হবিগঞ্জের বাহুবলে প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে সিলিকা বালু উত্তোলনে চলছে মহোৎসব । এ যেন থামছেই না। প্রশাসনের ভুমিকা না থাকায় একটি প্রভাবশালী চক্র দাপটের সহিত বালু উত্তোলন করে দেশের বড় বড় কোম্পানীতে পাচার করার খবর পাওয়া গেছে। প্রতিদিন সকাল থেকে বিকাল অবদি ট্রাক্টর যোগে প্রকাশ্যে পরিবহন করা হচ্ছে এসব বালু । কোনো কোনো ট্রাক্টর মালিক সেখান থেকে বালু এনে চলিতাতলা পয়েন্টের পিছনে একটি জায়গায় স্তুপ করে রেখে সুবিদামত চড়া দামে বিক্রি করছে ।
এলাকাবাসী সুত্রে জানাযায়- উপজেলার ধলিয়া ছড়া মহাল টি অনেক বড় হওয়ায়- পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বিগত ২০১৫ ইং সাল থেকে বালু উত্তোলন বন্ধ করে দেওয়া হয় । গত ২০২৩ ইং সালে মহালটির দরপত্র আহ্বান করা হলে, অনেকেই এই দরপত্রে অংশ গ্রহন করেন। এখানেই ঘটে বিপত্তি দুই জন দরপত্র জমাদান কারীর মাঝে চলে টানাহেঁচড়া। একদিকে শুভা এন্টার প্রাইজ ( রমজান আলী) অন্যদিকে বদরুল এবং আলমগীর । শেষ পর্যন্ত মহালটি নিয়ে মামলা গড়ায় উচ্চআদালতে । এখন মামলাটি উচ্চ আদালতে চলমান রয়েছে বলে জানাগেছে। এই মামলা থাকা সত্বেও দিনেদুপুরে দাপটের সহিত বালু উত্তোলন করে ট্রাক্টর দিয়ে পাচার করছে একটি চক্র। এদের কুটির জোর কোথায় এমন প্রশ্ন এখন এলাকাবাসীর।
এই বালু উত্তোলনের ফলে একদিকে সরকার হারাচ্ছে কোটি কোটি টাকার রাজস্ব অপরদিকে রাস্তা ঘাট ভেঙ্গে যাওয়ায় স্কুল কলেজের শিক্ষার্থী সহ এলাকার জনসাধারণের চলাচলে ভোগান্তির সৃষ্টি হয়েছে ।
এব্যপারে বাহুবল উপজেলা সহকারী কমিশনার ভুমি জনাব মোহাম্মদ মাহবুবুল ইসলামের সাথে ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন-বালুর বিরোদ্ধে অভিযান অব্যাহত আছে এবং চলবে।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার জনাব গিয়াস উদ্দিনের সাথে সেল ফোনে কথা হলে তিনি বলেন.যেখানেই অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলন হচ্ছে সেখানেই অভিযান হচ্ছে। এবিষয়ে অভিযান অব্যাহত আছে এবং থাকবে।।