ঢাকা-সিলেটে মহাসড়কে দয়ামীর নামক স্থানে বিরতিহীন বাস-প্রাইভেটকার মুখোমুখি সংঘর্ষে বাবা-মেয়ে নিহত
ঢাকা -সিলেট মহাসড়কের ওসমানীনগর থানার দয়ামীর নামক স্থানে বাস-প্রাইভেটকার মুখোমুখি সংঘর্ষে হারুন মিয়া(২৮) নামের প্রাইভেটকারের চালক ও তার মেয়ে আনিছা(১১) নিহত হয়েছেন।
শনিবার (১ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ৮টায় দয়ামীর মাদ্রাসার সামনে ঘটনাটি ঘটে। এ ঘটনায় একই পরিবারের আরো ৪জন গুরুতর আহত হয়।
নিহত হারুন মিয়া উপজেলার উমরপুর ইউনিয়নের মজিদপুর গ্রামের মৃত শফিক মিয়ার ছেলে। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন নিহত হারুনের তিন বোন রাইমা বেগম, মুন্নি বেগম, পান্না বেগম ও ভগ্নিপতি মুকিত মিয়া।
দুর্ঘটনার পর পর তাজপুর ফায়ার ব্রিগেড, শেরপুর হাইওয়ে ও ওসমানীনগর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে হতাহতদের উদ্ধার করে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার সকালে তাজপুর থেকে সিলেটগামী যাত্রীবাহী প্রাইভেটকার(ঢাকা মেট্রো-গ ১২-৪৮৫৫) ঢাকা – সিলেট মহাসড়কের দয়ামীর নামক স্থানে পৌছলে বিপরীত দিক থেকে আসা হবিগঞ্জগামী যাত্রীবাহী (ঢাকা মেট্রো-ব-১৪-৪৬৪৭) বিরতিহীন বাসের সাথে মুখোমুখি সংঘর্ষ হলে প্রাইভেটকারটি দুমরেমুছরে যায়। এ সময় ঘটনাস্থলেই প্রাইভেটকারের চালক হারুন মিয়া নিহত হন। হাসপাতালে নেয়ার পর হারুণ মিয়ার মেয়ে আনিছাও মারা যায়।
শেরপুর হাইওয়ে থানার ওসি মোঃ আব্দুর রশিদ সরকার দুর্ঘটনায় হতাহতের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, নিহতের লাশ ও দুঘর্টনাকবলিত দুটি গাড়িই পুলিশের হেফাজতে রয়েছে। এ ব্যাপারে আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।