লাগামহীন ঘুষ দুর্নীতি আর দলিল বাণিজ্যের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর সাব রেজিস্ট্রি অফিস। সাব রেজিস্ট্রার মশিউর রহমানের প্রথম কর্মস্থল নওগাঁর রানীনগর সাব রেজিস্ট্রার অফিসের আদলে এখানেও চলছে লুটপাট ও দলিল বাণিজ্যের মহোৎসব। সাধারণত দুদক এনফোর্সমেন্ট টিম কখনো সদ্য যোগদানকারী নবাগত সাব রেজিস্ট্রারের কার্যালয়ে অভিযান না চালালেও– ব্যতিক্রম দৃষ্টান্ত হয়ে রয়েছে মশিউর রহমানের প্রথম কর্মস্থল নওগাঁর রানীনগর সাব রেজিস্ট্রার অফিস। মূলত: শুরু থেকেই মশিউর রহমানের সীমাহীন ঘুষ দুর্নীতির কারণে রানীনগরে দুদক এনফোর্সমেন্ট টিম আকষ্মিক অভিযান পরিচালনা করতে বাধ্য হয়।
সেই আদলে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে যোগদান করেই পদেপদে জমির শ্রেণী পরিবর্তন, খাসজমি রেজিষ্ট্রেশন, ভলিউম কাঁটাছেড়া, ওভার রাইটিং, পে অর্ডারের টাকা আত্মসাৎ, ভূয়া এনআইডি দিয়ে জমি সম্পাদনসহ, অফিস খরচ, সেরেস্তা আর বড়ো স্যারের ( DR) খালিদ মোহাম্মদ বিন আসাদ সাহেবের মিষ্টি মুখ করাবার নামে এখানে মশিউর রহমান প্রকাশ্যেই চালাচ্ছেন প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ টাকার ঘুষ লেনদেন। চাহিদা মোতাবেক ঘুষের টাকা দিতে ব্যর্থ হলে ভুক্তভোগীদের ঘুরতে হয় মাসের পর মাস। এম্মিতেই দলিল লেখকদের মাধ্যমে সরকারী ফিস বাদেও দলিল প্রতি অফিস সহকারী সত্যরঞ্জন চক্রবর্তী আদায় করেন ৯ হাজার থেকে ২০/৩০ হাজার টাকা। এছাড়া ডিআর ( ডিস্ট্রিক্ট রেজিস্ট্রার) এর জন্য দলিল প্রতি ৩০০ টাকা আর টিপসহি দিতেও গ্রাহকদের গুণতে হচ্ছে ২০০ টাকা করে।।। চাহিদা মোতাবেক টাকা পেয়ে গেলেই অফিস সহকারী কাম সাব রেজিস্ট্রারের কথিত বিশেষ সহকারী শ্রী সত্যরঞ্জন চক্রবর্তী দলিলের মাথায় দেন বিশেষ সাংকেতিক চিহ্ন। আর সাব রেজিস্ট্রার মশিউর রহমান সেসব দলিল স্বাক্ষর করেন হাস্যোজ্জ্বল বদনে, খোশমেজাজে।।
আবার কখনো কখনো কারো এনআইডিতে নামের বানান ভুল বা পর্চায় সামান্য ত্রুটিবিচ্যূতি থাকলে “” এসব জমি কস্মিনকালেও রেজিষ্ট্রেশন সম্ভব নয়”” বলে কৃত্রিম আতঙ্ক সৃষ্টি করে খাসকামরায় নিয়ে দালাল, দলিল লেখক ও অফিস সহকারী সত্যরঞ্জনের মাধ্যমে দর-কষাকষি করে গোপনে লুটে নেওয়া হচ্ছে লক্ষ লক্ষ টাকা।
নাসিরনগর সাব রেজিস্ট্রার অফিসে প্রতিদিন দলিল সম্পাদন হয় ১২০/১৩০ করে। ফলে প্রতি কর্মদিবসে এ অফিসে ঘুষ দুর্নীতির টাকা জমা হয় ১২ থেকে ১৫ লক্ষ টাকা। সে হিসেবে মাসে আদায় হয় আড়াই কোটি টাকা। আর বাৎসরিক এই হিসেব ৩০/৩৫ কোটি টাকায় দাঁড়ায়।। অসাধু উপায়ে অর্জিত এসব টাকার ফিফটি পার্সেন্ট সাব রেজিস্ট্রার নিজ ঝুলিতে রেখে দিয়ে বাকি টাকা অফিস স্টাফ, ডিআর অফিস, দলিল লেখক সমিতি, কতিপয় রাজনৈতিক নেতা ও আইজিআর অফিস ম্যানেজের নামে খরচ দেখানো হয়।
সন্ধ্যার পর বাসায় ফেরার পথে দুদক এনফোর্সমেন্ট টিম আকষ্মিক অভিযান পরিচালনা করলেই ঘুষ দুর্নীতির টাকাসহ অফিস সহকারী সত্যরঞ্জন চক্রবর্তী ও সাব রেজিস্ট্রার মশিউর রহমান কে হাতেনাতে আটক করা সম্ভব বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সচেতন মহল।
কলেজ জীবনে ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে সংযুক্ত থাকা মশিউর রহমান ধানমন্ডির ভরসায় রানীনগরে নিজস্ব ক্ষমতার বলয় সৃষ্টি করে গোপনে গড়ে তুলেন শক্তিশালী দালাল সিন্ডিকেট।
বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন দমাতেও সাব রেজিস্ট্রার মশিউর রহমান যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতাদের সাথে গভীর শলাপরামর্শে লিপ্ত থাকতেন বলে সূত্র জানায়।। দলিল লেখক সমিতির একজন নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ৫ আগস্ট দেশের সার্বিক পেক্ষপট পরিবর্তনে সপ্তাহ খানেক চুপচাপ থাকলেও আবারো সাব রেজিস্ট্রার স্বমহিমায় আবির্ভূত।
তাঁর সৃষ্ট সংঘবদ্ধ দালাল সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্যে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন সেবা প্রত্যাশীরা। অফিস স্টাফ, দলিল লেখক, স্ট্যাম্প ভেন্ডার ও স্থানীয় কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি এবং দ্বিতীয় সারির কতিপয় অর্থলিপ্সু কথিত রাজনীতিবিদদের সমন্বয়ে গঠিত এ সিন্ডিকেটের যোগসাজশে সাব-রেজিস্ট্রার নানারকম অনিয়মে জড়িয়ে পড়েছেন। সিন্ডিকেটের সাথে হাত মিলিয়ে সরকারি নিয়মনীতি তোয়াক্কা না করে জমির শ্রেণি পরিবর্তন দেখিয়ে, সাব-কবলা দলিলের পরিবর্তে হেবাবিল এওয়াজ, অসিয়ত নামা, ঘোষণাপত্র, আমমোক্তার নামা, দানপত্র দলিল রেজিষ্ট্রি করে সরকারকে ধোকা দিয়ে প্রতিমাসে হাতিয়ে নিচ্ছেন কোটি কোটি টাকা। এতে সরকার হারাচ্ছে বিপুল পরিমাণ রাজস্ব।
নিষিদ্ধ আওয়ামীলীগ ও সাবেক আইনমন্ত্রীর প্রিয়জন হিসেবে খ্যাত সাব রেজিস্ট্রার মশিউর রহমান ও তার সৃষ্ট সিন্ডিকেট ভেঙে দিতে আইন উপদেষ্টা, আইজিআর মহোদয় ও দুদক এনফোর্সমেন্ট টিমের কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করছেন ভুক্তভোগী ও সচেতন মহল।
নওগাঁর রানীনগরে লাখ টাকা সরকারি রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে জমিসহ বাণিজ্যিক বয়লার রেজিস্ট্রি (দলিল সম্পাদন) করার অভিযোগ আছে সাব-রেজিস্ট্রার মো. মশিউর রহমানের বিরুদ্ধে। দলিল লেখকের সঙ্গে যোগসাজশে অর্থের বিনিময়ে বাণিজ্যিক বয়লার করা জায়গাকে ধানী জমি দেখিয়ে দলিলটি সম্পাদন করেছিলেন সাব-রেজিস্ট্রার মশিউর রহমান। এতে ২০ লাখ টাকা মূল্যের দলিল থেকে ১ লাখ টাকা রাজস্ব বঞ্চিত হয় সরকার।
২০২৪ সালের ১৩ই আগস্ট রানীনগর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে এই দলিলটি করা হয়। বিষয়টি জানাজানি হলে আলোচনায় আসেন সাব-রেজিস্ট্রার মশিউর রহমান ও দলিল লেখক সাদেকুল ইসলাম।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, ১৩ই আগস্ট ২০২৪ রানীনগর উপজেলার ঘোষগাঁও মৌজার ৬ শতাংশ বয়লার ২০ লাখ টাকা মূল্য ধরে রানীনগর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে একটি বিক্রয় কবলা দলিল সম্পাদন করা হয়। দলিলটির দাতা মো. আল আমিন প্রামানিকসহ ৪জন। আর গ্রহীতা মো. আশিকুজ্জামান ও হুমায়ন কবির।
নিয়ম অনুযায়ী ধানী জায়গা-জমির ক্ষেত্রে বিক্রয় কবলা দলিলের জন্য নগদ রেজিস্ট্রি ফি, পে-অর্ডার রেজিস্ট্রি, স্থানীয় কর, উৎসে কর, স্ট্যাম্প ও এনএন ফি আদায় করতে হবে। আর জায়গা-জমিসহ বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান বিক্রয় কবলা দলিল হলে রেজিস্ট্রি করার জন্য এফএফ ৫৩-৩ শতাংশ ও ভ্যাট ২ শতাংশ সরকারি খাতে রাজস্ব আদায় করতে হবে। কিন্তু ২০ লাখ টাকা মূল্যের এই দলিল থেকে এসবের কিছুই আদায় করা হয়নি। এক লাখ টাকা রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে বয়লার রেজিস্ট্রি করা হয়।দলিলের নকল হাতে আসার পর বেরিয়ে আসে এটির নানা অনিয়মের তথ্য। দলিলের প্রথম পাতায় শ্রেণি দেখানো হয়েছে ধানী। আবার দলিলের ৬নং পাতায় শ্রেণি দেখানো হয়েছে বয়লার। এলাকায় খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, দলিলকৃত জায়গাটির শ্রেণি ধানী নয়, বাস্তবে জায়গাটি বয়লার। সেখানে বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান বয়লার রয়েছে।
একের পর এক ঘুষ দুর্নীতি রাজস্ব ফাঁকির অভিযোগে নওগাঁ দুদক কর্তৃক রানীনগরে মশিউর রহমান এর দপ্তরে ৩রা ফেব্রুয়ারি ২০২৫ অভিযানের পর সাব-রেজিস্ট্রার আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠেন। ভূমির প্রকৃত তথ্য গোপন করে শ্রেণি পরিবর্তনের মাধ্যমে লাখ লাখ টাকা রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে পর পর কয়েকটি বিক্রয় কবলা দলিল রেজিস্ট্রেশনের ঘটনা ফাঁস হয়ে পড়ায় তোলপাড় শুরু হয়। তবে এসব অপকর্মের ঘটনা সহসাই ধামাচাপা দিতে বিভিন্ন মহলে সেই সময় জোরালা তদবির শুরু করেন মশিউর রহমান।
১৮ই ফ্রেব্রুয়ারি ২০২৫ একটি রেজিস্ট্রেশনকৃত দলিল উপজলা সদরের (রাণীনগর বাজার)-এর মৃত আমজাদ হোসেনের পুত্র শরিফুল ইসলাম পৈতৃক সূত্রে প্রাপ্ত হয়ে বালুভরা (সদর) মৌজায় ৪ শতাংশ জমিসহ পাকা আবাসিক স্থাপনা ব্যক্তিগত কারণে ৪২ লাখ টাকায় (দলিল মূলে ) বিক্রয় করেন।
উক্ত আবাসিক পাকা স্থাপনাসহ জমি ক্রয় করেন রাণীনগর উপজলা সদরের দাউদপুর গ্রামের মিজানুর রহমান গং। দলিল লেখালেখির কাজ সম্পাদন করেন হাফিজুর রহমান বাচ্চু (দলিল লেখক সনদ নং-২৬)। জমি রেজিস্ট্রেশনের নিয়ম অনুযায়ী নিয়মিত সরকারি ৮% ফিসের (ভ্যাট-ট্যাক্স) পাশাপাশি যদি আবাসিক (স্থাপনা) থাকে তাহলে অর্থবিল-২০১৯ এর আওতায় এফএফ-৫৩ (উৎসেকর) মোতাবেক আরও অতিরিক্ত ৫% হারে সরকারের রাজস্ব (ভ্যাট-ট্যাক্স) আদায় করে চালানের মাধ্যম রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা করার বিধি-বিধান বা আইন আছে। কিন্তু রাণীনগর সাব-রেজিস্ট্রার মশিউর রহমান ও দলিল লেখক হাফিজুর রহমান বাচ্চু পরস্পর যোগসাজশে নিজেরা লাভবান হয়ে আইনের প্রতি বদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে উক্ত বিক্রয় কবলা দলিলে কোনো প্রকার আবাসিক স্থাপনা নেই মর্মে উল্লেখ করে শতকরা পাঁচ (৫%) হারে অতিরিক্ত ২ লাখ ১০ হাজার ভ্যাট-ট্যাক্স (রাজস্ব) ফাঁকি দেয়ার সুযোগ করে দেয়।
এত বড় ভ্যাট-ট্যাক্স (রাজস্ব) ফাঁকি দেয়ার ঘটনা ফাঁস হয়ে পড়ার পরও সহসাই দলিলের দু’-একটি পাতা পরিবর্তন করে ভূল হয়েছে (কৈফিয়ত দিয়ে) মর্মে দলিলের অনুকূলে নতুন করে চালানের মাধ্যমে ভ্যাট-ট্যাক্স জমা দিয়ে দায় মুক্তি নেয়ার তদবির ও অপচেষ্টা করা হচ্ছে বলেও নানা গুঞ্জন চলছে।
দলিলদাতা শরিফুল ইসলাম জানান, আমার বাসা বাড়ির সব কাগজপত্র দলিল লেখককে দেয়া হয়েছে। যদি বাসা-বাড়ির তথ্য গোপন করে রাজস্ব ফাঁকি দেয়া হয় তার জন্য তারাই দায়ী।
দলিল গ্রহীতার ভাই মহববত আলী জানান, দলিল লেখক হাফিজুর রহমান বাচ্চু আমাদের আত্মীয়। সেই সুবাদে ৪২ লাখ টাকার দলিল রেজিস্ট্রি ফি বাবদ ৪,৫০,০০০/-( সাড়ে চার লাখ) টাকা দিয়েছি এবং তাকে বারবার বলেছি দলিলে পাকা বাড়ি উল্লেখ করার জন্য। কিন্তু এখন শোনা যাচ্ছে তথ্য গাপন করে বাড়ি বা কোনো স্থাপনা নেই উল্লেখ করে দলিল করে দিয়েছে। আমরা টাকা ঠিকই দিয়েছি, রাজস্ব ফাঁকি দিয়েছে দলিল লেখক ও সাব-রেজিস্ট্রার মশিউর সাহেব। তাই সমস্ত দায়-দায়িত্ব তাদের। অবশ্য ঘুষ দুর্নীতির মাস্টারমাইন্ড সাব রেজিস্ট্রার মশিউর রহমান বরাবরই তিনি ঘুষ দুর্নীতি করেননা বলে সংবাদমাধ্যমের সামনে সাফাই গেয়ে আসছেন।
ওই সময় নবাগত সাব রেজিস্ট্রার মশিউর রহমান এর বিরুদ্ধে নওগাঁ জেলা রেজিস্ট্রার ( D R ) শরীফ তোরাব হোসেন দৃশ্যমান কোনো বিভাগীয় ব্যবস্থা না নেওয়ায় মশিউর রহমান এর ঘুষ দুর্নীতি ও দলিল বাণিজ্য “” নাসিরনগরেও চলমান “”
পুনশ্চঃ সাব রেজিস্ট্রার মশিউর রহমান ১৯৮৮ সালের ২৫শে সেপ্টেম্বর সিরাজগঞ্জে জন্মগ্রহণ করেন।
মেধাবী মশিউর রহমান বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং এবং বিজনেস এডমিনিস্ট্রেশনে এমবিএ পাশ করার পর সাব রেজিস্ট্রার পরীক্ষাতেও উত্তীর্ণ হন ১লা এপ্রিল ২০২৪ সনে। সাব রেজিস্ট্রার হিসেবে তার প্রথম কর্মস্থল ছিলো নওগাঁ জেলার রানীনগরে। ২১ শে এপ্রিল ২০২৪ তিনি রানীনগর সাব রেজিস্ট্রার হিসেবে আনুষ্ঠানিক ভাবে যোগদান করেন।।
তাঁর এলাকাবাসী ও অভিজ্ঞজনেরা বলেছেন বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং ও বিজনেস এডমিনিস্ট্রেশনে এমবিএ পাশ করা সত্ত্বেও তার সাব রেজিস্ট্রার এর চাকরি বেছে নেওয়ার কারণ ” তিনি স্বল্প সময়ে বিষাক্ত সাপের দৃষ্টি এড়িয়ে সাপলুডু খেলায় মই বেয়ে দ্রুত সর্বোচ্চ চুড়ায় উঠে অবৈধ সম্পদের পাহাড় গড়তে যে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ” তা আর বলার অপেক্ষা রাখেনা। (চলবে)
সংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক: সরকারি চাকরিতে বাধ্যতামূলক অবসরের আওতায় বিসিএস (পুলিশ) ক্যাডারের ১৭ জন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে…
সংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক: ২০১৩ সালের ৫ মে রাজধানীর শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের সমাবেশে হত্যাযজ্ঞের…
চট্টগ্রাম প্রতিনিধি: চট্টগ্রাম নগরের বায়েজিদ বোস্তামি থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৩ হাজার পিস ইয়াবাসহ মো.…
সংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক: ১১ কোটি টাকার বেশি অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলায় পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি)…
ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি: ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় নিখোঁজের তিন দিন পর ফাতেমা আক্তার পলি নামে এক শিশুর মরদেহ…
চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি: চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় মাদক লুকানোর এক অভিনব কৌশল অবলম্বন করেও শেষ রক্ষা হয়নি মো.…