ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের রোডম্যাপ অনুযায়ী আগামী ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধেই ভোট অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। আসন্ন নির্বাচনে একক প্রার্থী চূড়ান্ত করতে তৎপর বিএনপি। ক্লিন ইমেজ ও তরুণ প্রজন্মের কাছে গ্রহণযোগ্য, ‘জেন-জি’ প্রার্থীদের গুরুত্ব দিয়ে তৈরি হচ্ছে মনোনয়ন তালিকা।
এই প্রেক্ষাপটে রাজনৈতিক ইতিহাসে আলোচিত আসন ময়মনসিংহ-৮ (ইশ্বরগঞ্জ) আবারও জাতীয় রাজনীতির অন্যতম আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। আসনটিতে ধানের শীষের সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে এগিয়ে রয়েছেন উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও ময়মনসিংহ উত্তর জেলা বিএনপির সম্মানিত সদস্য লুৎফুল্লাহেল মাজেদ বাবু।
ছাত্র রাজনীতি থেকে বিএনপির নেতৃত্বে
লুৎফুল্লাহেল মাজেদের রাজনৈতিক জীবনের শুরু ছাত্র রাজনীতি থেকে। তিনি ময়মনসিংহ জেলা ছাত্রদলের সভাপতি, কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সহ-সভাপতি এবং ময়মনসিংহ বিএড কলেজ সংসদের ভিপি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তার নেতৃত্বে গণতান্ত্রিক আন্দোলন সংগঠিত হয় এবং ছাত্র রাজনীতিতে নতুন প্রাণ ফিরে আসে।
রাজপথের লড়াকু নেতা
তৃণমূল থেকে উঠে আসা এই নেতা শুধু কাগুজে রাজনীতিতে সীমাবদ্ধ নন। আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় অংশগ্রহণ, রাজপথে উপস্থিতি ও সরকারের রোষানলে পড়ে গ্রেফতার-জেল-জুলুম সহ্য করার মধ্য দিয়ে তিনি তৃণমূল কর্মীদের আস্থার প্রতীক হয়ে উঠেছেন। প্রতিটি দমননীতি তাকে আরও শক্তিশালী করেছে, যা বিএনপির নেতা-কর্মীদের কাছে প্রেরণার উৎস হিসেবে কাজ করছে।
সাংগঠনিক দক্ষতায় অগ্রগামী
সংগঠক হিসেবে তার সবচেয়ে বড় শক্তি সাংগঠনিক দক্ষতা। বিভিন্ন সময়ে ছাত্রদল, যুবদল ও জেলা বিএনপির নেতৃত্বে থেকে তিনি সংগঠনকে শক্তিশালী করেছেন। স্থানীয় পর্যায়ে তার গ্রহণযোগ্যতা ও নেতৃত্ব গুণ তাকে যেকোনো আন্দোলন কিংবা নির্বাচনী কৌশলের উপযোগী নেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
জনসেবায় নিবেদিত
রাজনীতির পাশাপাশি লুৎফুল্লাহেল মাজেদ সবসময় জনসেবায় এগিয়ে এসেছেন। মাঠপর্যায়ে দরিদ্র-অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন, আন্দোলনে নিহত ও আহত পরিবারের পাশে থেকেছেন। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পক্ষ থেকে তিনি আর্থিক সহায়তা পৌঁছে দিয়েছেন। এছাড়া বিরল রোগে আক্রান্ত রোগীদের সহায়তা করেও প্রশংসা কুড়িয়েছেন।
জনপ্রিয়তায় এগিয়ে
ময়মনসিংহ-৮ ইশ্বরগঞ্জ আসনে রাজনৈতিক সমীকরণে নানা পরিবর্তন হলেও বর্তমানে স্থানীয় জনগণ ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বিএনপির মধ্যে লুৎফুল্লাহেল মাজেদ বাবুর বিকল্প নেই। তৃণমূল থেকে শীর্ষ পর্যায় পর্যন্ত তার গ্রহণযোগ্যতা এবং এলাকার মানুষের সঙ্গে দীর্ঘদিনের সম্পর্ক তাকে আসন্ন নির্বাচনে ধানের শীষের সবচেয়ে সম্ভাবনাময় প্রার্থী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
সার্বিক বিষয়ে ৪ নং আঠারবাড়ি ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক ছাত্রদল সভাপতি, ময়মনসিংহ উত্তর জেলা যুব দলের সমাজ কল্যাণ সম্পাদক ও বর্তমান সদস্য-সচিব প্রার্থী জনাব হাদিছ মিয়া বলেন, “লুৎফুল্লাহেল মাজেদ ভাই শুধু একজন রাজনৈতিক নেতা নন, তিনি আমাদের এলাকার মানুষের হৃদয়ের মানুষ। আন্দোলন-সংগ্রামে তার সাহসী ভূমিকা যেমন আমাদের অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে, তেমনি সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখে তার পাশে দাঁড়ানোর মানসিকতা তাকে আলাদা মর্যাদায় পৌঁছে দিয়েছে। তৃণমূলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে তার যে নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে, তা অন্য কারও সঙ্গে তুলনীয় নয়। আমরা বিশ্বাস করি, ময়মনসিংহ-৮ আসনে তিনি বিএনপির সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য ও যোগ্য প্রার্থী। তার নেতৃত্বে এই অঞ্চলের গণতান্ত্রিক আন্দোলন আরও শক্তিশালী হবে।”
সংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক: সরকারি চাকরিতে বাধ্যতামূলক অবসরের আওতায় বিসিএস (পুলিশ) ক্যাডারের ১৭ জন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে…
সংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক: ২০১৩ সালের ৫ মে রাজধানীর শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের সমাবেশে হত্যাযজ্ঞের…
চট্টগ্রাম প্রতিনিধি: চট্টগ্রাম নগরের বায়েজিদ বোস্তামি থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৩ হাজার পিস ইয়াবাসহ মো.…
সংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক: ১১ কোটি টাকার বেশি অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলায় পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি)…
ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি: ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় নিখোঁজের তিন দিন পর ফাতেমা আক্তার পলি নামে এক শিশুর মরদেহ…
চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি: চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় মাদক লুকানোর এক অভিনব কৌশল অবলম্বন করেও শেষ রক্ষা হয়নি মো.…