কুমিল্লার বরুড়া উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) শাহীন হোসেনের বিরুদ্ধে সীমাহীন অনিয়ম ও দুর্নীতি করে কোটি কোটি টাকার মালিক বনে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এছাড়াও চাকুরি বিধি অনুযায়ী ৩ বছর পর পর বদলীর নিয়ম থাকলেও একই কর্মস্থলে দীর্ঘ প্রায় ৮ বছর ধরে চাকুরি করছেন বরুড়া উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) শাহীন হোসেন।
জনমনে প্রশ্ন নেপথ্যে রহস্য কি?
অনুসন্ধানে জানা গেছে, দেশের তৃণমূলে উন্নয়ন ও হতদরিদ্রদের সহায়ক হিসেবে সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন সংস্থার নানা শিরোনামে অর্থ বরাদ্দ হয় উপজেলা ও জাতীয় সংসদ সদস্যের অনুকূলে। উন্নয়নের জন্য ত্রাণ, দুর্যোগ ও পুনর্বাসন এবং স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় এবং এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) উপজেলা পর্যায়ে বরাদ্দ হয়।একইভাবে বরাদ্দ হয় প্রত্যেক সংসদ সদস্যের অনুকূলে। উপজেলার অনুকূলে বরাদ্দ অর্থ সমন্বয় কমিটির সভার মাধ্যমে বণ্টন হয় বিভিন্ন ইউনিয়নভুক্ত এলাকার প্রকল্পের নামে। যা বাস্তবায়নের দায়িত্বে জনপ্রতিনিধিরা থাকলেও দেখভালের দায়িত্ব থাকে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার ওপর।
কিন্তু কুমিল্লার বরুড়া উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা শাহীন হোসেন নিজের একক আধিপত্যের কারণে নিজের ক্ষমতাবলে উনার পছন্দমতো অফিসের পিয়ন ও চুক্তিভিত্তিক কর্মচারীদের দিয়ে বিভিন্ন প্রকল্প দেখভাল করে থাকেন। এমতাবস্থায়, কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার পিআইও শাহীন হোসেনের দ্রুত অপসারণ চেয়েছেন সাধারণ জনগণ।
একই কর্মস্থলে দীর্ঘদিন বহাল থাকার সুবাদে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির সঙ্গে জড়িয়ে পড়ার আশঙ্কায় বদলি ব্যবস্থা নেওয়া হয়ে থাকে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তাদের। কিন্তু স্থানীয় সাবেক সংসদ নাছিমুল আলম ও আবু জাফর এবং উপজেলা চেয়ারম্যান হামিদ লতিফ ভুইয়া কামালের আর্শিবাদ থাকার কারণে বরুড়া উপজেলায় খুঁটি গেড়ে বহাল তবিয়তে দীর্ঘ প্রায় ৮ বছর। বদলী তো দূরের কথা তিনি ৮ বছরে ফ্যসীবাদ সরকারের দালাল সেজে ঠিকাদারদের মতো সরকারি প্রকল্পে ১৫ থেকে ৪০ শতাংশ পর্যন্ত ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নভুক্ত গ্রামাঞ্চলের স্কুল, কলেজ, মাদরাসা, মসজিদ, মন্দির, কবরস্থান, শ্মশানঘাট, রাস্তাঘাট, ব্রিজ, কালভার্ট স্থাপন, মেরামত ও সংস্কারের জন্য সরকারি ও বিভিন্ন সংস্থার বরাদ্দ অর্থের সিংহভাগ টাকা অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে জনপ্রতিনিধিদের চেয়ে এগিয়ে আছে এই প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) শাহীন হোসেন। এখানে দীর্ঘ প্রায় ৮ বছরে প্রায় বিভিন্ন প্রকল্পের টাকার অংকের শতাধিক কোটি টাকার বরাদ্দ মিলেছে বলে একটি সূত্র জানিয়েছে।
আরোও জানা যায়, বাংলাদেশ সার্ভিস রুল অনুযায়ী সরকারি কর্মচারীদের ৩ বছর পর পর বদলির কথা বলা হয়েছে। তবে এর ভিন্ন চিত্র লক্ষ্য করা যাচ্ছে কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার পিআইও শাহীন হোসেনের দীর্ঘ প্রায় ৮ বছর ধরে অবস্থান করছেন। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা হিসেবে ।
সূত্র জানায়,বরুড়া উপজেলায় ২০১৮ থেকে ২০২৬ অর্থ বছর দীর্ঘ প্রায় ৮ বছর একটানা গ্রামীণ অবকাঠামো সংস্কার কাবিটা/কাবিখা প্রকল্পের অধিকাংশ কাজ না করেই ভাগ বাটোয়া করেছে এই প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা। যা তদন্ত করলেই থলের বিড়াল বেরিয়ে আসবে।
অনেকেই অভিযোগ করে বলেন সরকারের যত প্রকল্প লুটপাট করেছে সবগুলোই তদন্ত করে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের প্রতি অনুরোধ জানিয়ে আরোও বলেন, এখনি সময় এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার।
অভিযোগ বিষয়ে জানতে চাইলে কুমিল্লার বরুড়া উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) শাহীন হোসেন ফোন রিসিভ করেননি।
দূর্নীতিবাজ পিআইও শাহীন রেজার অপসারন চেয়ে স্থানীয় সাংসদ ও বাংলাদেশ সরকারের গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছে বরুড়াবাসি।
চট্টগ্রাম প্রতিনিধি: চট্টগ্রাম নগরের বায়েজিদ বোস্তামি থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৩ হাজার পিস ইয়াবাসহ মো.…
সংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক: ১১ কোটি টাকার বেশি অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলায় পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি)…
ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি: ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় নিখোঁজের তিন দিন পর ফাতেমা আক্তার পলি নামে এক শিশুর মরদেহ…
চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি: চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় মাদক লুকানোর এক অভিনব কৌশল অবলম্বন করেও শেষ রক্ষা হয়নি মো.…
বিশেষ প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম: চট্টগ্রাম মহানগরীর বায়েজিদ থানাধীন বালুচরা এলাকায় অবস্থিত বিআরটিএ (মেট্রো-২ সার্কেল) কার্যালয়টি এখন…
ঝিনাইদহ প্রতিনিধি: ঝিনাইদহ জেলা শহরের কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল এলাকায় একটি যাত্রীবাহী বাসে তল্লাশি চালিয়ে প্রায়…