ঢাকা মেট্রো সার্কেল-৩ দিয়াবাড়ি BRTA অফিস যেনো ঘুষ দুর্নীতির অভয়ারণ্য। মোটরযান পরিদর্শক হাফিজুর রহমান খান এর সেবামূলক(?) মহানুভবতায় “”দুপুরে ফেল–সন্ধ্যায় পাশ”” সিস্টেম ব্যাপক জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে ক্রমশ:!! সর্বরোগের মহাঔষধ দালাল সিন্ডিকেট পরিচালক ও অফিস সহায়ক জীবনের হাতে। আর তাই নির্বিঘ্নে অদক্ষ ও নামসহি করতে না পারা ব্যক্তিরাও হরহামেশাই লাইসেন্স নিয়ে হাসিমুখে বাসায় ফিরছে জীবনের চিরাচরিত ফরৃমূলায়। তবে সড়ক- মহাসড়ক দিনকে দিন পরিণত হচ্ছে জাহান্নামে!! আর মোটরযান পরিদর্শক ও সহকারী পরিচালক ঘুষ দুর্নীতির টাকায় গড়ে তুলেছেন নামে বেনামে অবৈধ সম্পদের পাহাড়।। প্রতি কর্মদিবসে এখানে ২০০লাইসেন্স এর আবেদন এবং ১০০ থেকে১২০ টা প্রায় নবায়ন আবেদন জমা হয় মোটরযান পরিদর্শক হাফিজুর রহমান খানের টেবিলে।। এতে সরকারী খরচ বাদেও প্রতিমাসে দালাল সর্দার জীবনের মাধ্যমে অবৈধ পথে চলে আসে দেড় থেকে দু কোটি টাকা।।
পাশ-ফেল:
ড্রাইভিং লাইসেন্স এর লিখিত পরীক্ষায় ২০ এর মধ্যে ১২ পেলেই পাশ। তবে ৪/৫ বা O পেলেও সমস্যা নেই, আপনাকে যেতে হবে করিৎকর্মা মোটরযান পরিদর্শক হাফিজুর রহমান খানের টেবিলে অথবা ধরতে হবে তাঁর পোষ্য দালাল সিন্ডিকেট প্রধান অফিস সহায়ক কাম কথিত ক্যাশিয়ার জীবনের কাছে। তবে সরকারি খরচের বাইরে গুনতে হবে অতিরিক্ত ১০ থেকে ১২ হাজার টাকা। আর এই চাহিদা পূরণ করতে পারলে অন্ধ মানুষও পেয়ে যাবে ড্রাইভিং লাইসেন্স।
বদলেছে দালালীর ধরণ:
সাম্প্রতিক সময়ে চেয়ারম্যান সাহেবের কঠোর নজরদারী ও ধারাবাহিক ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানের কারণে দিয়াবাড়ী অফিসের সংঘবদ্ধ দালাল সিন্ডিকেট এখন বেশ সতর্ক অবস্থানে। আগে এ অফিসে গোরুর হাটের মতো জটলা ধরে দালাল চক্র গিজগিজ করলেও এখন ৪/৫ জন করে আলদা আলাদা ভাবে দূরত্ব বজায় রেখে অবস্থান করছে।
আর অধিকাংশ দালাল থাকছে বিআরটিএর সামনে পিছনে ডানপাশে ফটোস্ট্যাট ও পানবিড়ির দোকান ও বড়ো রাস্তার ওপারে দেয়ালে ঘেষে গজিয়ে ওঠা টোং দোকানগুলোতে। দামদরে পরতা হলে এসব দালালরা ওইসব দোকানে বসেই হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র পাঠিয়ে দিচ্ছে জীবনের হোয়াটসঅ্যাপে। আর বিশেষ সাংকেতিক চিহ্ন সম্বলিত সেসব কাগজপত্র চোখ বন্ধ করে স্বাক্ষর করছেন মোটরযান পরিদর্শক হাফিজুর রহমান খান।
গ্রেফতার এড়াতে দালালরা যা করছে:
ভ্রাম্যমাণ আদালতকে ধোকা দিতে এসব দালালরা এখন পরিদর্শক হাফিজুর রহমান খান ও দালাল সিন্ডিকেট প্রধান জীবনের নির্দেশে নিজ নিজ ভোটার আইডি কার্ডের ফটোকপি ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সম্বলিত একটি করে ওয়াটার প্রুফ ফাইল সংরক্ষণ করছেন। এসব ফাইল বগলে নিয়ে বিআরটিএর ভিতরে বাইরে দাপিয়ে বেড়ানোসহ পৌঁছে যাচ্ছেন মোটরযান পরিদর্শকের খাসকামরাতে। হঠাৎ করে ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে পড়ে গেলে তাদের হাতে থাকা ফাইলের কাগজপত্র চেক করলে মনে হবে তারা লাইসেন্স করাতে নয়, নিজের জন্য লাইসেন্স তৈরি করতে এসেছেন। তাছাড়া এরা পরিদর্শক ও অন্যান্য অফিস স্টাফদের সামনেই নিজেদেরকে পরিচয় দেন অফিস স্টাফ, মাস্টার রোল অথবা আউটসোর্সিং কর্মী হিসেবে। কেউ কেউ অমুক স্যারের কথিত শ্যালক, ভাগ্নে, কাজিন বা অমুক স্যারের ব্যক্তিগত ড্রাইভার হিসেবে। এইরকম প্রায় “” ৫ ডজন চিহ্নিত দালালের গডফাদার”” মোটরযান পরিদর্শক হাফিজুর রহমান খান নিজেই। আর এই দালাল সিন্ডিকেট ম্যানেজমেন্টের অগ্রভাগে রয়েছেন দালাল সর্দার কাম কথিত ক্যাশিয়ার কোটিপতি অফিস সহায়ক জীবন।
ঘুষের টাকা কে কতো পান:
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে অবৈধ পন্থায় পাবলিকের কাছ থেকে হাতিয়ে নেওয়া অবৈধ টাকা ৭০% বখরা করে নেন সহকারী পরিচালক ও মোটরযান পরিদর্শক। বাকি ৩০% টাকা অফিস স্টাফ, কতিপয় তৃতীয় সারির রাজনৈতিক নেতা, কথিত সংবাদমাধ্যম ও হেড অফিস ম্যানেজের নামে খরচ দেখানো হয়।।
এ বিষয়ে মোটরযান পরিদর্শক হাফিজুর রহমান খান ও দালাল সর্দার জীবনের মোবাইলে কল করা হলে তাঁরা ফোন রিসিভ না করাই তাঁদের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
চট্টগ্রাম প্রতিনিধি: চট্টগ্রাম নগরের বায়েজিদ বোস্তামি থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৩ হাজার পিস ইয়াবাসহ মো.…
সংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক: ১১ কোটি টাকার বেশি অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলায় পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি)…
ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি: ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় নিখোঁজের তিন দিন পর ফাতেমা আক্তার পলি নামে এক শিশুর মরদেহ…
চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি: চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় মাদক লুকানোর এক অভিনব কৌশল অবলম্বন করেও শেষ রক্ষা হয়নি মো.…
বিশেষ প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম: চট্টগ্রাম মহানগরীর বায়েজিদ থানাধীন বালুচরা এলাকায় অবস্থিত বিআরটিএ (মেট্রো-২ সার্কেল) কার্যালয়টি এখন…
ঝিনাইদহ প্রতিনিধি: ঝিনাইদহ জেলা শহরের কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল এলাকায় একটি যাত্রীবাহী বাসে তল্লাশি চালিয়ে প্রায়…