন, ‘রাজবাড়ী পৌরসভার একজন নাগরিক হিসেবে এখানকার দূর্দশা ও সমস্যা দেখলে আমাকে ভাবায়। সেই দ্বায়বদ্ধতার জায়গা থেকে পৌরসভার ময়লা-আবর্জনা ও ড্রেন পরিস্কার কার্যক্রম শুরু করেছি। ইতোমধ্যে ৬ নম্বর ওয়ার্ডের ড্রেন পরিস্কারের কাজ প্রায় শেষের দিকে। আজ জনগুরুত্বপূর্ণ পুলিশ লাইনস এলাকার ময়লা পরিস্কারের কাজ করছি। বড় বাজারের মুরগি বাজার, হাসপাতাল সড়কের ড্রেন সমস্যার অভিযোগ পেয়েছি। পর্যায়ক্রমে সীমাবদ্ধতার মধ্যে থেকে পৌর এলাকার সমস্যা সমাধানে কাজ করে যাবো। এসব কাজ করতে গিয়ে পৌরসভার সচিব, নির্বাহী প্রকৌশলীসহ বিভিন্নস্থান ঘুরেছি। সবশেষ আজ তাদের নিয়ে ময়লার ভাগার পরিস্কার শুরু করতে পেরেছি।
তিনি আরও বলেন, ‘এই ময়লা-আবর্জনার কারণে পৌর এলাকায় মশা-মাছির উপদ্রব বেড়েছে। দ্রুত ব্যাক্তিগতভাবে পৌর এলাকায় মশক নিধন কর্মসূচি শুরু করবো এবং পৌরবাসীর দূর্ভোগ লাঘবের চেষ্টা করবো।